শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 28, 2016 1:01 pm
A- A A+ Print

শুধু তামিম বদলাননি!

images

২০১৫ নাকি ২০১৬—কোন বছরটা বেশি ভালো কেটেছে আপনার? তামিম ইকবাল নিশ্চিত ধাঁধায় পড়ে যাবেন। প্রথমটিকে যদি বলেন ‘অসাধারণ’, দ্বিতীয়টিকে অবশ্যই বলতে হবে ‘দুর্দান্ত’! এখন কোন বছরটি তাঁর বেশি ভালো গেছে, বুঝে নিন। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজে টানা দুই সেঞ্চুরি, একই দলের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি, বিশ্বকাপটা বাদ দিলে গত বছরজুড়েই আশ্চর্য ধারাবাহিকতা। সেই ফর্মটা টেনে এনেছেন এই বছরেও। যদিও বছরের শুরুটা ছিল তাঁর সাদামাটা। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে খেলতে পারেননি জানুয়ারিতে খুলনায় জিম্বাবুয়ের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ। কিন্তু প্রথম তিন ম্যাচেও জ্বলেনি ব্যাট। ৩ ম্যাচে ৫৩ রান। মার্চে এশিয়া কাপে খেলবেন না—এমনটাই জানা গিয়েছিল। চোটে পড়ে মোস্তাফিজুর রহমান ছিটকে পড়লে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে আকস্মিক দলে ফেরেন তামিম। কিন্তু ফেরেনি তাঁর ছন্দ। ২ ম্যাচে করেন মাত্র ২০ রান। এমন সাদামাটা তামিমই হঠাৎ​ বদলে গেলেন বড় আসর পেয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই দেখা গেছে অন্য তামিমকে। টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে ৭৩ গড়ে ২৯৫ রান করে ছিলেন সবার ওপরে। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিটা করেছেন এই বিশ্বকাপেই। টুর্নামেন্ট বদলেছে, সংস্করণ বদলেছে, প্রতিপক্ষ বদলেছে, কিন্তু তামিম বদলাননি! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই দেখা গেছে অন্য তামিমকে। টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে ৭৩ গড়ে ২৯৫ রান করে ছিলেন সবার ওপরে। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিটা করেছেন এই বিশ্বকাপেই। টুর্নামেন্ট বদলেছে, সংস্করণ বদলেছে, প্রতিপক্ষ বদলেছে, কিন্তু তামিম বদলাননি! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর একটা লম্বা বিরতি, প্রায় ছয় মাস আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। সময়টা জাতীয় দলের খেলোয়াড়েরা কাজে লাগিয়েছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলে। এখানেও দুর্দান্ত তামিম। ১৬ ম্যাচে ৪৭.৬০ গড়ে ২ সেঞ্চুরি ও ৪ হাফ সেঞ্চুরিতে ৭১৪ রান করে ছিলেন দুইয়ে। ৫ রানের জন্য শীর্ষে থাকা হয়নি বাঁহাতি ওপেনারের। তবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আবাহনীকে এনে দিয়েছেন লিগ শিরোপা। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও কথা বলেছে তামিমের ব্যাট। ৩ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ১ ফিফটিতে ৭২.৬৬ গড়ে ২১৮ রান করে সিরিজের সেরা ব্যাটসম্যান। টেস্টে ইংল্যান্ড কেন তাঁর ‘প্রিয় প্রতিপক্ষ’, সেটি আবার বুঝিয়েছেন তামিম। অক্টোবরে ইংলিশদের সঙ্গে ২ টেস্টে ৫৭.৭৫ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ২৩১ রান করে ছিলেন শীর্ষে। এই বছরেও ধারাবাহিক ছিলেন তামিম ইকবাল। ছবি: প্রথম আলোকাল পর্যন্ত এই বছর টেস্ট ও ওয়ানডে দুটিতেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম। ৩৬৮ রান করে টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য দুইয়ে আছেন বাঁহাতি ওপেনার। তবে একে থাকা সাব্বির রহমানের চেয়ে তিনি ম্যাচ কম খেলেছেন পাঁচটি। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক পঞ্জিকাবর্ষে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরির কীর্তিটার জন্যও তামিমকে মনে রাখতে হবে ২০১৬ সালটি। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টেও তামিম সমান উজ্জ্বল। ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সুপার লিগেও ‘সুপার’ খেলেছেন। ৬ ম্যাচে ৬৬.৭৫ গড়ে ৩ ফিফটিতে করেছেন ২৬৭ রান করে ছিলেন শীর্ষ পাঁচে। সর্বশেষ বিপিএলেও রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন তামিম, ১৩ ম্যাচে ৪৩.২৭ গড়ে ৬ হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রান করে ছিলেন সবার ওপরে। তাঁর ব্যাটিং দ্যুতিতে টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল পর্যন্ত পার্শ্বচরিত্র হয়ে গেছেন! তথ্য-পরিসংখ্যান সবই বলা হলো। বছরটা যে তামিম, ‘সুপারম্যান তামিমে’র—বলতে নিশ্চয়ই অসুবিধা নেই!
২০১৬ সালে তামিম
* ২ টেস্টে ৫৭.৭৫ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ২৩১ রান। * ৭ ওয়ানডেতে ৪৭.৪২ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে রান ৩৩২। বছরে বাকি আছে আরও দুটি ওয়ানডে। * ১১ টি-টোয়েন্টি ৪০.৮৮ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৬৮ রান। * টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে ১০৩ রানে ছিলেন অপরাজিত, টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম তিন অঙ্ক ছোঁয়ার রেকর্ড। * এক পঞ্জিকাবর্ষে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হয়েছেন এ বছর। * বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০০০ রান ছুঁয়েছেন এ বছরে। * বিপিএলে ১৩ ম্যাচে ৪৩.২৭ গড়ে ৬ হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রান। বিপিএলে এক আসরে সবচেয়ে বেশি ফিফটির রেকর্ড।

Comments

Comments!

 শুধু তামিম বদলাননি!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শুধু তামিম বদলাননি!

Wednesday, December 28, 2016 1:01 pm
images

২০১৫ নাকি ২০১৬—কোন বছরটা বেশি ভালো কেটেছে আপনার? তামিম ইকবাল নিশ্চিত ধাঁধায় পড়ে যাবেন। প্রথমটিকে যদি বলেন ‘অসাধারণ’, দ্বিতীয়টিকে অবশ্যই বলতে হবে ‘দুর্দান্ত’! এখন কোন বছরটি তাঁর বেশি ভালো গেছে, বুঝে নিন।

২০১৫ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজে টানা দুই সেঞ্চুরি, একই দলের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি, বিশ্বকাপটা বাদ দিলে গত বছরজুড়েই আশ্চর্য ধারাবাহিকতা। সেই ফর্মটা টেনে এনেছেন এই বছরেও। যদিও বছরের শুরুটা ছিল তাঁর সাদামাটা। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে খেলতে পারেননি জানুয়ারিতে খুলনায় জিম্বাবুয়ের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ। কিন্তু প্রথম তিন ম্যাচেও জ্বলেনি ব্যাট। ৩ ম্যাচে ৫৩ রান।

মার্চে এশিয়া কাপে খেলবেন না—এমনটাই জানা গিয়েছিল। চোটে পড়ে মোস্তাফিজুর রহমান ছিটকে পড়লে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে আকস্মিক দলে ফেরেন তামিম। কিন্তু ফেরেনি তাঁর ছন্দ। ২ ম্যাচে করেন মাত্র ২০ রান। এমন সাদামাটা তামিমই হঠাৎ​ বদলে গেলেন বড় আসর পেয়ে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই দেখা গেছে অন্য তামিমকে। টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে ৭৩ গড়ে ২৯৫ রান করে ছিলেন সবার ওপরে। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিটা করেছেন এই বিশ্বকাপেই। টুর্নামেন্ট বদলেছে, সংস্করণ বদলেছে, প্রতিপক্ষ বদলেছে, কিন্তু তামিম বদলাননি!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই দেখা গেছে অন্য তামিমকে। টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে ৭৩ গড়ে ২৯৫ রান করে ছিলেন সবার ওপরে। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিটা করেছেন এই বিশ্বকাপেই। টুর্নামেন্ট বদলেছে, সংস্করণ বদলেছে, প্রতিপক্ষ বদলেছে, কিন্তু তামিম বদলাননি!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর একটা লম্বা বিরতি, প্রায় ছয় মাস আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। সময়টা জাতীয় দলের খেলোয়াড়েরা কাজে লাগিয়েছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলে। এখানেও দুর্দান্ত তামিম। ১৬ ম্যাচে ৪৭.৬০ গড়ে ২ সেঞ্চুরি ও ৪ হাফ সেঞ্চুরিতে ৭১৪ রান করে ছিলেন দুইয়ে। ৫ রানের জন্য শীর্ষে থাকা হয়নি বাঁহাতি ওপেনারের। তবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আবাহনীকে এনে দিয়েছেন লিগ শিরোপা।
সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও কথা বলেছে তামিমের ব্যাট। ৩ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ১ ফিফটিতে ৭২.৬৬ গড়ে ২১৮ রান করে সিরিজের সেরা ব্যাটসম্যান। টেস্টে ইংল্যান্ড কেন তাঁর ‘প্রিয় প্রতিপক্ষ’, সেটি আবার বুঝিয়েছেন তামিম। অক্টোবরে ইংলিশদের সঙ্গে ২ টেস্টে ৫৭.৭৫ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ২৩১ রান করে ছিলেন শীর্ষে।
এই বছরেও ধারাবাহিক ছিলেন তামিম ইকবাল। ছবি: প্রথম আলোকাল পর্যন্ত এই বছর টেস্ট ও ওয়ানডে দুটিতেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম। ৩৬৮ রান করে টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য দুইয়ে আছেন বাঁহাতি ওপেনার। তবে একে থাকা সাব্বির রহমানের চেয়ে তিনি ম্যাচ কম খেলেছেন পাঁচটি। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক পঞ্জিকাবর্ষে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরির কীর্তিটার জন্যও তামিমকে মনে রাখতে হবে ২০১৬ সালটি।
ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টেও তামিম সমান উজ্জ্বল। ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সুপার লিগেও ‘সুপার’ খেলেছেন। ৬ ম্যাচে ৬৬.৭৫ গড়ে ৩ ফিফটিতে করেছেন ২৬৭ রান করে ছিলেন শীর্ষ পাঁচে। সর্বশেষ বিপিএলেও রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন তামিম, ১৩ ম্যাচে ৪৩.২৭ গড়ে ৬ হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রান করে ছিলেন সবার ওপরে। তাঁর ব্যাটিং দ্যুতিতে টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল পর্যন্ত পার্শ্বচরিত্র হয়ে গেছেন!
তথ্য-পরিসংখ্যান সবই বলা হলো। বছরটা যে তামিম, ‘সুপারম্যান তামিমে’র—বলতে নিশ্চয়ই অসুবিধা নেই!

২০১৬ সালে তামিম

* ২ টেস্টে ৫৭.৭৫ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ২৩১ রান।
* ৭ ওয়ানডেতে ৪৭.৪২ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে রান ৩৩২। বছরে বাকি আছে আরও দুটি ওয়ানডে।
* ১১ টি-টোয়েন্টি ৪০.৮৮ গড়ে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৬৮ রান।
* টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে ১০৩ রানে ছিলেন অপরাজিত, টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম তিন অঙ্ক ছোঁয়ার রেকর্ড।
* এক পঞ্জিকাবর্ষে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হয়েছেন এ বছর।
* বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০০০ রান ছুঁয়েছেন এ বছরে।
* বিপিএলে ১৩ ম্যাচে ৪৩.২৭ গড়ে ৬ হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রান। বিপিএলে এক আসরে সবচেয়ে বেশি ফিফটির রেকর্ড।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X