মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 8, 2016 12:47 am
A- A A+ Print

শরণার্থীদের লাথি মারা সেই নারী সাংবাদিক বিচারের কাঠগড়ায়

878

বুদাপেস্ট: ২০১৫ সালে হাঙ্গেরিতে সিরিয় শরণার্থীদের একটি দলের সংবাদ সংগ্রহের সময় এক বাবা ও শিশুকে লাথি মারার ঘটনায় এক নারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে সে দেশের একটি আদালত। ঘটনার এক বছর পর বুধবার এন ১ টিভি’র ক্যামেরাপারসন পেত্রা লাসজলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এবং আদালতের প্রসিকিউটর এ ব্যাপারে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে। এদিকে অভিযুক্ত ওই সাংবাদিক পরবর্তীতে আদালতের কাছে অনুশোচনা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে। ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর হাঙ্গেরি এবং সার্বিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় হুড়োহুড়িরত শরণার্থীদের লাথি মারেন ওই টিভি সাংবাদিক। শিশুসহ ওই দুই শরণার্থীকে লাথি মারায় হাঙ্গেরিয়ান ওই নারী ফটোসাংবাদিক চরম সমালোচনার সম্মুখীন হন। সার্বিয়া সীমান্ত সংলগ্ন রোসজকি গ্রামে শরণার্থীদের নিবন্ধন শিবিরের কাছে খবর কভার করতে যান সাংবাদিকরা। এর মধ্যে হাঙ্গেরির এন ১ টিভি’র ক্যামেরাপারসন পেত্রা লাসজলো ছিলেন। পুলিশের নির্ধারিত লাইনে এক পর্যায়ে শরণার্থীরা হুড়োহুড়ি শুরু করে। এ সময় এক শিশুকে কোলে নিয়ে দৌড়ানোরত এক ব্যক্তিকে লাথি মেরে ফেলে দেন পেত্রা। কিছুক্ষণ পর দৌড়ানোরত অপর এক শিশুকে লাথি মারেন তিনি। ঘটনাটি উপস্থিত অন্যান্য টেলিভিশন সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর পরই এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে পেত্রাকে চাকরিচ্যুত করে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ। ( ঘটনার এক বছর পরে সন্তানদের সাথে সিরিয় শরণার্থী ওসামা মোহসেন) এন ১ টিভি’র প্রধান সম্পাদক জাবোলকস কিসবার্ক সে সময় জানিয়েছিলেন, আমাদের এক সহকর্মী রোসজকি’র ত্রাণ সংগ্রহ পয়েন্টে শরণার্থীদের সাথে অগ্রহণযোগ্য আচরণ করেছেন। তিনি আরো বলেন, ওই নারী ফটোসাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। শুধু এই নয়, ২০১৫ সালে শরণার্থীদের প্রতি রূঢ় আচরণ করে হাঙ্গেরি সরকার। তারা দেশটির মধ্য দিয়ে শরণার্থীদের যাতায়াতেও বাধা দেয়। অবশেষে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া শরণার্থীদের নিতে রাজি হলে সড়কপথ ব্যবহার করতে দেয় হাঙ্গেরি প্রশাসন। https://youtu.be/wDwKDzUx2zk

Comments

Comments!

 শরণার্থীদের লাথি মারা সেই নারী সাংবাদিক বিচারের কাঠগড়ায়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শরণার্থীদের লাথি মারা সেই নারী সাংবাদিক বিচারের কাঠগড়ায়

Thursday, September 8, 2016 12:47 am
878

বুদাপেস্ট: ২০১৫ সালে হাঙ্গেরিতে সিরিয় শরণার্থীদের একটি দলের সংবাদ সংগ্রহের সময় এক বাবা ও শিশুকে লাথি মারার ঘটনায় এক নারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে সে দেশের একটি আদালত।

ঘটনার এক বছর পর বুধবার এন ১ টিভি’র ক্যামেরাপারসন পেত্রা লাসজলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এবং আদালতের প্রসিকিউটর এ ব্যাপারে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে।

এদিকে অভিযুক্ত ওই সাংবাদিক পরবর্তীতে আদালতের কাছে অনুশোচনা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর হাঙ্গেরি এবং সার্বিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় হুড়োহুড়িরত শরণার্থীদের লাথি মারেন ওই টিভি সাংবাদিক।

শিশুসহ ওই দুই শরণার্থীকে লাথি মারায় হাঙ্গেরিয়ান ওই নারী ফটোসাংবাদিক চরম সমালোচনার সম্মুখীন হন।

সার্বিয়া সীমান্ত সংলগ্ন রোসজকি গ্রামে শরণার্থীদের নিবন্ধন শিবিরের কাছে খবর কভার করতে যান সাংবাদিকরা। এর মধ্যে হাঙ্গেরির এন ১ টিভি’র ক্যামেরাপারসন পেত্রা লাসজলো ছিলেন।

পুলিশের নির্ধারিত লাইনে এক পর্যায়ে শরণার্থীরা হুড়োহুড়ি শুরু করে। এ সময় এক শিশুকে কোলে নিয়ে দৌড়ানোরত এক ব্যক্তিকে লাথি মেরে ফেলে দেন পেত্রা। কিছুক্ষণ পর দৌড়ানোরত অপর এক শিশুকে লাথি মারেন তিনি।

ঘটনাটি উপস্থিত অন্যান্য টেলিভিশন সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর পরই এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।

সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে পেত্রাকে চাকরিচ্যুত করে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ।

( ঘটনার এক বছর পরে সন্তানদের সাথে সিরিয় শরণার্থী ওসামা মোহসেন)

এন ১ টিভি’র প্রধান সম্পাদক জাবোলকস কিসবার্ক সে সময় জানিয়েছিলেন, আমাদের এক সহকর্মী রোসজকি’র ত্রাণ সংগ্রহ পয়েন্টে শরণার্থীদের সাথে অগ্রহণযোগ্য আচরণ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, ওই নারী ফটোসাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

শুধু এই নয়, ২০১৫ সালে শরণার্থীদের প্রতি রূঢ় আচরণ করে হাঙ্গেরি সরকার। তারা দেশটির মধ্য দিয়ে শরণার্থীদের যাতায়াতেও বাধা দেয়। অবশেষে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া শরণার্থীদের নিতে রাজি হলে সড়কপথ ব্যবহার করতে দেয় হাঙ্গেরি প্রশাসন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X