রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৩০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, July 26, 2016 3:02 pm
A- A A+ Print

শত বছরে বাংলাদেশিদের উচ্চতা বেড়েছে সামান্যই

Bangladesh1469522313

গত এক শতকে বাংলাদেশের মানুষের গড় উচ্চতা খুব সামান্যই বেড়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উচ্চতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৯৮তম। আর পুরুষেদের ক্ষেত্রে এ অবস্থান ১৮৫তম।
  ২০০টি দেশের ওপর পরিচালিত এক জরিপ শেষে বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ই-লাইফে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৮৯৬ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে মানুষের উচ্চতা পরিবর্তনের হার সম্পর্কে জানা গেছে।   তালিকায় দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষের বাস নেদার‌ল্যান্ডে, আর লম্বা নারীদের বাস লাটভিয়ায়। বর্তমানে ডাচ পুরুষদের গড় উচ্চতা ১৮৩ সেন্টিমিটার (ছয় ফুট)। আর লাটভিয়ার নারীদের ক্ষেত্রে গড় উচ্চতা হচ্ছে ১৭০ সেন্টিমিটার ( পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি)। এছাড়া গত এক শতকে ইরানে পুরুষদের উচ্চতা ১৬ সেন্টিমিটার এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় নারীদের উচ্চতা ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়েছে।   সূচকে দেখা গেছে, গত একশ বছরে বাংলাদেশে নারীদের উচ্চতা বেড়েছে খুব সামান্যই। ১৮৯৬ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নারীদের উচ্চতা বেড়েছে পাঁচ দশমিক ২ সেন্টিমিটার। অপরদিকে একই সময়ে পুরুষদের উচ্চতা বেড়েছে ৯ দশমিক তিন সেন্টিমিটার। নারীদের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উচ্চতা সূচকে সর্বশেষ দেশটি হচ্ছে গুয়াতেমালা। অর্থাৎ বিশ্বের খর্বকায় নারীদের বাস এ দেশটিতে। সূচকে এ দেশটি থেকে থেকে মাত্র দু’ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশে।   গবেষকরা জানিয়েছেন, উচ্চতা বৃদ্ধি বা হ্রাসের ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাব খুব বেশি নয়। গবেষক দলের প্রধান মজিদ এজ্জাতি বিবিসিকে বলেছেন, উচ্চতার তারতম্যের ক্ষেত্রে মাত্র এক তৃতীয়াংশকে বংশগত কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু সময়ের আবর্তনে যে পুরো বিষয়টি কেবল এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায় না। বংশগতির কারণে এতো দ্রুত পরিবর্তন হয় না এবং পুরো পৃথিবীতে এতো ব্যাপক পরিবর্তন আসে না। তাই সময়ের আবর্তনে এবং বিশ্বব্যাপী বৈচিত্রের পেছনে পরিবেশগত প্রভাবটাই সবচেয়ে বেশি।’   তিনি জানান, উচ্চতার তারতম্যের ক্ষেত্রে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, পয়ঃব্যবস্থা ও পুষ্টি হচ্ছে মুখ্য উপাদান। এছাড়া মায়ের স্বাস্থ্য ও গর্ভকালীন পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।   গবেষণায় বলা হয়েছে, লম্বা মানুষরা দীর্ঘায়ু হয় এবং তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি কম থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি ক্যান্সার সংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি তাদের বেশি।  

Comments

Comments!

 শত বছরে বাংলাদেশিদের উচ্চতা বেড়েছে সামান্যইAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শত বছরে বাংলাদেশিদের উচ্চতা বেড়েছে সামান্যই

Tuesday, July 26, 2016 3:02 pm
Bangladesh1469522313

গত এক শতকে বাংলাদেশের মানুষের গড় উচ্চতা খুব সামান্যই বেড়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উচ্চতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৯৮তম। আর পুরুষেদের ক্ষেত্রে এ অবস্থান ১৮৫তম।

 

২০০টি দেশের ওপর পরিচালিত এক জরিপ শেষে বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ই-লাইফে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৮৯৬ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে মানুষের উচ্চতা পরিবর্তনের হার সম্পর্কে জানা গেছে।

 

তালিকায় দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষের বাস নেদার‌ল্যান্ডে, আর লম্বা নারীদের বাস লাটভিয়ায়। বর্তমানে ডাচ পুরুষদের গড় উচ্চতা ১৮৩ সেন্টিমিটার (ছয় ফুট)। আর লাটভিয়ার নারীদের ক্ষেত্রে গড় উচ্চতা হচ্ছে ১৭০ সেন্টিমিটার ( পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি)। এছাড়া গত এক শতকে ইরানে পুরুষদের উচ্চতা ১৬ সেন্টিমিটার এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় নারীদের উচ্চতা ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়েছে।

 

সূচকে দেখা গেছে, গত একশ বছরে বাংলাদেশে নারীদের উচ্চতা বেড়েছে খুব সামান্যই। ১৮৯৬ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নারীদের উচ্চতা বেড়েছে পাঁচ দশমিক ২ সেন্টিমিটার। অপরদিকে একই সময়ে পুরুষদের উচ্চতা বেড়েছে ৯ দশমিক তিন সেন্টিমিটার। নারীদের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উচ্চতা সূচকে সর্বশেষ দেশটি হচ্ছে গুয়াতেমালা। অর্থাৎ বিশ্বের খর্বকায় নারীদের বাস এ দেশটিতে। সূচকে এ দেশটি থেকে থেকে মাত্র দু’ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশে।

 

গবেষকরা জানিয়েছেন, উচ্চতা বৃদ্ধি বা হ্রাসের ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাব খুব বেশি নয়। গবেষক দলের প্রধান মজিদ এজ্জাতি বিবিসিকে বলেছেন, উচ্চতার তারতম্যের ক্ষেত্রে মাত্র এক তৃতীয়াংশকে বংশগত কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু সময়ের আবর্তনে যে পুরো বিষয়টি কেবল এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায় না। বংশগতির কারণে এতো দ্রুত পরিবর্তন হয় না এবং পুরো পৃথিবীতে এতো ব্যাপক পরিবর্তন আসে না। তাই সময়ের আবর্তনে এবং বিশ্বব্যাপী বৈচিত্রের পেছনে পরিবেশগত প্রভাবটাই সবচেয়ে বেশি।’

 

তিনি জানান, উচ্চতার তারতম্যের ক্ষেত্রে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, পয়ঃব্যবস্থা ও পুষ্টি হচ্ছে মুখ্য উপাদান। এছাড়া মায়ের স্বাস্থ্য ও গর্ভকালীন পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

 

গবেষণায় বলা হয়েছে, লম্বা মানুষরা দীর্ঘায়ু হয় এবং তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি কম থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি ক্যান্সার সংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি তাদের বেশি।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X