রবিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৭ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, February 13, 2017 1:08 pm
A- A A+ Print

শিশুকে কেন কিশমিশ খাওয়াবেন!

195221_115

কার্বোহাইড্রেট , পটাশিয়াম , ক্যালশিয়াম , ম্যাগনেশিয়াম , লোহা প্রভৃতি সমৃদ্ধ কিশমিশ সত্যিই দারুণ উপকারী৷ এটি কেবল আপনার জন্য নয়, আপনার শিশুর জন্যও ভালো। কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে৷ ফলে বাচ্চার কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা হয় না৷ ছোটবেলায়ও এই সমস্যা হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে কিশমিশ পানিতে ফুটিয়ে সেটাকে থেঁতো করে মিহি করে নিতে হয়৷ ফলে কিশমিশ নরম হয়ে যায় এবং তা বাচ্চারা সহজেই খেতে পারে৷ প্রচুর খনিজ থাকায় শিশুর পুষ্টি এবং বৃদ্ধির জন্য তার খাদ্যতালিকায় খনিজ রাখা জরুরি৷ সেক্ষেত্রে কিশমিশে পটাশিয়াম , ক্যালশিয়াম , ম্যাগনেশিয়াম , লোহা প্রচুর পরিমাণে থাকায় বাচ্চার বিকাশ ঘটার ক্ষেত্রে ভূমিকা নেয় এটি৷ তাই সন্তানের ডায়েটে অন্তত একবার কিশমিশ রাখার চেষ্টা করুন৷ জ্বরের ওষুধ হিসেবেও কিশমিশ বেশ কার্যকর। বাচ্চাদের জ্বরজারি লেগেই থাকে৷ সেক্ষেত্রে কথায় কথায় ঘাবড়ে গেলে চলবে না৷ বরং এককাজ করতে পারেন, বাচ্চাকে কিশমিশ খাওয়ান৷ জ্বরে এটি ওষুধ হিসাবে কাজ করে৷ ফলে এটি খাওয়ানো যেতেই পারে৷ অসুস্থ শিশু এটি খেয়ে ফের আগের মতো দুষ্টুমি শুরু করবে৷ তাই বলে ওষুধ বন্ধ করে শুধু কিশমিশ খাওয়াবেন না৷ শিশুর বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিকমত বাড়ছে কিনা সেই খবর রাখা জরুরি৷ কিশমিশে যেহেতু প্রচুর মাত্রায় লৌহ থাকে তাই তাকে কিশমিশ খাওয়ান৷ এতে দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়বে সহজেই৷ বাচ্চাদেরও অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়৷ তবে সে তো আর যখন তখন অ্যাসিডিটির জন্য ওষুধ খেতে পারে না৷ সেক্ষেত্রে ওকে কিশমিশ খাওয়ান৷ এতে দেহে অ্যাসিডের পরিমাণে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে৷ ফলে শিশুর অসুবিধা হবে না৷ কিশমিশ সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে উন্নত করে৷ ফলে কোনোরকম ব্রেন ইঞ্জুরি সারার ক্ষেত্রে ভূমিকা নেয় এটি৷ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশেও এর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে৷ বাচ্চাকে খাওয়ানো যে কতটা ঝক্কির কাজ সেটা আমরা বুঝি৷ তবে কিশমিশ যেহেতু খেতে মিষ্টি এবং সুস্বাদু তাই বাচ্চা এটি খেতে আপত্তি করবে না৷ তাছাড়া এর গুণাগুণ তো আর অজানা থাকলো না৷ তবে খেয়াল রাখবেন অতিরিক্ত কিশমিশ যেন বাচ্চা না খায়৷

Comments

Comments!

 শিশুকে কেন কিশমিশ খাওয়াবেন!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শিশুকে কেন কিশমিশ খাওয়াবেন!

Monday, February 13, 2017 1:08 pm
195221_115

কার্বোহাইড্রেট , পটাশিয়াম , ক্যালশিয়াম , ম্যাগনেশিয়াম , লোহা প্রভৃতি সমৃদ্ধ কিশমিশ সত্যিই দারুণ উপকারী৷ এটি কেবল আপনার জন্য নয়, আপনার শিশুর জন্যও ভালো।
কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে৷ ফলে বাচ্চার কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা হয় না৷ ছোটবেলায়ও এই সমস্যা হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে কিশমিশ পানিতে ফুটিয়ে সেটাকে থেঁতো করে মিহি করে নিতে হয়৷ ফলে কিশমিশ নরম হয়ে যায় এবং তা বাচ্চারা সহজেই খেতে পারে৷
প্রচুর খনিজ থাকায় শিশুর পুষ্টি এবং বৃদ্ধির জন্য তার খাদ্যতালিকায় খনিজ রাখা জরুরি৷ সেক্ষেত্রে কিশমিশে পটাশিয়াম , ক্যালশিয়াম , ম্যাগনেশিয়াম , লোহা প্রচুর পরিমাণে থাকায় বাচ্চার বিকাশ ঘটার ক্ষেত্রে ভূমিকা নেয় এটি৷ তাই সন্তানের ডায়েটে অন্তত একবার কিশমিশ রাখার চেষ্টা করুন৷
জ্বরের ওষুধ হিসেবেও কিশমিশ বেশ কার্যকর। বাচ্চাদের জ্বরজারি লেগেই থাকে৷ সেক্ষেত্রে কথায় কথায় ঘাবড়ে গেলে চলবে না৷ বরং এককাজ করতে পারেন, বাচ্চাকে কিশমিশ খাওয়ান৷ জ্বরে এটি ওষুধ হিসাবে কাজ করে৷ ফলে এটি খাওয়ানো যেতেই পারে৷ অসুস্থ শিশু এটি খেয়ে ফের আগের মতো দুষ্টুমি শুরু করবে৷ তাই বলে ওষুধ বন্ধ করে শুধু কিশমিশ খাওয়াবেন না৷
শিশুর বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিকমত বাড়ছে কিনা সেই খবর রাখা জরুরি৷ কিশমিশে যেহেতু প্রচুর মাত্রায় লৌহ থাকে তাই তাকে কিশমিশ খাওয়ান৷ এতে দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়বে সহজেই৷
বাচ্চাদেরও অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়৷ তবে সে তো আর যখন তখন অ্যাসিডিটির জন্য ওষুধ খেতে পারে না৷ সেক্ষেত্রে ওকে কিশমিশ খাওয়ান৷ এতে দেহে অ্যাসিডের পরিমাণে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে৷ ফলে শিশুর অসুবিধা হবে না৷
কিশমিশ সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে উন্নত করে৷ ফলে কোনোরকম ব্রেন ইঞ্জুরি সারার ক্ষেত্রে ভূমিকা নেয় এটি৷ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশেও এর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে৷
বাচ্চাকে খাওয়ানো যে কতটা ঝক্কির কাজ সেটা আমরা বুঝি৷ তবে কিশমিশ যেহেতু খেতে মিষ্টি এবং সুস্বাদু তাই বাচ্চা এটি খেতে আপত্তি করবে না৷ তাছাড়া এর গুণাগুণ তো আর অজানা থাকলো না৷ তবে খেয়াল রাখবেন অতিরিক্ত কিশমিশ যেন বাচ্চা না খায়৷

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X