বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:৩১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, September 6, 2017 7:14 pm
A- A A+ Print

রোহিঙ্গা: যেন একটি মানব ট্র্যাজেডির ট্রেলার

৮৮

নাইপেদো: আল-জাজিরার এজে প্লাস টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের ভিডিও। বিষয়: মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন ও পলায়ন। একবিংশ শতাব্দীটাই যেন বিতাড়ন আর পলায়নের শতাব্দী – তার পিছনে জাতি, ধর্ম, অতীত ইতিহাস বা বর্তমান রাজনীতি, যা-ই কাজ করুক না কেন। কে জানে, ধর্মের উৎস খুঁজতে গেলেও আমরা শেষমেষ এই ধরনের বিতাড়ন ও পলায়নের কাহিনির সম্মুখীন হব কিনা। বাড়িঘর পুড়ছে, পুড়ছে একটি আস্ত গ্রাম। আগুন লাগিয়েছে দৃশ্যত মায়ানমার সেনাবাহিনী। ভিডিও-র সূত্রধর বলছেন, সেনারা একটির পর একটি বাড়িতে আগুন দিয়েছে, একটি জ্বলন্ত কুটিরের সামনে বলছেন, ‘এটা আমার বাড়ি।' সম্ভবত ভিডিও-র সবচেয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্ত। সেনাবাহিনী নাকি বলছে, বিদ্রোহীরাই এর জন্য দায়ী। ২০০৬ সালেও তারা এমনই বলেছিল। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সূত্রে স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দিয়ে দেখানো হচ্ছে ধ্বংসের পরিমাণ। এরপর আবার একটি স্থানীয়, ব্যক্তিগত উল্লেখ – সিমবায়া নামের শেষ বসতিটিও এখন জ্বলছে। সহিংসতার শিকার মায়ানমারের রোহিঙ্গারা এবার কিছু পরিসংখ্যান: এক লাখ বিশ হাজার উদ্বাস্তু সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে গেছেন; নো-ম্যানস-ল্যান্ডে আটকা পড়েছেন আরো কয়েক হাজার। জাতিসংঘ কি বলেছে, মায়ানমারের সেনাপ্রধান কি বলেছেন... এ সবই শব্দ এবং অনুলিপি, এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের ভিডিওটি জুড়ে। তথ্য সংগ্রহ, পরিবেশন ও বিস্তারের এই যে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা, তার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের এই মানব ট্র্যাজেডি – মানবিক ট্র্যাজেডির চেয়েও যা বড় – তার সম্পর্ক কোথায় বা কতটুকু? আমরা যারা মিডিয়ায় কাজ করি, তাদের দায়িত্বই বা কী? আর কবি-সাহিত্যিক-সমাজসেবী? দেশবিদেশের সরকার? নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী? জাতিসংঘ? পোপ? ইউরোপীয় ইউনিয়ন? পথের পাঁচালীর অপুকে যদি এইরকম ধোঁয়া, আগুন আর হত্যাকাণ্ডের মধ্যে নিশ্চিন্দিপুর ছাড়তে হতো? সূত্র: ডয়চে ভেলে

Comments

Comments!

 রোহিঙ্গা: যেন একটি মানব ট্র্যাজেডির ট্রেলারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রোহিঙ্গা: যেন একটি মানব ট্র্যাজেডির ট্রেলার

Wednesday, September 6, 2017 7:14 pm
৮৮

নাইপেদো: আল-জাজিরার এজে প্লাস টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের ভিডিও। বিষয়: মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন ও পলায়ন।

একবিংশ শতাব্দীটাই যেন বিতাড়ন আর পলায়নের শতাব্দী – তার পিছনে জাতি, ধর্ম, অতীত ইতিহাস বা বর্তমান রাজনীতি, যা-ই কাজ করুক না কেন। কে জানে, ধর্মের উৎস খুঁজতে গেলেও আমরা শেষমেষ এই ধরনের বিতাড়ন ও পলায়নের কাহিনির সম্মুখীন হব কিনা।

বাড়িঘর পুড়ছে, পুড়ছে একটি আস্ত গ্রাম। আগুন লাগিয়েছে দৃশ্যত মায়ানমার সেনাবাহিনী। ভিডিও-র সূত্রধর বলছেন, সেনারা একটির পর একটি বাড়িতে আগুন দিয়েছে, একটি জ্বলন্ত কুটিরের সামনে বলছেন, ‘এটা আমার বাড়ি।’ সম্ভবত ভিডিও-র সবচেয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্ত।

সেনাবাহিনী নাকি বলছে, বিদ্রোহীরাই এর জন্য দায়ী। ২০০৬ সালেও তারা এমনই বলেছিল। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সূত্রে স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দিয়ে দেখানো হচ্ছে ধ্বংসের পরিমাণ। এরপর আবার একটি স্থানীয়, ব্যক্তিগত উল্লেখ – সিমবায়া নামের শেষ বসতিটিও এখন জ্বলছে।

সহিংসতার শিকার মায়ানমারের রোহিঙ্গারা

এবার কিছু পরিসংখ্যান: এক লাখ বিশ হাজার উদ্বাস্তু সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে গেছেন; নো-ম্যানস-ল্যান্ডে আটকা পড়েছেন আরো কয়েক হাজার। জাতিসংঘ কি বলেছে, মায়ানমারের সেনাপ্রধান কি বলেছেন…

এ সবই শব্দ এবং অনুলিপি, এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের ভিডিওটি জুড়ে। তথ্য সংগ্রহ, পরিবেশন ও বিস্তারের এই যে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা, তার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের এই মানব ট্র্যাজেডি – মানবিক ট্র্যাজেডির চেয়েও যা বড় – তার সম্পর্ক কোথায় বা কতটুকু?

আমরা যারা মিডিয়ায় কাজ করি, তাদের দায়িত্বই বা কী? আর কবি-সাহিত্যিক-সমাজসেবী? দেশবিদেশের সরকার? নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী? জাতিসংঘ? পোপ? ইউরোপীয় ইউনিয়ন?

পথের পাঁচালীর অপুকে যদি এইরকম ধোঁয়া, আগুন আর হত্যাকাণ্ডের মধ্যে নিশ্চিন্দিপুর ছাড়তে হতো?

সূত্র: ডয়চে ভেলে

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X