রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৪৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, October 24, 2017 5:33 pm
A- A A+ Print

‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ নির্বাচন অসম্ভব’

1508833118

ঢাকা: সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন সাবেক সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনাররা। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এ মত দেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফসহ অনেকে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির চলমান সংলাপের শেষ দিন সাবেক সিইসিসহ কমিশনারদের সঙ্গে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন অফিসে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ২৬ জনকে আমন্ত্রণ জানানোহলেও ১৬ জন উপস্থিত হয়ে ছিলেন। সংলাপে উপস্থিত হয়ে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফবলেছেন, বর্তমান ইসির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিরপেক্ষতার প্রমাণকরা। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ লোকদের ভোটের কাজে নিয়োজিতকরা দরকার। সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন, জনগণ হচ্ছে ভোটের মালিক। তারাই নির্বাচন করবে। সেখানেডিসিও থাকবে না, এসপিও থাকবে না৷ তৃণমূল পর্যায়ে ভোটাররা যদি ভোটপরিচালনা করেন, তারাই যদি আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব নেয় তবে সেটাই ভালো। এ জন্য প্রতি ৫০০ জন ভোটারের জন্য একটি করে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতেহবে৷ কারণ গণতন্ত্র ছাড়া আমাদের বাঁচার উপায় নাই। সংলাপে সাবেক কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন নির্বাচনকালিন সময়ে কমিশনের অধীনে সেনাবাহিনী রাখতে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনী কমিশনের অধীনে নিতে হবে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ নির্বাচনের জন্য ভোটের আগে ও পরে মাঠে সেনা মোতায়েন রাখতে হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে রেখেই। নির্বাচনকালিন সরকার প্রসঙ্গে সাবেক সিইসি এটিএম শামসুল হুদা বলেন,  কার অধীনে নির্বাচন হবে তা নির্ধারণ কমিশনের নয়। যেহেতু এটা সংবিধানসংশোধনের বিষয়৷ যেহেতু সময় অনেক কম৷ তাই যে পরিবেশ আছে এর মধ্যেকীভাবে ভালো নির্বাচন করা যায় সে চেষ্টা করতে হবে৷ নির্বাচনকালিন সরকার নিয়ে আলোচনা- সময় ক্ষেপন ছাড়া কিছু নয় বলেও মনে করেন শামসুল হুদ। সাবেক ইসি ছহুল হোসাইন বলেন, সব দলকে নির্বাচনে আনার জন্য ইসি উদ্যোগনিতে পারে। আর যদি কোনো কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হয় তাহলে কমিশন এর দায়নেবে না।

Comments

Comments!

 ‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ নির্বাচন অসম্ভব’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ নির্বাচন অসম্ভব’

Tuesday, October 24, 2017 5:33 pm
1508833118

ঢাকা: সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন সাবেক সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনাররা।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এ মত দেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফসহ অনেকে।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির চলমান সংলাপের শেষ দিন সাবেক সিইসিসহ কমিশনারদের সঙ্গে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন অফিসে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ২৬ জনকে আমন্ত্রণ জানানোহলেও ১৬ জন উপস্থিত হয়ে ছিলেন।

সংলাপে উপস্থিত হয়ে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফবলেছেন, বর্তমান ইসির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিরপেক্ষতার প্রমাণকরা। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ লোকদের ভোটের কাজে নিয়োজিতকরা দরকার। সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, জনগণ হচ্ছে ভোটের মালিক। তারাই নির্বাচন করবে। সেখানেডিসিও থাকবে না, এসপিও থাকবে না৷ তৃণমূল পর্যায়ে ভোটাররা যদি ভোটপরিচালনা করেন, তারাই যদি আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব নেয় তবে সেটাই ভালো। এ জন্য প্রতি ৫০০ জন ভোটারের জন্য একটি করে স্থায়ী ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতেহবে৷ কারণ গণতন্ত্র ছাড়া আমাদের বাঁচার উপায় নাই।

সংলাপে সাবেক কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন নির্বাচনকালিন সময়ে কমিশনের অধীনে সেনাবাহিনী রাখতে মত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনী কমিশনের অধীনে নিতে হবে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ নির্বাচনের জন্য ভোটের আগে ও পরে মাঠে সেনা মোতায়েন রাখতে হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে রেখেই।

নির্বাচনকালিন সরকার প্রসঙ্গে সাবেক সিইসি এটিএম শামসুল হুদা বলেন,  কার অধীনে নির্বাচন হবে তা নির্ধারণ কমিশনের নয়। যেহেতু এটা সংবিধানসংশোধনের বিষয়৷ যেহেতু সময় অনেক কম৷ তাই যে পরিবেশ আছে এর মধ্যেকীভাবে ভালো নির্বাচন করা যায় সে চেষ্টা করতে হবে৷

নির্বাচনকালিন সরকার নিয়ে আলোচনা- সময় ক্ষেপন ছাড়া কিছু নয় বলেও মনে করেন শামসুল হুদ।

সাবেক ইসি ছহুল হোসাইন বলেন, সব দলকে নির্বাচনে আনার জন্য ইসি উদ্যোগনিতে পারে। আর যদি কোনো কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হয় তাহলে কমিশন এর দায়নেবে না।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X