শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 8, 2017 10:15 am
A- A A+ Print

‘শুধু রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা, খাবার ও ব্যবস্থাপনায় তীব্র সঙ্কট’

5

ঢাকা: মায়ানমার থেকে পালানো রোহিঙ্গাদের ঢল অব্যাহত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো ধারণা করছে, শরণার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এদের আশ্রয় বা খাবার জোগাড়ে প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে। এই রোহিঙ্গাদের বড় অংশই রাস্তার ধারে বা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের সরকার নতুন আসা এই রোহিঙ্গাদের তালিকা নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে তারা দেশের অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে। রোহিঙ্গাদের এই স্রোত কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সীমান্ত পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গাদের আসার ধারা পর্যালোচনা করে জাতিসংঘ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং রেড ক্রসসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আশংকা প্রকাশ করেছে যে, এই দফায় শরণার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। খবর বিবিসির। ঢাকায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মুখপাত্র দিপায়ন ভট্টচার্য বলেছেন, ‘আপনি যদি গত বছর মায়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে ঢোকার প্রবণতা দেখেন, তাহলে লক্ষ্য করবেন, তখন অক্টোবর এবং নভেম্বর মিলিয়ে দুই মাসে ৭৫ হাজার বাংলাদেশে এসেছিল। এবার দশ থেকে এগার দিনের মধ্যেই এক লাখ ষাট হাজার বাংলাদেশে এসেছে। এবং আরো ৫০ হাজারের মতো সীমান্তের অপর পাড়ে অপেক্ষা করছে। সেজন্য আমাদের বড় একটি সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় তিন লাখ যে সংখ্যাটি বলা হচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত।’ হাজার হাজার রোহিঙ্গার আশ্রয় এবং খাদ্য সাহায্যের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। কুতুপালং এবং নোয়াপাড়ায় শরণার্থী শিবিরগুলোতে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের একটা অংশকে নেয়া হয়েছে। কিন্তু মানুষের গাদাগাদি অবস্থায় শিবিরগুলোতেও আর জায়গা নেই। কুতুপালং শরণার্থী শিবির এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল আফসার চৌধুরী বলছিলেন, কুতুপালং এবং বালুখালী শিবিরের বাইরে খোলা জায়গা রাস্তাঘাট সবজায়গায় শুধু মানুষ আর মানুষ। তাদের একটা নিয়ম বা পদ্ধতির মাধ্যমে খাদ্য বা মানবিক সাহায্য দেয়ার ব্যবস্থা এখনও হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। ‘পথে-ঘাটে, স্কুল মাদ্রাসা বা পরিত্যক্ত জায়গায় রোহিঙ্গারা যে যেভাবে পারে আশ্রয় নিয়েছে। এমন অবস্থা হয়েছে যে, রাস্তা-ঘাটসহ সর্বত্র শুধু রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা। তাদের খাবারের বেশ কষ্ট হচ্ছে। নিয়মিত খাবার কেউ দিচ্ছে না। স্থানীয় লোকজন অনেক সময় খাবার এনে দিলে তারা সেটা খাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের অনেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ি ঘরে ঘিয়ে খাবার চেয়ে নিচ্ছে।’ সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, এবার আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা তাদের সব ধারণাকে ছাড়িয়ে গেছে। ফলে আশ্রয় বা খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ঘাটতি হয়েছে বলে কর্মকর্তারা স্বীকার করেন তাদের এক জায়গায় নেয়ার কথাও সরকার বলছে। কিন্তু সেই জায়গা নির্বাচনের প্রক্রিয়াই এখনও শেষ হয়নি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: শাহ কামাল বলেছেন, কুতুপালং এবং বালুখালি শিবিরের পাশে দুটি জায়গা জরিপ করা হয়েছে। দু'একদিনের মধ্যে তারা জায়গটি চূড়ান্ত করবেন। রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রামে বা লোকালয়েও আশ্রয় নিচ্ছেন। এবং তাতে নিরাপত্তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের তালিকা তৈরির কথা বলা হয়েছে। তবে সেই কাজ এখনও শুরু করা যায়নি। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা এসেছে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে তালিকা করা বা অন্য বিষয়গুলোতে ঘাটতি হয়েছে। তবে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেন বলেছেন, ‘বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আগামী সপ্তাহে এই নিবন্ধনের কাজ শুরুর চেষ্টা আমরা করছি।’ এদিকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনি এরদোগান এবং দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন। তারা সেখানে মায়ানমার থেকে এবার আসা রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলেছেন এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বিকেলে তারা ঢাকায় এসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব বিবিসিকে জানিয়েছেন,তুরস্ক রোহিঙ্গা ইস্যুকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে তুলে ধরবে। এছাড়া এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ কোনো পদক্ষেপ নিলে, তুরস্ক তাতে সমর্থন দেবে- তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমন আশ্বাস দিয়েছেন।

Comments

Comments!

 ‘শুধু রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা, খাবার ও ব্যবস্থাপনায় তীব্র সঙ্কট’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘শুধু রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা, খাবার ও ব্যবস্থাপনায় তীব্র সঙ্কট’

Friday, September 8, 2017 10:15 am
5

ঢাকা: মায়ানমার থেকে পালানো রোহিঙ্গাদের ঢল অব্যাহত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো ধারণা করছে, শরণার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এদের আশ্রয় বা খাবার জোগাড়ে প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে।

এই রোহিঙ্গাদের বড় অংশই রাস্তার ধারে বা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের সরকার নতুন আসা এই রোহিঙ্গাদের তালিকা নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে তারা দেশের অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে।

রোহিঙ্গাদের এই স্রোত কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সীমান্ত পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গাদের আসার ধারা পর্যালোচনা করে জাতিসংঘ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং রেড ক্রসসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আশংকা প্রকাশ করেছে যে, এই দফায় শরণার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। খবর বিবিসির।

ঢাকায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মুখপাত্র দিপায়ন ভট্টচার্য বলেছেন, ‘আপনি যদি গত বছর মায়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে ঢোকার প্রবণতা দেখেন, তাহলে লক্ষ্য করবেন, তখন অক্টোবর এবং নভেম্বর মিলিয়ে দুই মাসে ৭৫ হাজার বাংলাদেশে এসেছিল। এবার দশ থেকে এগার দিনের মধ্যেই এক লাখ ষাট হাজার বাংলাদেশে এসেছে। এবং আরো ৫০ হাজারের মতো সীমান্তের অপর পাড়ে অপেক্ষা করছে। সেজন্য আমাদের বড় একটি সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় তিন লাখ যে সংখ্যাটি বলা হচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত।’

হাজার হাজার রোহিঙ্গার আশ্রয় এবং খাদ্য সাহায্যের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

কুতুপালং এবং নোয়াপাড়ায় শরণার্থী শিবিরগুলোতে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের একটা অংশকে নেয়া হয়েছে। কিন্তু মানুষের গাদাগাদি অবস্থায় শিবিরগুলোতেও আর জায়গা নেই।

কুতুপালং শরণার্থী শিবির এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল আফসার চৌধুরী বলছিলেন, কুতুপালং এবং বালুখালী শিবিরের বাইরে খোলা জায়গা রাস্তাঘাট সবজায়গায় শুধু মানুষ আর মানুষ। তাদের একটা নিয়ম বা পদ্ধতির মাধ্যমে খাদ্য বা মানবিক সাহায্য দেয়ার ব্যবস্থা এখনও হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

‘পথে-ঘাটে, স্কুল মাদ্রাসা বা পরিত্যক্ত জায়গায় রোহিঙ্গারা যে যেভাবে পারে আশ্রয় নিয়েছে। এমন অবস্থা হয়েছে যে, রাস্তা-ঘাটসহ সর্বত্র শুধু রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা। তাদের খাবারের বেশ কষ্ট হচ্ছে। নিয়মিত খাবার কেউ দিচ্ছে না। স্থানীয় লোকজন অনেক সময় খাবার এনে দিলে তারা সেটা খাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের অনেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ি ঘরে ঘিয়ে খাবার চেয়ে নিচ্ছে।’

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, এবার আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা তাদের সব ধারণাকে ছাড়িয়ে গেছে। ফলে আশ্রয় বা খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থাপনায় কিছুটা ঘাটতি হয়েছে বলে কর্মকর্তারা স্বীকার করেন তাদের এক জায়গায় নেয়ার কথাও সরকার বলছে।

কিন্তু সেই জায়গা নির্বাচনের প্রক্রিয়াই এখনও শেষ হয়নি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: শাহ কামাল বলেছেন, কুতুপালং এবং বালুখালি শিবিরের পাশে দুটি জায়গা জরিপ করা হয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে তারা জায়গটি চূড়ান্ত করবেন।

রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রামে বা লোকালয়েও আশ্রয় নিচ্ছেন। এবং তাতে নিরাপত্তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের তালিকা তৈরির কথা বলা হয়েছে। তবে সেই কাজ এখনও শুরু করা যায়নি। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা এসেছে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে তালিকা করা বা অন্য বিষয়গুলোতে ঘাটতি হয়েছে।

তবে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেন বলেছেন, ‘বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আগামী সপ্তাহে এই নিবন্ধনের কাজ শুরুর চেষ্টা আমরা করছি।’

এদিকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনি এরদোগান এবং দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন।

তারা সেখানে মায়ানমার থেকে এবার আসা রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলেছেন এবং ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

বিকেলে তারা ঢাকায় এসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব বিবিসিকে জানিয়েছেন,তুরস্ক রোহিঙ্গা ইস্যুকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে তুলে ধরবে।

এছাড়া এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ কোনো পদক্ষেপ নিলে, তুরস্ক তাতে সমর্থন দেবে- তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমন আশ্বাস দিয়েছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X