সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৫৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 18, 2016 1:03 am | আপডেটঃ December 18, 2016 8:12 AM
A- A A+ Print

শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার নেতা উলফার রুবুল আলি?:টাইমস অব আসাম’র রিপোর্ট

45107_f2

২০০৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকতে তার ওপর যে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল, সেটা উলফার একটি ছোট টিম করেছিল। ওই হামলার নেতৃত্বে ছিল রুবুল আলি। তার গ্রামের বাড়ি আসামের নলবাড়ি। মেঘালয়ের মেন্দিপোথারে ২০০৬ সালে এক অ্যামবুশের ঘটনায় সে নিহত হয়। গতকাল আসাম থেকে প্রকাশিত টাইমস অব আসাম এ খবর দিয়েছে। পত্রিকাটির খবরে বলা হয়, ডামাডোলপূর্ণ উত্তর-পূর্ব ভারতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভুটানের মতো প্রতিবেশীদের সঙ্গে কূটনৈতিক শক্তি পরীক্ষা নিয়ে সাম্প্রতিক ভারতীয় কূটনীতিতে অনেক কিছুই বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার উলফা, ইউএনএলএফ ও এনডিএফবির মতো সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় জঙ্গি নেতাদের হস্তান্তর করেছিল। তখন বাংলাদেশে থাকা প্রায় সব ঘাঁটি বন্ধ হয়েছিল। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তখন তারা তাদের ঘাঁটি মিয়ানমারে সরিয়ে নিয়েছিল। অবশ্য সেখান থেকে আসামে নাশকতামূলক হামলা পরিচালনা করা খুবই কঠিন। কারণ, অপারেশনগত দিক থেকে সেটা তাদের জন্য অনুকূল নয়। টাইমস অব আসাম রিপোর্ট এরপর উল্লেখ করেছে, যা হোক এখন বিশ্বস্ত সূত্রগুলো থেকে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উলফা আবারো বাংলাদেশে তাদের গোপন ঘাটি পুনরায় খুলতে পেরেছে। বাংলাদেশের শেরপুর এলাকা তার অন্যতম। এখানে তারা নব্বই দশক থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটিটি চালু রাখতে সক্ষম হয়েছিল। সেটি সম্প্রতি তারা পনুরায় চালু করেছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ওই এলাকা থেকেই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারও করেছিল। উদ্ধার করা অস্ত্রশস্ত্রের মধ্যে সাবমেশিন গানের ২২ হাজার রাউন্ড গুলি, লাইট মেশিনগানের ১৭ হাজার রাউন্ড গুলি এবং এমনকি ২ হাজার কামান বিধ্বংসী মিসাইল ছিল। শেরপুর এলাকাটি উলফার জন্য কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তারা চীনের কাছ থেকে অস্ত্র কিনে তা সমুদ্রপথে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। এরপর  তা ভারতের উলফার কাছে পৌঁছে যায়। ১৬ই ডিসেম্বরের টাইমস অব আসাম রিপোর্ট আরো বলেছে, ‘সূত্রগুলো অবশ্য নিশ্চিত করেছে যে, এবারে উলফা শেখ হাসিনা সরকারের চোখের সামনেই ক্যাম্প খুলে বসেছে। উলফার সেকেন্ড ইন কমান্ড কর্নেল দৃষ্টি অসম বাংলাদেশে এই মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

Comments

Comments!

 শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার নেতা উলফার রুবুল আলি?:টাইমস অব আসাম’র রিপোর্টAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার নেতা উলফার রুবুল আলি?:টাইমস অব আসাম’র রিপোর্ট

Sunday, December 18, 2016 1:03 am | আপডেটঃ December 18, 2016 8:12 AM
45107_f2

২০০৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকতে তার ওপর যে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল, সেটা উলফার একটি ছোট টিম করেছিল। ওই হামলার নেতৃত্বে ছিল রুবুল আলি। তার গ্রামের বাড়ি আসামের নলবাড়ি। মেঘালয়ের মেন্দিপোথারে ২০০৬ সালে এক অ্যামবুশের ঘটনায় সে নিহত হয়। গতকাল আসাম থেকে প্রকাশিত টাইমস অব আসাম এ খবর দিয়েছে।
পত্রিকাটির খবরে বলা হয়, ডামাডোলপূর্ণ উত্তর-পূর্ব ভারতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভুটানের মতো প্রতিবেশীদের সঙ্গে কূটনৈতিক শক্তি পরীক্ষা নিয়ে সাম্প্রতিক ভারতীয় কূটনীতিতে অনেক কিছুই বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার উলফা, ইউএনএলএফ ও এনডিএফবির মতো সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় জঙ্গি নেতাদের হস্তান্তর করেছিল। তখন বাংলাদেশে থাকা প্রায় সব ঘাঁটি বন্ধ হয়েছিল। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তখন তারা তাদের ঘাঁটি মিয়ানমারে সরিয়ে নিয়েছিল। অবশ্য সেখান থেকে আসামে নাশকতামূলক হামলা পরিচালনা করা খুবই কঠিন। কারণ, অপারেশনগত দিক থেকে সেটা তাদের জন্য অনুকূল নয়।
টাইমস অব আসাম রিপোর্ট এরপর উল্লেখ করেছে, যা হোক এখন বিশ্বস্ত সূত্রগুলো থেকে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উলফা আবারো বাংলাদেশে তাদের গোপন ঘাটি পুনরায় খুলতে পেরেছে। বাংলাদেশের শেরপুর এলাকা তার অন্যতম। এখানে তারা নব্বই দশক থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটিটি চালু রাখতে সক্ষম হয়েছিল। সেটি সম্প্রতি তারা পনুরায় চালু করেছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ওই এলাকা থেকেই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারও করেছিল। উদ্ধার করা অস্ত্রশস্ত্রের মধ্যে সাবমেশিন গানের ২২ হাজার রাউন্ড গুলি, লাইট মেশিনগানের ১৭ হাজার রাউন্ড গুলি এবং এমনকি ২ হাজার কামান বিধ্বংসী মিসাইল ছিল। শেরপুর এলাকাটি উলফার জন্য কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তারা চীনের কাছ থেকে অস্ত্র কিনে তা সমুদ্রপথে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। এরপর  তা ভারতের উলফার কাছে পৌঁছে যায়।
১৬ই ডিসেম্বরের টাইমস অব আসাম রিপোর্ট আরো বলেছে, ‘সূত্রগুলো অবশ্য নিশ্চিত করেছে যে, এবারে উলফা শেখ হাসিনা সরকারের চোখের সামনেই ক্যাম্প খুলে বসেছে। উলফার সেকেন্ড ইন কমান্ড কর্নেল দৃষ্টি অসম বাংলাদেশে এই মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X