শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৫৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, September 6, 2017 7:08 pm
A- A A+ Print

শেষ বিকেলে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশের

৬৬

চট্টগ্রাম: শেষ বিকালে ঝলসে উঠা মেহেদী মিরাজের ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়ার টেলএন্ডার ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতেই পারেনি। বুধবার চট্টগ্রাম টেস্টে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্মিথবাহিনীর সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান। এখন পর্যন্ত তাদের লিড ৭২ রানের। ক্রিজে রয়েছেন ও'কিফ ও লায়ান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওয়ার্নার ১২৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। ষষ্ঠ অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে এশিয়ার মাটিতে ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন এই বাঁহাতি ওপেনার। এছাড়া সফরকারীদের হয়ে পিটার হ্যান্ডসকম্ব ৮২, স্টিভেন স্মিথ ৫৮ এবং ম্যাক্সওয়েল করেন ৩৮ রান। অ্যাস্টন অ্যাগার ২২ এবং হিলটন কার্টরাইট করেন ১৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন সাকিব ও তাইজুল ইসলাম। দুর্দান্ত শুরুর পর ৭৯ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ফলে বড় লিড নেয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায় দলটির। তবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরতে হলে দারুণ ব্যাটিংয়ের পসরা সাজানো ছাড়া উপায় নেই। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ওয়ার্নার ও হ্যান্ডসকম্ব বুধবার শুরু থেকেই সাবলীল ছিলেন। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান ৮৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওয়ার্নার। সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখছিলেন হ্যান্ডসকম্বও। এসময় বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-থ্রু এনে দেন সাকিব। ওয়ার্নার তখন ৯৯ রানে দাঁড়িয়ে নাসির হোসেনের করা ৭৪তম ওভারের তৃতীয় বলে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের শট চলে যায় স্কয়ার লেগে। সতীর্থের সেঞ্চুরির জন্য যেন তাড়া পেয়ে বসে হ্যান্ডসকম্বকে। 'বিপজ্জনক' রানের জন্য দৌড় দেন। ওয়ার্নার তাকে 'নো' কল করেন। ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করেন হ্যান্ডসকম্ব। তবে সাকিবের সরাসরি থ্রো স্টাম্পে আঘাত হানলে সাজঘরে ফিরতে হয় এই অজি ব্যাটসম্যানকে। আউট হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়াকে ঠিকই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন হ্যান্ডসকম্ব। তৃতীয় উইকেটে ১৫২ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ে গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান। হ্যান্ডসকম্ব ফেরার পর ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়ার্নার। এসময় অস্ট্রেলিয়া শিবিরে আঘাত হানেন মোস্তাফিজ। ২২তম জন্মদিন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা টেস্ট উইকেট দিয়ে উদযাপন করেন ওয়ার্নার। ফিজের বলে কাট করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন ওয়ার্নার। দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতার লাফিয়ে ক্যাচ লুফে নেন ইমরুল। চা বিরতির আগে ফের উৎসবে মেতে ওঠে বাংলাদেশ। এবার মিরাজের বলে স্লিপে সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দিয়ে হিলটন কার্টরাইট সাজঘরে ফেরেন। কার্টরাইটের বিদায়ের পর ম্যাথু ওয়েডকে নিয়ে জুটি গড়ে ম্যাক্সওয়েল। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল এই জুটি। মোস্তাফিজ এসে স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে। কাটার মাস্টারের করা ১০৬তম ওভারের তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ওয়েড (৮)। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও বাঁচতে পারেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে আক্রমণে এসে ম্যাক্সওয়েলকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন মিরাজ। তার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ম্যাক্সওয়েল। স্টাম্পের প্রায় কাছ থেকে দুর্দান্ত দৃঢ়তায় ক্যাচ লুফে নেন মুশফিক। বাংলাদেশের আউটের আবেদনে সাড়া না দিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারের শরণাপন্ন হন নাইজেল লং। সেখান থেকে আউটের সিদ্ধান্ত আসলে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের দর্শকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। কিছুক্ষণ পর ফের বাংলাদেশের মুখে হাসি ফোটান মিরাজ। তার করা ১০৯ ওভারের শেষ বল প্যাড দিয়ে ঠেকান প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশ জোরালো আবেদন করলেও তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার। সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন মুশফিক। আর তাতে সফলতাও মেলে। এরপর সাকিবের বলে প্যাট কামিন্স বোল্ড হলে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণ পর আলো স্বল্পতার কারণে আম্পায়াররা দিনের খেলার ইতি টানলে অজিদের অলআউট করা সম্ভব হয়নি বাংলাদেশের। এর আগে মুশফিক, সাব্বির রহমান ও নাসিরের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ৩০০ প্লাস রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। মুশফিক সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন। সাব্বির আউট হয়েছেন ৬৬ রান করে; টেস্টে এটাই তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। সৌম্য সরকার ৩৩, মুমিনুল হক ৩১ এবং সাকিব করেন ২৪ রান। তামিম ইকবাল ৯ এবং ইমরুল কায়েস ৪ রান করে আউট হন। ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে কোনো দলের প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলা নাথান লায়ন যথারীতি অস্ট্রেলিয়ান বোলিং অ্যাটাকের নায়ক। ৯৪ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট নেন এই অজি স্পিনার। এই নিয়ে টানা তিন টেস্টে ৫ উইকেটের দেখা পেলেন লায়ন। অ্যাস্টন অ্যাগার নেন দুটি উইকেট।

Comments

Comments!

 শেষ বিকেলে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শেষ বিকেলে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশের

Wednesday, September 6, 2017 7:08 pm
৬৬

চট্টগ্রাম: শেষ বিকালে ঝলসে উঠা মেহেদী মিরাজের ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়ার টেলএন্ডার ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতেই পারেনি। বুধবার চট্টগ্রাম টেস্টে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্মিথবাহিনীর সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান। এখন পর্যন্ত তাদের লিড ৭২ রানের। ক্রিজে রয়েছেন ও’কিফ ও লায়ান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওয়ার্নার ১২৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। ষষ্ঠ অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে এশিয়ার মাটিতে ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন এই বাঁহাতি ওপেনার। এছাড়া সফরকারীদের হয়ে পিটার হ্যান্ডসকম্ব ৮২, স্টিভেন স্মিথ ৫৮ এবং ম্যাক্সওয়েল করেন ৩৮ রান। অ্যাস্টন অ্যাগার ২২ এবং হিলটন কার্টরাইট করেন ১৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন সাকিব ও তাইজুল ইসলাম। দুর্দান্ত শুরুর পর ৭৯ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ফলে বড় লিড নেয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায় দলটির। তবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরতে হলে দারুণ ব্যাটিংয়ের পসরা সাজানো ছাড়া উপায় নেই। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ওয়ার্নার ও হ্যান্ডসকম্ব বুধবার শুরু থেকেই সাবলীল ছিলেন। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান ৮৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওয়ার্নার। সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখছিলেন হ্যান্ডসকম্বও। এসময় বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-থ্রু এনে দেন সাকিব। ওয়ার্নার তখন ৯৯ রানে দাঁড়িয়ে নাসির হোসেনের করা ৭৪তম ওভারের তৃতীয় বলে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের শট চলে যায় স্কয়ার লেগে। সতীর্থের সেঞ্চুরির জন্য যেন তাড়া পেয়ে বসে হ্যান্ডসকম্বকে। ‘বিপজ্জনক’ রানের জন্য দৌড় দেন। ওয়ার্নার তাকে ‘নো’ কল করেন। ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করেন হ্যান্ডসকম্ব। তবে সাকিবের সরাসরি থ্রো স্টাম্পে আঘাত হানলে সাজঘরে ফিরতে হয় এই অজি ব্যাটসম্যানকে। আউট হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়াকে ঠিকই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন হ্যান্ডসকম্ব। তৃতীয় উইকেটে ১৫২ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ে গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান। হ্যান্ডসকম্ব ফেরার পর ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়ার্নার। এসময় অস্ট্রেলিয়া শিবিরে আঘাত হানেন মোস্তাফিজ। ২২তম জন্মদিন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা টেস্ট উইকেট দিয়ে উদযাপন করেন ওয়ার্নার। ফিজের বলে কাট করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন ওয়ার্নার। দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতার লাফিয়ে ক্যাচ লুফে নেন ইমরুল। চা বিরতির আগে ফের উৎসবে মেতে ওঠে বাংলাদেশ। এবার মিরাজের বলে স্লিপে সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দিয়ে হিলটন কার্টরাইট সাজঘরে ফেরেন। কার্টরাইটের বিদায়ের পর ম্যাথু ওয়েডকে নিয়ে জুটি গড়ে ম্যাক্সওয়েল। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল এই জুটি। মোস্তাফিজ এসে স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে। কাটার মাস্টারের করা ১০৬তম ওভারের তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ওয়েড (৮)। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও বাঁচতে পারেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে আক্রমণে এসে ম্যাক্সওয়েলকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন মিরাজ। তার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ম্যাক্সওয়েল। স্টাম্পের প্রায় কাছ থেকে দুর্দান্ত দৃঢ়তায় ক্যাচ লুফে নেন মুশফিক। বাংলাদেশের আউটের আবেদনে সাড়া না দিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারের শরণাপন্ন হন নাইজেল লং। সেখান থেকে আউটের সিদ্ধান্ত আসলে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের দর্শকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন। কিছুক্ষণ পর ফের বাংলাদেশের মুখে হাসি ফোটান মিরাজ। তার করা ১০৯ ওভারের শেষ বল প্যাড দিয়ে ঠেকান প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশ জোরালো আবেদন করলেও তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার। সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন মুশফিক। আর তাতে সফলতাও মেলে। এরপর সাকিবের বলে প্যাট কামিন্স বোল্ড হলে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণ পর আলো স্বল্পতার কারণে আম্পায়াররা দিনের খেলার ইতি টানলে অজিদের অলআউট করা সম্ভব হয়নি বাংলাদেশের। এর আগে মুশফিক, সাব্বির রহমান ও নাসিরের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ৩০০ প্লাস রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। মুশফিক সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন। সাব্বির আউট হয়েছেন ৬৬ রান করে; টেস্টে এটাই তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। সৌম্য সরকার ৩৩, মুমিনুল হক ৩১ এবং সাকিব করেন ২৪ রান। তামিম ইকবাল ৯ এবং ইমরুল কায়েস ৪ রান করে আউট হন। ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে কোনো দলের প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলা নাথান লায়ন যথারীতি অস্ট্রেলিয়ান বোলিং অ্যাটাকের নায়ক। ৯৪ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট নেন এই অজি স্পিনার। এই নিয়ে টানা তিন টেস্টে ৫ উইকেটের দেখা পেলেন লায়ন। অ্যাস্টন অ্যাগার নেন দুটি উইকেট।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X