সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৫১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, June 4, 2017 4:03 am
A- A A+ Print

রোনালদোর জোড়া গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগ রিয়ালের

rrr20170604025022

আবারও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ঝলক, আবারও রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা। এক বিন্দুতে গাঁথা দুয়ের সাফল্য। পর্তুগিজ স্ট্রাইকারের জোড়া গোলে ইউরোপের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই চ্যাম্পিয়নস লিগের ১২তম শিরোপা জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার রাতে কার্ডিফে ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। রেকর্ড গড়ে শিরোপা ঘরে রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ নামকরণ করার পরের দুই যুগে কোনো দলই পর পর দুইবার এ ট্রফি জিততে পারেনি। অসম্ভব কাজটি সম্ভব করে দেখিয়েছে রিয়াল। পাশাপাশি নিজেদের প্রাপ্তির খাতায় আরেকটি অর্জনও যুক্ত করেছে। ১৯৫৮ সালের পরের ৫৮ বছরে রিয়াল মাদ্রিদ আটবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছে। কিন্তু কোনোবার টানা দুই মৌসুমে এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জিততে পারেনি। এবার জিনেদিন জিদানের দল সেই কাজটি করে দেখাল। এ ম্যাচে নামার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের ১২ ম্যাচে মাত্র তিন গোল হজম করেছিল ইতালিয়ান ক্লাবটি। আত্মবিশ্বাসী হয়ে কার্ডিফে মাঠে নামলেও রোনালদোর দাপটে রক্ষণভাগ এলোমেলো হয়ে যায় ম্যাচের শুরুতেই। ২০ মিনিটেই লা লিগার শিরোপাধারীরা এগিয়ে যায় সিআর সেভেনের গোলে। দানি কারভাহালের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পাসে বল পেয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে কোনাকুনি শট নেন রোনালদো। বল জালে জড়াতে সয়ম নেয়নি। এ গোল দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিন ফাইনালে গোল করার কৃতিত্ব দেখান রোনালদো। গোল হজমের পর গোল পেতে মরিয়া হয়ে খেলে ইতালির সেরা ক্লাবটি। সমর্থকদের হতাশ করেননি তারা। ৭ মিনিটের ব্যবধানে স্ট্রাইকার মারিও মানজুকিচ অসাধারণ এক ভলিতে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। বাম পাশ থেকে সান্ড্রোর ক্রস থেকে ডি বক্সের ঠিক বাইরে বল পান হিগুয়েন। বুক দিয়ে বল পাস করেন পাশেই থাকা মানজুকিচকে। অসাধারণ ভলিতে বল পিক করে ওভারহেড কিকে নাভাসকে ফাঁকি দিয়ে বল রিয়ালের জালে জড়ান। মানজুকিচ, দানি আলভেসের উল্লাসের পর টিভির ক্যামেরায় ভেসে আসে রোনালদোর বিষন্ন মুখ। গোল দেয়ার পর আক্রমণ অব্যাহত রাখে জুভেন্টাস। রিয়ালের রক্ষণভাগে বারবারই আক্রমণ করে যাচ্ছিল তারা। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। ১-১ গোলে সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতি থেকে ফিরে পুরোই পাল্টে যায় জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। প্রথম ১৫ মিনিটে জুভেন্টাস একবারও বল নিয়ে যেতে পারেনি রিয়ালের রক্ষণভাগে। ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ অব্যাহত রাখে মাদ্রিদ। ৬১ মিনিটে আবারও লিড নেয় চ্যাম্পিয়নরা। ডি-বক্সের অনেক বাইরে থেকে কাসেমিরোর শট সামি খেদিরার পায়ে লেগে জালে জড়ায়। ৩৯ বছর বয়সি বুফন ডানদিকে ঝাঁপিয়ে বল তালুবন্দি করতে পারেননি। ৩ মিনিটের ব্যবধানে জুভেন্টাসকে সবথেকে বড় ধাক্কাটি দেন রোনালদো। ডানপ্রান্ত থেকে লুকা মডরিচের ক্রস থেকে ডানপায়ে ফ্লিক করে বুফনকে বোকা বানান চারবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। তাতেই জয় নিশ্চিত মাদ্রিদের। এরপর আর ম্যাচে খুঁজে পাওয়া যায়নি জুভেন্টাসকে। শেষ মুহূর্তে মার্কো আসেনসিয়ো গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন। ৮২ মিনিটে ইসকোর পরিবর্তে মাঠে নামেন আসেনসিয়ো। ৮ মিনিটেই বাজিমাত করেন তরুণ তুর্কী। জার্মান রেফারি ফেলিক্স ব্রিচের শেষ বাঁশির জন্য অপেক্ষা করেনি রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলাররা! তার আগেই চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত তাদের। ইউরোপের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের ১২তম শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় ৬১ মিনিটে, রোনালদোর পা ছুঁয়ে। ওই গোলের পর জুভেন্টাসকে পাওয়া যায়নি চেনা ছন্দে। পরাজয় ওখানেই মেনে নেয় ইতালির সেরা ক্লাব। ১৯৯৬ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ শিরোপা জেতা দলটিকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটের জন্য আরেকটি বছর অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।    

Comments

Comments!

 রোনালদোর জোড়া গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগ রিয়ালেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রোনালদোর জোড়া গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগ রিয়ালের

Sunday, June 4, 2017 4:03 am
rrr20170604025022

আবারও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ঝলক, আবারও রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা। এক বিন্দুতে গাঁথা দুয়ের সাফল্য।

পর্তুগিজ স্ট্রাইকারের জোড়া গোলে ইউরোপের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই চ্যাম্পিয়নস লিগের ১২তম শিরোপা জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার রাতে কার্ডিফে ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

রেকর্ড গড়ে শিরোপা ঘরে রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ নামকরণ করার পরের দুই যুগে কোনো দলই পর পর দুইবার এ ট্রফি জিততে পারেনি। অসম্ভব কাজটি সম্ভব করে দেখিয়েছে রিয়াল। পাশাপাশি নিজেদের প্রাপ্তির খাতায় আরেকটি অর্জনও যুক্ত করেছে। ১৯৫৮ সালের পরের ৫৮ বছরে রিয়াল মাদ্রিদ আটবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছে। কিন্তু কোনোবার টানা দুই মৌসুমে এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জিততে পারেনি। এবার জিনেদিন জিদানের দল সেই কাজটি করে দেখাল।

এ ম্যাচে নামার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের ১২ ম্যাচে মাত্র তিন গোল হজম করেছিল ইতালিয়ান ক্লাবটি। আত্মবিশ্বাসী হয়ে কার্ডিফে মাঠে নামলেও রোনালদোর দাপটে রক্ষণভাগ এলোমেলো হয়ে যায় ম্যাচের শুরুতেই। ২০ মিনিটেই লা লিগার শিরোপাধারীরা এগিয়ে যায় সিআর সেভেনের গোলে। দানি কারভাহালের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পাসে বল পেয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে কোনাকুনি শট নেন রোনালদো। বল জালে জড়াতে সয়ম নেয়নি। এ গোল দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিন ফাইনালে গোল করার কৃতিত্ব দেখান রোনালদো।

গোল হজমের পর গোল পেতে মরিয়া হয়ে খেলে ইতালির সেরা ক্লাবটি। সমর্থকদের হতাশ করেননি তারা। ৭ মিনিটের ব্যবধানে স্ট্রাইকার মারিও মানজুকিচ অসাধারণ এক ভলিতে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। বাম পাশ থেকে সান্ড্রোর ক্রস থেকে ডি বক্সের ঠিক বাইরে বল পান হিগুয়েন। বুক দিয়ে বল পাস করেন পাশেই থাকা মানজুকিচকে। অসাধারণ ভলিতে বল পিক করে ওভারহেড কিকে নাভাসকে ফাঁকি দিয়ে বল রিয়ালের জালে জড়ান। মানজুকিচ, দানি আলভেসের উল্লাসের পর টিভির ক্যামেরায় ভেসে আসে রোনালদোর বিষন্ন মুখ।

গোল দেয়ার পর আক্রমণ অব্যাহত রাখে জুভেন্টাস। রিয়ালের রক্ষণভাগে বারবারই আক্রমণ করে যাচ্ছিল তারা। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। ১-১ গোলে সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতি থেকে ফিরে পুরোই পাল্টে যায় জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। প্রথম ১৫ মিনিটে জুভেন্টাস একবারও বল নিয়ে যেতে পারেনি রিয়ালের রক্ষণভাগে। ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ অব্যাহত রাখে মাদ্রিদ। ৬১ মিনিটে আবারও লিড নেয় চ্যাম্পিয়নরা। ডি-বক্সের অনেক বাইরে থেকে কাসেমিরোর শট সামি খেদিরার পায়ে লেগে জালে জড়ায়। ৩৯ বছর বয়সি বুফন ডানদিকে ঝাঁপিয়ে বল তালুবন্দি করতে পারেননি।

৩ মিনিটের ব্যবধানে জুভেন্টাসকে সবথেকে বড় ধাক্কাটি দেন রোনালদো। ডানপ্রান্ত থেকে লুকা মডরিচের ক্রস থেকে ডানপায়ে ফ্লিক করে বুফনকে বোকা বানান চারবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। তাতেই জয় নিশ্চিত মাদ্রিদের। এরপর আর ম্যাচে খুঁজে পাওয়া যায়নি জুভেন্টাসকে। শেষ মুহূর্তে মার্কো আসেনসিয়ো গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন। ৮২ মিনিটে ইসকোর পরিবর্তে মাঠে নামেন আসেনসিয়ো। ৮ মিনিটেই বাজিমাত করেন তরুণ তুর্কী।

জার্মান রেফারি ফেলিক্স ব্রিচের শেষ বাঁশির জন্য অপেক্ষা করেনি রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলাররা! তার আগেই চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত তাদের। ইউরোপের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের ১২তম শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় ৬১ মিনিটে, রোনালদোর পা ছুঁয়ে। ওই গোলের পর জুভেন্টাসকে পাওয়া যায়নি চেনা ছন্দে। পরাজয় ওখানেই মেনে নেয় ইতালির সেরা ক্লাব। ১৯৯৬ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ শিরোপা জেতা দলটিকে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটের জন্য আরেকটি বছর অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

 

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X