বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, November 12, 2016 7:22 pm
A- A A+ Print

সব ব্লগার হত্যার নির্দেশদাতা মেজর জিয়া: ডিবি

এখন পর্যন্ত যত ব্লগার হত্যার ঘটনা ঘটেছে, তার সবগুলোই হয়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) নেতা চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের নির্দেশে। শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন এ কথা জানান। প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন ও ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যার ঘটনায় এবিটির এক সদস্যকে গ্রেফতারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। আদুল বাতেন বলেন, 'ব্লগার হত্যার প্রত্যেকটি ঘটনাই জিয়ার নির্দেশে হয়েছে। হত্যা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব সদস্যদের মধ্যে তিনিই ভাগ করে দিতেন।' মেজর জিয়া আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার নেতা। তিনি ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সেনা অভ্যুত্থানে প্ররোচনা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর থেকে তিনি পলাতক। পরে সেনাবাহিনী থেকে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ। ডিবির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, 'শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর কমলাপুর থেকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দীপন ও নিলয় হত্যার সঙ্গে জড়িত।' তিনি বলেন, 'গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম খাইরুল ইসলাম (২৪)। তিনি জামিল, রিফাত, ফাহিম ও জিসান নামেও পরিচিত। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার চণ্ডীপুরে।' আবদুল বাতেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে খাইরুল জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে 'বড় ভাই' মেজর জিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমেই তিনি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেন। ২০১৪ সাল থেকে সংগঠনের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে আসছিলেন খাইরুল। তিনি ইন্টারনেটে নজরদারি করতেন। তথ্য বিশ্লেষণ করতেন। সম্ভাব্য টার্গেটের বিষয়ে বড় ভাইকে তথ্য জানাতেন। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে 'টার্গেট' ঠিক করতেন বড় ভাই মেজর জিয়া। পরে টার্গেটের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হতো। বড় ভাইকে তা জানানো হতো। ডিবির দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে খাইরুল জানিয়েছেন, মেজর জিয়ার নির্দেশেই দীপন ও নিলয়কে হত্যা করা করা হয়। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (আনসার আল ইসলাম) ওই খুনের দায় স্বীকার করে। একই বছরের ৭ আগস্ট রাজধানীর গোড়ানে নিজ বাসায় ব্লগার নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে এ হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ (একিউআইএস) শাখা।

Comments

Comments!

 সব ব্লগার হত্যার নির্দেশদাতা মেজর জিয়া: ডিবিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সব ব্লগার হত্যার নির্দেশদাতা মেজর জিয়া: ডিবি

Saturday, November 12, 2016 7:22 pm

এখন পর্যন্ত যত ব্লগার হত্যার ঘটনা ঘটেছে, তার সবগুলোই হয়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) নেতা চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের নির্দেশে।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন এ কথা জানান।

প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন ও ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যার ঘটনায় এবিটির এক সদস্যকে গ্রেফতারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

আদুল বাতেন বলেন, ‘ব্লগার হত্যার প্রত্যেকটি ঘটনাই জিয়ার নির্দেশে হয়েছে। হত্যা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব সদস্যদের মধ্যে তিনিই ভাগ করে দিতেন।’

মেজর জিয়া আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার নেতা। তিনি ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সেনা অভ্যুত্থানে প্ররোচনা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর থেকে তিনি পলাতক। পরে সেনাবাহিনী থেকে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।

ডিবির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, ‘শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর কমলাপুর থেকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দীপন ও নিলয় হত্যার সঙ্গে জড়িত।’

তিনি বলেন, ‘গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম খাইরুল ইসলাম (২৪)। তিনি জামিল, রিফাত, ফাহিম ও জিসান নামেও পরিচিত। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার চণ্ডীপুরে।’

আবদুল বাতেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে খাইরুল জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে ‘বড় ভাই’ মেজর জিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমেই তিনি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেন।

২০১৪ সাল থেকে সংগঠনের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে আসছিলেন খাইরুল। তিনি ইন্টারনেটে নজরদারি করতেন। তথ্য বিশ্লেষণ করতেন। সম্ভাব্য টার্গেটের বিষয়ে বড় ভাইকে তথ্য জানাতেন।

এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ‘টার্গেট’ ঠিক করতেন বড় ভাই মেজর জিয়া। পরে টার্গেটের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হতো। বড় ভাইকে তা জানানো হতো।

ডিবির দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে খাইরুল জানিয়েছেন, মেজর জিয়ার নির্দেশেই দীপন ও নিলয়কে হত্যা করা করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (আনসার আল ইসলাম) ওই খুনের দায় স্বীকার করে।

একই বছরের ৭ আগস্ট রাজধানীর গোড়ানে নিজ বাসায় ব্লগার নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে এ হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ (একিউআইএস) শাখা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X