বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:১৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 30, 2017 9:52 pm
A- A A+ Print

শুরুতেই দুই ওপেনারকে ফেরানোর স্বস্তি

10

প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশের লেগেছিল ৫৪.২ ওভার। তাও আবার রান আউটের সৌজন্যে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভারের মধ্যেই প্রোটিয়াদের দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফলোঅন এড়ানোর পর তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের আরেকটি বড় স্বস্তি এটিই। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার লিড এরই মধ্যে দুইশ ছাড়িয়েছে। শনিবার তৃতীয় দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫৪ রান। হাশিম আমলা ১৭ ও টেম্বা বাভুমা ৩ রানে অপরাজিত আছেন। ৮ উইকেট হাতে রেখে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে আছে ২৩০ রানে। তৃতীয় দিনের খেলা শেষ স্থানীয় সময় ৪টা ৪৫ মিনিটে আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। দুই দলের খেলোয়াড়রা ফিরে যান ড্রেসিং রুমে। আর ফিরতে হয়নি তাদের। ১০ মিনিট পরই তৃতীয় দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ১৬.১ ওভার বাকি থাকতেই শেষ হয়েছে তৃতীয় দিনের খেলা। আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ ফ্লাড লাইট জ্বলে উঠেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুর দিকেই। স্থানীয় সময় ৪টা ৪৫ মিনিটে আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। দুই দলের খেলোয়াড়রা ফিরে গেছেন ড্রেসিং রুমে। দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ২ উইকেটে ৫৪। লিড ২৩০ রানের। মুস্তাফিজের কাটারে কাটা পড়লেন মার্করাম অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে মুস্তাফিজের ১২৪ কিলোমিটার গতির কাটার। সেই কাটারে কাটা পড়লেন এউডেন মার্করাম। শট খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়েছেন প্রোটিয়া ওপেনার (১৫)। যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে, বল ব্যাটে লাগেনি, ব্যাট লেগেছে মাটিতে। সেটি থেকেই হয়েছে শব্দ। তবে মার্করাম নিজেও বুঝতে পারেননি, নেননি রিভিউ। তার বিদায়ের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮। লিড ২১৪ রানের। প্রথম আঘাত শফিউলের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশের বোলারদের লেগেছিল ৫৪.২ ওভার। তাও সেটি রান আউটের সৌজন্যে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন শফিউল ইসলাম। অষ্টম ওভারে ডানহাতি পেসারের লেংথ বল লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেছেন ডিন এলগার। বাংলাদেশের ফিল্ডারদের এলবিডব্লিউর আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি এলগার। প্রথম ইনিংসে ১৯৯ রান করা এলগার এবার করেছেন ১৮। দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ১ উইকেটে ৩০। ৩২০ রানে শেষ বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকার লিড ১৭৬  শফিউল ইসলামকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টেনেছেন কেশব মহারাজ। ২৮ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩২০ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান এটিই। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে ২৫২ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ। ১৭৬ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩২০ (মুমিনুল ৭৭, মাহমুদউল্লাহ ৬৬, মুশফিক ৪৪, তামিম ৩৯, সাব্বির ৩০; মহারাজ ৩/৯২, মরকেল ২/৫১, রাবাদা ২/৮৪) দক্ষিণ আফ্রিকা ১ম ইনিংস: ৪৯৬/৩ ডিক্লে. চা বিরতির পরই ফিরলেন মিরাজ চা বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয় বলেই আউট হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রাবাদার বলে ডিন এলগারকে ক্যাচ দিয়ে ফেরা মিরাজ করেছেন ৮। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৯ উইকেটে ৩০৮। ২৫ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমানের ফিফটি রানের জুটিটা ভালোই জমে উঠেছিল। কিন্তু এ জুটির ভাঙার পর বাংলাদেশেরও বিপদ বেড়েছে। চা বিরতির আগে ২৫ বলের মধ্যে এই দুজনের সঙ্গে ফিরে গেছেন তাসকিন আহমেদও। চা বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩০৮ রান। মেহেদী হাসান মিরাজ ৮ ও শফিউল ইসলাম শূন্য রানে অপরাজিত আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে এখনো ১৮৮ রানে পিছিয়ে আছে সফরকারীরা। তাসকিন রান আউট রাবাদার অফ স্টাম্পের বল ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে পাঠিয়ে সিঙ্গেল নিতে ছুটেছিলেন তাসকিন আহমেদ। তবে দারুণ ফিল্ডিংয়ে বল ধরে স্ট্রাইকিং প্রান্তে থ্রো করেন টেম্বা বাভুমা। মার্করাম স্টাম্প ভেঙে দেওয়ার আগে আর ক্রিজে ফিরতে পারেননি তাসকিন। তাসকিন ১ রান করে ফেরার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩০৫। নতুন বলে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ দ্বিতীয় নতুন বলে প্রথম ওভারেই আউট হয়ে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ। মরনে মরকেলের বলে বোল্ড হয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ১২৪ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় মাহমুদউল্লাহ করেছেন ৬৬। বাংলাদেশের রান তখন ৭ উইকেটে ৩০৪। ফলোঅন এড়িয়ে তিনশ কেশব মহারাজের বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ। এই ছক্কায় বাংলাদেশ ফলোঅন এড়াল। সেই সঙ্গে স্পর্শ করল দলীয় তিনশ। তখন মাহমুদউল্লাহ ৬৫ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২ রানে অপরাজিত। দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে এখনো ১৯৬ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। পারলেন না সাব্বির থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেন না সাব্বির রহমান। ৮০ ওভার শেষে দ্বিতীয় নতুন বল না নিয়ে ডুয়ান অলিভিয়েরের হাতে পুরোনো বলই তুলে দেন ফাফ ডু প্লেসি। ডানহাতি পেসারের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান সাব্বির। ৪৬ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৩০ রান করেছেন সাব্বির। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৬ উইকেটে ২৯২। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আরেকটি জুটির পঞ্চাশ ​ ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমানের জুটি পঞ্চাশ ছুঁয়েছে। ৭৮তম ওভারে এইডেন মার্করামের বলে চার হাঁকিয়ে জুটির পঞ্চাশ পূর্ণ করেন সাব্বির। বাংলাদেশের রান তখন ৫ উইকেটে ২৭৫। মাহমুদউল্লাহ ৫৬ ও সাব্বির ১৮ রানে অপরাজিত। তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ- এই চার উইকেট জুটিতেই পঞ্চাশ পার হলো। সেঞ্চুরিতে পৌঁছেনি আগের একটিও। মাহমুদউল্লাহর ফিফটি রাবাদার ফুলটস বল গ্লানস করে ফাইন লেগ দিয়ে চার হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ। এই চারে পূর্ণ হলো তার ফিফটি। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে মাহমুদউল্লাহর প্রথম ফিফটি। আর ক্যারিয়ারের ১৪তম ফিফটি। পরের বলেও চার হাঁকিয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে নিজেদের আগের সর্বোচ্চ ইনিংস ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। পচেফস্ট্রুম টেস্টে ৭৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫৩ রান। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে ২৫২ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ৩২৬, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামে। হলো না মুমিনুলের সেঞ্চুরি লাঞ্চের আগেই ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে পারলেন না মুমিনুল হক। ফিরলেন লাঞ্চের পর দ্বিতীয় ওভারেই। স্পিনার কেশব মহারাজের লেংথ বলে পেছনের পায়ে খেলেছিলেন মুমিনুল। কিন্তু বল গিয়ে জমল ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়ানো এইডেন মার্করামের হাতে। ১৫০ বলে ১২ চারে ৭৭ করেছেন মুমিনুল। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ইনিংস এটিই। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে আল শাহরিয়ারের ৭১ ছিল আগের সর্বোচ্চ। মুমিনুল-মাহমুদউল্লাহর পঞ্চম উইকেট জুটিতে এসেছে ৬৯ রান। মুমিনুলের বিদায়ের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ  ৫ উইকেটে ২২৭। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাব্বির রহমান। তামিমের উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশন পার তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৯১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। বিনিময়ে হারিয়েছে তামিম ইকবালের উইকেট। ফিফটি তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রেখেছেন মুমিনুল হক। লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২১৮ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ৭২ রানে অপরাজিত আছেন মুমিনুল। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত ২৬ রানে। পঞ্চম উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৬০ রানের। শাহরিয়ারকে ছাড়িয়ে মুমিনুল অফ স্টাম্পের বাইরে কাগিসো রাবাদার ১৪০ কিলোমিটার গতির বল। স্লাইস করে দিলেন মুমিনুল হক। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে বল চলে গেল সীমানার বাইরে, চার। ওই চারে মুমিনুলের রান হয়েছে ৭২। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস এটি। মুমিনুল ছাড়িয়ে গেছেন আল শাহরিয়ারকে। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে শাহরিয়ার করেছিলেন ৭১। মুমিনুল-মাহমুদউল্লাহ জুটির ফিফটি  কাগিসো রাবাদার গুড লেংথ বল স্কয়ার লেগে পাঠিয়ে সিঙ্গেল নিলেন মাহমুদউল্লাহ। তাতে পূর্ণ হলো মুমিনুল হকের সঙ্গে তার পঞ্চম উইকেট জুটির ফিফটি। জুটির পঞ্চাশ ছুঁতে লেগেছে মাত্র ৬৪ বল। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ২০৮। মুমিনুল ৬২ ও মাহমুদউল্লাহ ২৬ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের দুইশ ইনিংসের ৫৪তম ওভারে কেশব মহারাজের পঞ্চম বলটা ডিপ স্কয়ার লেগে ঠেলে সিঙ্গেল নিলেন মুমিনুল হক। বাংলাদেশের রান স্পর্শ করল দুইশ। ৫৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২০১। উইকেট নেই ৪টি। মুমিনুল ৬২ ও মাহমুদউল্লাহ ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। মুমিনুলের দারুণ ফিফটি প্রস্তুতি ম্যাচেই দিয়েছিলেন ভালো কিছুর ইঙ্গিত। প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ৩৩। সেই পারফরম্যান্সটা প্রথম টেস্টেও টেনে আনলেন মুমিনুল হক। দলের বিপদের সময়ে তুলে নিলেন দারুণ এক ফিফটি। ৪৮ থেকে স্পিনার কেশব মহারাজকে মিড অন দিয়ে চার হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। পরের বলেও হাঁকিয়েছেন আরেকটি চার। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ১৮৫। মুমিনুল ৫৬ ও মাহমুদউল্লাহ ৯ রানে অপরাজিত। তামিমের বিদায়ে ভাঙল জুটি তৃতীয় দিনে প্রথমবার আক্রমণে এসেই তামিম-মুমিনুলের জুটি ভেঙেছেন আন্দিলে ফিকোয়াও। তার বলে কুইন্টন ডি ককের দারুণ ক্যাচে বিদায় নিয়েছেন তামিম ইকবাল (৩৯)। তাতে ভেঙেছে ৫৫ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ১৫৮। মুমিনুল হকের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে যোগ দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। আম্পায়ার্স কলে হারাল না রিভিউ  ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমে (ডিআরএস) পরিবর্তন এনেছে আইসিসি। নতুন নিয়মে এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তে ‘আম্পায়ার্স কল’ হলে সিদ্ধান্ত পক্ষে না পাওয়া দলকে রিভিউ হারাতে হবে না। এই নিয়মের প্রথম সুবিধা পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। কাগিসো রাবাদার বলে তামিম ইকবালের বিপক্ষে এলবিডব্লিউর আবেদন করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। দক্ষিণ আফ্রিকা নেয় রিভিউ। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বল লেগ স্টাম্পে ছিল। আম্পায়ার্স কল হওয়ায় বেঁচে যান তামিম। সিদ্ধান্ত পক্ষে না পেলেও নতুন নিয়মে অক্ষত থেকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি রিভিউ। আগে ৮০ ওভারের জায়গায় এখন প্রতি ইনিংসেই দুটি করে রিভিউ। তামিম-মুমিনুলের সামনে কঠিন পরীক্ষা পচেফস্ট্রুম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ উইকেটে ৪৯৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে। জবাবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ১২৭ রানে। এখনো ৩৬৯ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ফলোঅন এড়াতেই প্রয়োজন ১৭০। মুমিনুল হক ২৮ রানে অপরাজিত আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শেষ ৪৯ মিনিট ফিল্ডিংয়ে না থাকায় ব্যাটিংয়ে ওপেন করতে পারেননি তামিম ইকবাল। পাঁচে নেমে মুমিনুলের সঙ্গে ২২ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। আজ তৃতীয় দিনে দুজনের সামনে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১২৭/৩ (মুমিনুল ২৮, তামিম ২২, মুশফিক ৪৪, লিটন ২৫, ইমরুল ৭) দক্ষিণ আফ্রিকা ১ম ইনিংস: ৪৯৬/৩ ডিক্লে. (এলগার ১৯৯, আমলা ১৩৭, মার্করাম ৯৭, বাভুমা ৩১*, ডু প্লেসি ২৬*; শফিউল ১/৭৪, মুস্তাফিজ ১/৯৮।

Comments

Comments!

 শুরুতেই দুই ওপেনারকে ফেরানোর স্বস্তিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শুরুতেই দুই ওপেনারকে ফেরানোর স্বস্তি

Saturday, September 30, 2017 9:52 pm
10

প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশের লেগেছিল ৫৪.২ ওভার। তাও আবার রান আউটের সৌজন্যে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভারের মধ্যেই প্রোটিয়াদের দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফলোঅন এড়ানোর পর তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের আরেকটি বড় স্বস্তি এটিই।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার লিড এরই মধ্যে দুইশ ছাড়িয়েছে। শনিবার তৃতীয় দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫৪ রান। হাশিম আমলা ১৭ ও টেম্বা বাভুমা ৩ রানে অপরাজিত আছেন। ৮ উইকেট হাতে রেখে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে আছে ২৩০ রানে।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষ
স্থানীয় সময় ৪টা ৪৫ মিনিটে আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। দুই দলের খেলোয়াড়রা ফিরে যান ড্রেসিং রুমে। আর ফিরতে হয়নি তাদের। ১০ মিনিট পরই তৃতীয় দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ১৬.১ ওভার বাকি থাকতেই শেষ হয়েছে তৃতীয় দিনের খেলা।

আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ
ফ্লাড লাইট জ্বলে উঠেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুর দিকেই। স্থানীয় সময় ৪টা ৪৫ মিনিটে আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। দুই দলের খেলোয়াড়রা ফিরে গেছেন ড্রেসিং রুমে। দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ২ উইকেটে ৫৪। লিড ২৩০ রানের।

মুস্তাফিজের কাটারে কাটা পড়লেন মার্করাম
অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে মুস্তাফিজের ১২৪ কিলোমিটার গতির কাটার। সেই কাটারে কাটা পড়লেন এউডেন মার্করাম। শট খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়েছেন প্রোটিয়া ওপেনার (১৫)। যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে, বল ব্যাটে লাগেনি, ব্যাট লেগেছে মাটিতে। সেটি থেকেই হয়েছে শব্দ। তবে মার্করাম নিজেও বুঝতে পারেননি, নেননি রিভিউ। তার বিদায়ের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৮। লিড ২১৪ রানের।

প্রথম আঘাত শফিউলের
প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশের বোলারদের লেগেছিল ৫৪.২ ওভার। তাও সেটি রান আউটের সৌজন্যে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন শফিউল ইসলাম। অষ্টম ওভারে ডানহাতি পেসারের লেংথ বল লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেছেন ডিন এলগার। বাংলাদেশের ফিল্ডারদের এলবিডব্লিউর আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি এলগার। প্রথম ইনিংসে ১৯৯ রান করা এলগার এবার করেছেন ১৮। দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ১ উইকেটে ৩০।

৩২০ রানে শেষ বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকার লিড ১৭৬ 
শফিউল ইসলামকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টেনেছেন কেশব মহারাজ। ২৮ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩২০ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান এটিই। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে ২৫২ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ। ১৭৬ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩২০ (মুমিনুল ৭৭, মাহমুদউল্লাহ ৬৬, মুশফিক ৪৪, তামিম ৩৯, সাব্বির ৩০; মহারাজ ৩/৯২, মরকেল ২/৫১, রাবাদা ২/৮৪)
দক্ষিণ আফ্রিকা ১ম ইনিংস: ৪৯৬/৩ ডিক্লে.

চা বিরতির পরই ফিরলেন মিরাজ
চা বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয় বলেই আউট হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রাবাদার বলে ডিন এলগারকে ক্যাচ দিয়ে ফেরা মিরাজ করেছেন ৮। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৯ উইকেটে ৩০৮।

২৫ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ
ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমানের ফিফটি রানের জুটিটা ভালোই জমে উঠেছিল। কিন্তু এ জুটির ভাঙার পর বাংলাদেশেরও বিপদ বেড়েছে। চা বিরতির আগে ২৫ বলের মধ্যে এই দুজনের সঙ্গে ফিরে গেছেন তাসকিন আহমেদও। চা বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩০৮ রান। মেহেদী হাসান মিরাজ ৮ ও শফিউল ইসলাম শূন্য রানে অপরাজিত আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে এখনো ১৮৮ রানে পিছিয়ে আছে সফরকারীরা।

তাসকিন রান আউট
রাবাদার অফ স্টাম্পের বল ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে পাঠিয়ে সিঙ্গেল নিতে ছুটেছিলেন তাসকিন আহমেদ। তবে দারুণ ফিল্ডিংয়ে বল ধরে স্ট্রাইকিং প্রান্তে থ্রো করেন টেম্বা বাভুমা। মার্করাম স্টাম্প ভেঙে দেওয়ার আগে আর ক্রিজে ফিরতে পারেননি তাসকিন। তাসকিন ১ রান করে ফেরার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩০৫।

নতুন বলে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ
দ্বিতীয় নতুন বলে প্রথম ওভারেই আউট হয়ে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ। মরনে মরকেলের বলে বোল্ড হয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ১২৪ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় মাহমুদউল্লাহ করেছেন ৬৬। বাংলাদেশের রান তখন ৭ উইকেটে ৩০৪।

ফলোঅন এড়িয়ে তিনশ
কেশব মহারাজের বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ। এই ছক্কায় বাংলাদেশ ফলোঅন এড়াল। সেই সঙ্গে স্পর্শ করল দলীয় তিনশ। তখন মাহমুদউল্লাহ ৬৫ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২ রানে অপরাজিত। দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে এখনো ১৯৬ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

পারলেন না সাব্বির
থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেন না সাব্বির রহমান। ৮০ ওভার শেষে দ্বিতীয় নতুন বল না নিয়ে ডুয়ান অলিভিয়েরের হাতে পুরোনো বলই তুলে দেন ফাফ ডু প্লেসি। ডানহাতি পেসারের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান সাব্বির। ৪৬ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৩০ রান করেছেন সাব্বির। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৬ উইকেটে ২৯২। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

আরেকটি জুটির পঞ্চাশ ​
ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমানের জুটি পঞ্চাশ ছুঁয়েছে। ৭৮তম ওভারে এইডেন মার্করামের বলে চার হাঁকিয়ে জুটির পঞ্চাশ পূর্ণ করেন সাব্বির। বাংলাদেশের রান তখন ৫ উইকেটে ২৭৫। মাহমুদউল্লাহ ৫৬ ও সাব্বির ১৮ রানে অপরাজিত। তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ- এই চার উইকেট জুটিতেই পঞ্চাশ পার হলো। সেঞ্চুরিতে পৌঁছেনি আগের একটিও।

মাহমুদউল্লাহর ফিফটি
রাবাদার ফুলটস বল গ্লানস করে ফাইন লেগ দিয়ে চার হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ। এই চারে পূর্ণ হলো তার ফিফটি। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে মাহমুদউল্লাহর প্রথম ফিফটি। আর ক্যারিয়ারের ১৪তম ফিফটি। পরের বলেও চার হাঁকিয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে নিজেদের আগের সর্বোচ্চ ইনিংস ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। পচেফস্ট্রুম টেস্টে ৭৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫৩ রান। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে ২৫২ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ৩২৬, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামে।

হলো না মুমিনুলের সেঞ্চুরি
লাঞ্চের আগেই ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে পারলেন না মুমিনুল হক। ফিরলেন লাঞ্চের পর দ্বিতীয় ওভারেই। স্পিনার কেশব মহারাজের লেংথ বলে পেছনের পায়ে খেলেছিলেন মুমিনুল। কিন্তু বল গিয়ে জমল ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়ানো এইডেন মার্করামের হাতে। ১৫০ বলে ১২ চারে ৭৭ করেছেন মুমিনুল। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ইনিংস এটিই। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে আল শাহরিয়ারের ৭১ ছিল আগের সর্বোচ্চ। মুমিনুল-মাহমুদউল্লাহর পঞ্চম উইকেট জুটিতে এসেছে ৬৯ রান। মুমিনুলের বিদায়ের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ  ৫ উইকেটে ২২৭। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাব্বির রহমান।

তামিমের উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশন পার
তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৯১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। বিনিময়ে হারিয়েছে তামিম ইকবালের উইকেট। ফিফটি তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রেখেছেন মুমিনুল হক। লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২১৮ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ৭২ রানে অপরাজিত আছেন মুমিনুল। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত ২৬ রানে। পঞ্চম উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৬০ রানের।

শাহরিয়ারকে ছাড়িয়ে মুমিনুল
অফ স্টাম্পের বাইরে কাগিসো রাবাদার ১৪০ কিলোমিটার গতির বল। স্লাইস করে দিলেন মুমিনুল হক। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে বল চলে গেল সীমানার বাইরে, চার। ওই চারে মুমিনুলের রান হয়েছে ৭২। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস এটি। মুমিনুল ছাড়িয়ে গেছেন আল শাহরিয়ারকে। ২০০২ সালে ইস্ট লন্ডনে শাহরিয়ার করেছিলেন ৭১।

মুমিনুল-মাহমুদউল্লাহ জুটির ফিফটি 
কাগিসো রাবাদার গুড লেংথ বল স্কয়ার লেগে পাঠিয়ে সিঙ্গেল নিলেন মাহমুদউল্লাহ। তাতে পূর্ণ হলো মুমিনুল হকের সঙ্গে তার পঞ্চম উইকেট জুটির ফিফটি। জুটির পঞ্চাশ ছুঁতে লেগেছে মাত্র ৬৪ বল। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ২০৮। মুমিনুল ৬২ ও মাহমুদউল্লাহ ২৬ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের দুইশ
ইনিংসের ৫৪তম ওভারে কেশব মহারাজের পঞ্চম বলটা ডিপ স্কয়ার লেগে ঠেলে সিঙ্গেল নিলেন মুমিনুল হক। বাংলাদেশের রান স্পর্শ করল দুইশ। ৫৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২০১। উইকেট নেই ৪টি। মুমিনুল ৬২ ও মাহমুদউল্লাহ ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।

মুমিনুলের দারুণ ফিফটি
প্রস্তুতি ম্যাচেই দিয়েছিলেন ভালো কিছুর ইঙ্গিত। প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ৩৩। সেই পারফরম্যান্সটা প্রথম টেস্টেও টেনে আনলেন মুমিনুল হক। দলের বিপদের সময়ে তুলে নিলেন দারুণ এক ফিফটি। ৪৮ থেকে স্পিনার কেশব মহারাজকে মিড অন দিয়ে চার হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। পরের বলেও হাঁকিয়েছেন আরেকটি চার। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ১৮৫। মুমিনুল ৫৬ ও মাহমুদউল্লাহ ৯ রানে অপরাজিত।

তামিমের বিদায়ে ভাঙল জুটি
তৃতীয় দিনে প্রথমবার আক্রমণে এসেই তামিম-মুমিনুলের জুটি ভেঙেছেন আন্দিলে ফিকোয়াও। তার বলে কুইন্টন ডি ককের দারুণ ক্যাচে বিদায় নিয়েছেন তামিম ইকবাল (৩৯)। তাতে ভেঙেছে ৫৫ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ১৫৮। মুমিনুল হকের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে যোগ দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

আম্পায়ার্স কলে হারাল না রিভিউ 
ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমে (ডিআরএস) পরিবর্তন এনেছে আইসিসি। নতুন নিয়মে এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তে ‘আম্পায়ার্স কল’ হলে সিদ্ধান্ত পক্ষে না পাওয়া দলকে রিভিউ হারাতে হবে না। এই নিয়মের প্রথম সুবিধা পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। কাগিসো রাবাদার বলে তামিম ইকবালের বিপক্ষে এলবিডব্লিউর আবেদন করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। দক্ষিণ আফ্রিকা নেয় রিভিউ। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বল লেগ স্টাম্পে ছিল। আম্পায়ার্স কল হওয়ায় বেঁচে যান তামিম। সিদ্ধান্ত পক্ষে না পেলেও নতুন নিয়মে অক্ষত থেকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি রিভিউ। আগে ৮০ ওভারের জায়গায় এখন প্রতি ইনিংসেই দুটি করে রিভিউ।

তামিম-মুমিনুলের সামনে কঠিন পরীক্ষা
পচেফস্ট্রুম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ উইকেটে ৪৯৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে। জবাবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ১২৭ রানে। এখনো ৩৬৯ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ফলোঅন এড়াতেই প্রয়োজন ১৭০। মুমিনুল হক ২৮ রানে অপরাজিত আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শেষ ৪৯ মিনিট ফিল্ডিংয়ে না থাকায় ব্যাটিংয়ে ওপেন করতে পারেননি তামিম ইকবাল। পাঁচে নেমে মুমিনুলের সঙ্গে ২২ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। আজ তৃতীয় দিনে দুজনের সামনে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

দ্বিতীয় দিন শেষে
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১২৭/৩ (মুমিনুল ২৮, তামিম ২২, মুশফিক ৪৪, লিটন ২৫, ইমরুল ৭)

দক্ষিণ আফ্রিকা ১ম ইনিংস: ৪৯৬/৩ ডিক্লে. (এলগার ১৯৯, আমলা ১৩৭, মার্করাম ৯৭, বাভুমা ৩১*, ডু প্লেসি ২৬*; শফিউল ১/৭৪, মুস্তাফিজ ১/৯৮।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X