বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 30, 2016 12:28 pm
A- A A+ Print

সঙ্কট না থাকলেও বাড়ছে চালের দাম

247173_1

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে মোটা চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫-৬ টাকা। মাস খানেক আগেও মোটা জাতের গুটি ও স্বর্ণা চালের দাম কেজিপ্রতি ২৮-২৯ টাকা ছিল। এরপর তা কয়েক দফায় বেড়েছে। এছাড়া মিনিকেট চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪১-৪২ টাকা। বর্তমানে একই পরিমাণ পণ্যে ৪৩-৪৪ টাকা দাম হাঁকাচ্ছেন মিল মালিকরা। মোকাম থেকে ওই চাল ঢাকায় আনতে কেজিতে আরো এক টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। ফলে লাভ রাখতে মিনিকেট চাল তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৫-৪৬ টাকায়। আর খুচরা বাজারে তা বিক্রি করতে হবে ৪৭-৪৮ টাকায়। রাজধানীর বাবুবাজারের শিল্পী রাইস এজেন্সির মালিক কাওসার হোসেন বলেন, এবার সরকার চাল একটু দেরি করে কিনছে। এ ছাড়া মোটা ধানের আবাদ কম হয়েছে। এতেই দাম বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে চালের দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ আসন্ন কার্তিকে দেশে আমনের নতুন ধান উঠবে। এ অবস্থায় মিলাররা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে দাম বাড়িয়েছেন। আগে মোকাম মালিকরা চাল সরবরাহের পর পাইকারি ব্যবসায়ীরা সুবিধামতো দামে বিক্রি করতো। কিন্তু সম্প্রতি মিল মালিকরা মূল্য নির্ধারণ করে দিচ্ছেন। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমে বিক্রি করলে তার দায় ব্যবসায়ীদের নিতে হচ্ছে। মিল মালিকরা প্রতিদিনই চালের দাম বাড়াচ্ছেন বলেও জানান পাইকারী ব্যবসায়ীরা। বাদামতলী-বাবুবাজার চাল আড়তদার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বাজারে চালের কোনো সঙ্কট নেই। দেশের বিভিন্ন বাজারে যে পরিমাণ চাল মজুদ রয়েছে তা দিয়ে আগামী ছয় মাস পর্যন্ত চালানো সম্ভব। তবে রাজশাহী জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি মুঠোফোনে বলেন, চালকল মালিকরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তারা (চালকল মালিক) চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ৮০ শতাংশ মালিক ঋণ খেলাপি হতেন না। নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ চকদার জানান, সরকারি গুদামে চালের সরবরাহ প্রায় শেষের পর্যায়ে। তাই মোটা চালের বাজারে দামের কিছুটা হ্রাস-বৃদ্ধি মোটেও অস্বাভাবিক নয়। এছাড়া চিকন জাতের জিরাশাইল, মিনিকেটসহ কিছু জাতের ধানের চাষ বছরে একবারই হয়। তাই মৌসুমের শেষ দিকে সেসব জাতের চাল পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, চালের দাম বাড়ার এ প্রবণতা শুরু হয়েছে দীর্ঘদিন পর। কৃষকদের সুরক্ষা দিতে চলতি অর্থবছরে চাল আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেছে সরকার।এছাড়া এ মৌসুমে সরকারি চাল ক্রয়ের মূল্য ধরা হয় কেজিপ্রতি ৩২ টাকা, যা উৎপাদন খরচের চেয়ে কেজিতে ৫ টাকা বেশি। এ দুটি কারণেই চালের দাম বাড়ছে। পাশাপাশি গত বোরো মৌসুমে মোটা ধানের আবাদ কমে যাওয়াও দাম বাড়ার একটি বড় কারণ বলে উল্লেখ করেন তারা। তবে চালের দাম বাড়ার সুফল কৃষকরা পাচ্ছেন না। কারণ মৌসুমের শুরুতেই মিল মালিকদের কব্জায় চলে যায় অধিকাংশ ধান।

Comments

Comments!

 সঙ্কট না থাকলেও বাড়ছে চালের দামAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সঙ্কট না থাকলেও বাড়ছে চালের দাম

Friday, September 30, 2016 12:28 pm
247173_1

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে মোটা চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫-৬ টাকা। মাস খানেক আগেও মোটা জাতের গুটি ও স্বর্ণা চালের দাম কেজিপ্রতি ২৮-২৯ টাকা ছিল। এরপর তা কয়েক দফায় বেড়েছে।

এছাড়া মিনিকেট চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪১-৪২ টাকা। বর্তমানে একই পরিমাণ পণ্যে ৪৩-৪৪ টাকা দাম হাঁকাচ্ছেন মিল মালিকরা। মোকাম থেকে ওই চাল ঢাকায় আনতে কেজিতে আরো এক টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। ফলে লাভ রাখতে মিনিকেট চাল তাদের বিক্রি করতে হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৫-৪৬ টাকায়। আর খুচরা বাজারে তা বিক্রি করতে হবে ৪৭-৪৮ টাকায়।

রাজধানীর বাবুবাজারের শিল্পী রাইস এজেন্সির মালিক কাওসার হোসেন বলেন, এবার সরকার চাল একটু দেরি করে কিনছে। এ ছাড়া মোটা ধানের আবাদ কম হয়েছে। এতেই দাম বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে।

তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে চালের দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ আসন্ন কার্তিকে দেশে আমনের নতুন ধান উঠবে। এ অবস্থায় মিলাররা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে দাম বাড়িয়েছেন।

আগে মোকাম মালিকরা চাল সরবরাহের পর পাইকারি ব্যবসায়ীরা সুবিধামতো দামে বিক্রি করতো। কিন্তু সম্প্রতি মিল মালিকরা মূল্য নির্ধারণ করে দিচ্ছেন। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমে বিক্রি করলে তার দায় ব্যবসায়ীদের নিতে হচ্ছে। মিল মালিকরা প্রতিদিনই চালের দাম বাড়াচ্ছেন বলেও জানান পাইকারী ব্যবসায়ীরা।

বাদামতলী-বাবুবাজার চাল আড়তদার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বাজারে চালের কোনো সঙ্কট নেই। দেশের বিভিন্ন বাজারে যে পরিমাণ চাল মজুদ রয়েছে তা দিয়ে আগামী ছয় মাস পর্যন্ত চালানো সম্ভব।

তবে রাজশাহী জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি মুঠোফোনে বলেন, চালকল মালিকরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তারা (চালকল মালিক) চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ৮০ শতাংশ মালিক ঋণ খেলাপি হতেন না।

নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ চকদার জানান, সরকারি গুদামে চালের সরবরাহ প্রায় শেষের পর্যায়ে। তাই মোটা চালের বাজারে দামের কিছুটা হ্রাস-বৃদ্ধি মোটেও অস্বাভাবিক নয়। এছাড়া চিকন জাতের জিরাশাইল, মিনিকেটসহ কিছু জাতের ধানের চাষ বছরে একবারই হয়। তাই মৌসুমের শেষ দিকে সেসব জাতের চাল পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে।

তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, চালের দাম বাড়ার এ প্রবণতা শুরু হয়েছে দীর্ঘদিন পর। কৃষকদের সুরক্ষা দিতে চলতি অর্থবছরে চাল আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেছে সরকার।এছাড়া এ মৌসুমে সরকারি চাল ক্রয়ের মূল্য ধরা হয় কেজিপ্রতি ৩২ টাকা, যা উৎপাদন খরচের চেয়ে কেজিতে ৫ টাকা বেশি। এ দুটি কারণেই চালের দাম বাড়ছে। পাশাপাশি গত বোরো মৌসুমে মোটা ধানের আবাদ কমে যাওয়াও দাম বাড়ার একটি বড় কারণ বলে উল্লেখ করেন তারা।

তবে চালের দাম বাড়ার সুফল কৃষকরা পাচ্ছেন না। কারণ মৌসুমের শুরুতেই মিল মালিকদের কব্জায় চলে যায় অধিকাংশ ধান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X