মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 30, 2017 12:10 pm
A- A A+ Print

শ্রীলংকার সমুদ্র বন্দরের নিয়ন্ত্রণ পেল চীন

55

শ্রীলংকার একটি গভীর সমুদ্র বন্দরের নিয়ন্ত্রণ পেল চীন। বন্দরটি উন্নয়নের জন্য চীনের সঙ্গে ১১০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি করেছে শ্রীলংকা সরকার। চীনা সামরিক বাহিনী বন্দরটি ব্যবহার করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে কয়েক মাস বিলম্বের পর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হল। বন্দরটি চীনের হাতে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ভারত। খবর বিবিসির। দক্ষিণাঞ্চলীয় হাম্বানটোটার বন্দরটি চীনের সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হতে পারে এমন আশঙ্কায় এ চুক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বিরোধীরা। তবে সরকার বলেছে যে, শুধু বাণিজ্যিক কাজেই চীন বন্দরটি ব্যবহার করবে। এটি মূলত, এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের প্রধান পথ। শ্রীলংকা সরকার বলছে, এই চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ তাদের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে সাহায্য করবে। চুক্তি অনুযায়ী, রাষ্ট্র মালিকানাধীন একটি চীনা কোম্পানি ৯৯ বছরের জন্য ওই বন্দরটি এবং তার সংলগ্ন ১৫ হাজার একর জমি শিল্পাঞ্চল তৈরির জন্য ইজারা নেবে। এ পরিকল্পনার ফলে হাজার হাজার গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ করতে হবে। তবে সরকার বলছে, তাদের সবাইকে নতুন জমি দেয়া হবে। ২০০৯ সালে শ্রীলংকায় ২৬ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে দেশটির অবকাঠামো খাতে চীন কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। ভারত মহাসাগরের এ হাম্বানটোটা বন্দরটি চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবে। নতুন সিল্ক রোড নামে পরিচিতি পাওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে চীন এবং ইউরোপের মধ্যকার বন্দর ও রাস্তাগুলোর মধ্যে সংযোগ দেয়া হবে। প্রকল্পটির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছে স্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বী জাপান এবং ভারত। এ চুক্তির বিরোধীরা বলছেন, সমুদ্র বন্দরটি চীনের উপনিবেশে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন তারা। এছাড়া বন্দরটি চীনের সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তারা। বিরোধীদের এ উদ্বেগ দূর করতে চীনা কোম্পানির শেয়ার কমিয়ে ৭০ শতাংশে এনে একটি সংশোধিত খসড়া চুক্তি ঘোষণা করে শ্রীলংকা সরকার। কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে বন্দরটি চীনের সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘নিরাপত্তার জন্য হুমকিবিহীন একটি উত্তম চুক্তি দেশকে উপহার দিতে যাচ্ছি আমরা।’

Comments

Comments!

 শ্রীলংকার সমুদ্র বন্দরের নিয়ন্ত্রণ পেল চীনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

শ্রীলংকার সমুদ্র বন্দরের নিয়ন্ত্রণ পেল চীন

Sunday, July 30, 2017 12:10 pm
55

শ্রীলংকার একটি গভীর সমুদ্র বন্দরের নিয়ন্ত্রণ পেল চীন। বন্দরটি উন্নয়নের জন্য চীনের সঙ্গে ১১০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি করেছে শ্রীলংকা সরকার। চীনা সামরিক বাহিনী বন্দরটি ব্যবহার করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে কয়েক মাস বিলম্বের পর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হল। বন্দরটি চীনের হাতে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ভারত। খবর বিবিসির।

দক্ষিণাঞ্চলীয় হাম্বানটোটার বন্দরটি চীনের সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হতে পারে এমন আশঙ্কায় এ চুক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন বিরোধীরা। তবে সরকার বলেছে যে, শুধু বাণিজ্যিক কাজেই চীন বন্দরটি ব্যবহার করবে। এটি মূলত, এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের প্রধান পথ।

শ্রীলংকা সরকার বলছে, এই চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ তাদের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে সাহায্য করবে। চুক্তি অনুযায়ী, রাষ্ট্র মালিকানাধীন একটি চীনা কোম্পানি ৯৯ বছরের জন্য ওই বন্দরটি এবং তার সংলগ্ন ১৫ হাজার একর জমি শিল্পাঞ্চল তৈরির জন্য ইজারা নেবে। এ পরিকল্পনার ফলে হাজার হাজার গ্রামবাসীকে উচ্ছেদ করতে হবে। তবে সরকার বলছে, তাদের সবাইকে নতুন জমি দেয়া হবে। ২০০৯ সালে শ্রীলংকায় ২৬ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে দেশটির অবকাঠামো খাতে চীন কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। ভারত মহাসাগরের এ হাম্বানটোটা বন্দরটি চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবে। নতুন সিল্ক রোড নামে পরিচিতি পাওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে চীন এবং ইউরোপের মধ্যকার বন্দর ও রাস্তাগুলোর মধ্যে সংযোগ দেয়া হবে। প্রকল্পটির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছে স্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বী জাপান এবং ভারত।

এ চুক্তির বিরোধীরা বলছেন, সমুদ্র বন্দরটি চীনের উপনিবেশে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন তারা। এছাড়া বন্দরটি চীনের সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তারা। বিরোধীদের এ উদ্বেগ দূর করতে চীনা কোম্পানির শেয়ার কমিয়ে ৭০ শতাংশে এনে একটি সংশোধিত খসড়া চুক্তি ঘোষণা করে শ্রীলংকা সরকার। কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে বন্দরটি চীনের সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘নিরাপত্তার জন্য হুমকিবিহীন একটি উত্তম চুক্তি দেশকে উপহার দিতে যাচ্ছি আমরা।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X