বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, May 25, 2017 7:36 pm
A- A A+ Print

‘সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে সংসদের মাধ্যমে কীভাবে বিচারপতি অপসারণ?’

7

ঢাকা: প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা বলেছেন, কোনো দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে সংসদের মাধ্যমে কীভাবে বিচারপতি অপসারণ হবে? উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা-সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির সময় এই প্রশ্ন রাখেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানিতে আদালত-বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে বিশিষ্ট আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় এ প্রশ্ন রাখেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে সপ্তম দিনের মতো শুনানি চলছে। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার। শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘শাসনতন্ত্রে দেশের সবচেয়ে পবিত্র আইন (সংবিধান) আমরা সংরক্ষণ করি। দেখা গেল, সেখানে এমন কিছু সন্নিবেশিত হলো, যাতে শূন্যতার সৃষ্টি হলো। পার্লামেন্টে টু থার্ড মেজরিটি (দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা) না থাকলে ওই পরিস্থিতিতে কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তখন কী হবে? জুডিশিয়ারি কী করবে? আমাকে এ বিষয়টি ভাবিয়ে তোলে।’ জবাবে রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, লিখিত বক্তব্যে এর ব্যাখ্যা রয়েছে। এর আগে অপর আদালত-বন্ধু ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বক্তব্য দেন এবং আদালত-বন্ধু টি এইচ খানের পক্ষে তার ছেলে আফজাল এইচ খান বক্তব্য দেন। এর আগে গত ৮, ৯ এবং ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ মে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য ১২ আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাদের লিখিত বক্তব্য আদালতে জমা দিতে বলেন আপিল বিভাগ। অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ আইনজীবী হচ্ছেন-বিচারপতি টি এইচ খান, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার আজমালুল হক কিউসি, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও এম আই ফারুকী। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।
 

Comments

Comments!

 ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে সংসদের মাধ্যমে কীভাবে বিচারপতি অপসারণ?’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে সংসদের মাধ্যমে কীভাবে বিচারপতি অপসারণ?’

Thursday, May 25, 2017 7:36 pm
7

ঢাকা: প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা বলেছেন, কোনো দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে সংসদের মাধ্যমে কীভাবে বিচারপতি অপসারণ হবে?

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা-সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির সময় এই প্রশ্ন রাখেন প্রধান বিচারপতি।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানিতে আদালত-বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে বিশিষ্ট আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় এ প্রশ্ন রাখেন প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে সপ্তম দিনের মতো শুনানি চলছে।

বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘শাসনতন্ত্রে দেশের সবচেয়ে পবিত্র আইন (সংবিধান) আমরা সংরক্ষণ করি। দেখা গেল, সেখানে এমন কিছু সন্নিবেশিত হলো, যাতে শূন্যতার সৃষ্টি হলো। পার্লামেন্টে টু থার্ড মেজরিটি (দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা) না থাকলে ওই পরিস্থিতিতে কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তখন কী হবে? জুডিশিয়ারি কী করবে? আমাকে এ বিষয়টি ভাবিয়ে তোলে।’

জবাবে রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, লিখিত বক্তব্যে এর ব্যাখ্যা রয়েছে।

এর আগে অপর আদালত-বন্ধু ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বক্তব্য দেন এবং আদালত-বন্ধু টি এইচ খানের পক্ষে তার ছেলে আফজাল এইচ খান বক্তব্য দেন।

এর আগে গত ৮, ৯ এবং ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ মে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য ১২ আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাদের লিখিত বক্তব্য আদালতে জমা দিতে বলেন আপিল বিভাগ।

অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ আইনজীবী হচ্ছেন-বিচারপতি টি এইচ খান, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার আজমালুল হক কিউসি, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও এম আই ফারুকী।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X