বৃহস্পতিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৭ ইং, ৯ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, February 20, 2017 11:22 am
A- A A+ Print

শিশুর ক্ষুধা কমে যায় কেন

174629_156

শিশু ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে কিংবা জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করলে তাদের ক্ষুধা কমে যায়। শিশুর পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং ওজন নিয়ে মা-বাবার বেশি বেশি দুশ্চিন্তা তাদের ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। জন্মের প্রথম ছয় মাস শিশু যতটুকু খাবে, দ্বিতীয় ছয় মাসে স্বাভাবিকভাবেই তার পরিমাণ কমে যায়। প্রথম তিন মাস শিশুর সাপ্তাহিক ওজন বাড়ে গড়ে ২০০ গ্রামের মতো। চার থেকে ছয় মাসে তা দাঁড়ায় ১৫০ গ্রামে। সাত থেকে ৯ মাসে সাপ্তাহিক ওজন বাড়ে ৯৯ গ্রাম আর ১০ থেকে ১২ মাসে গড় ওজন বাড়ে সপ্তাহে ৭১ গ্রাম। ৯ থেকে ১৮ মাস বয়সের শিশুরা যখন নিজে নিজে খেতে চায়, তখন তারা খাওয়ার চেয়ে খাবার নিয়ে খেলতে থাকে বেশি। এতে করে মা হয়ে যান আরো চিন্তিত। তাকে খাওয়াতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তিনি। কেউ স্বল্পাহারী আবার কেউ বা একটু পেটুক। যে শিশু বেশি দৌড়ঝাঁপে সক্রিয়, অলস নিস্তেজ শিশুর তুলনায় সে কিছুটা বেশি খাবে। অল্প আহারী শিশুকে বেশি গেলানোর চেষ্টা বিফলে যায়। শিশুকে যখনই জোর করে খাওয়ানো হবে, না খাওয়ার ব্যাপারে শিশুর মনোভাব তখন তুঙ্গে যাবে। ৯ মাস থেকে তিন বছর বয়সে শিশুর মধ্যে এমনিতেই ‘না’ধর্মী মনোবৃত্তি থাকে, খাবার নিয়ে তখন তা চাড়া দিয়ে ওঠে। জোর করে খাওয়ানোর পরিবেশে শিশু অভ্যস্ত হতে থাকলে তার ধারণা জন্মাবে- খাওয়ায় কোনো আনন্দ নেই। ফলে সে সত্যি সত্যিই খাবার পছন্দ করবে না।

Comments

Comments!

 শিশুর ক্ষুধা কমে যায় কেনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শিশুর ক্ষুধা কমে যায় কেন

Monday, February 20, 2017 11:22 am
174629_156

শিশু ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে কিংবা জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করলে তাদের ক্ষুধা কমে যায়। শিশুর পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং ওজন নিয়ে মা-বাবার বেশি বেশি দুশ্চিন্তা তাদের ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। জন্মের প্রথম ছয় মাস শিশু যতটুকু খাবে, দ্বিতীয় ছয় মাসে স্বাভাবিকভাবেই তার পরিমাণ কমে যায়।

প্রথম তিন মাস শিশুর সাপ্তাহিক ওজন বাড়ে গড়ে ২০০ গ্রামের মতো। চার থেকে ছয় মাসে তা দাঁড়ায় ১৫০ গ্রামে। সাত থেকে ৯ মাসে সাপ্তাহিক ওজন বাড়ে ৯৯ গ্রাম আর ১০ থেকে ১২ মাসে গড় ওজন বাড়ে সপ্তাহে ৭১ গ্রাম। ৯ থেকে ১৮ মাস বয়সের শিশুরা যখন নিজে নিজে খেতে চায়, তখন তারা খাওয়ার চেয়ে খাবার নিয়ে খেলতে থাকে বেশি। এতে করে মা হয়ে যান আরো চিন্তিত। তাকে খাওয়াতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তিনি। কেউ স্বল্পাহারী আবার কেউ বা একটু পেটুক। যে শিশু বেশি দৌড়ঝাঁপে সক্রিয়, অলস নিস্তেজ শিশুর তুলনায় সে কিছুটা বেশি খাবে। অল্প আহারী শিশুকে বেশি গেলানোর চেষ্টা বিফলে যায়। শিশুকে যখনই জোর করে খাওয়ানো হবে, না খাওয়ার ব্যাপারে শিশুর মনোভাব তখন তুঙ্গে যাবে।
৯ মাস থেকে তিন বছর বয়সে শিশুর মধ্যে এমনিতেই ‘না’ধর্মী মনোবৃত্তি থাকে, খাবার নিয়ে তখন তা চাড়া দিয়ে ওঠে। জোর করে খাওয়ানোর পরিবেশে শিশু অভ্যস্ত হতে থাকলে তার ধারণা জন্মাবে- খাওয়ায় কোনো আনন্দ নেই। ফলে সে সত্যি সত্যিই খাবার পছন্দ করবে না।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X