মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:২৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, January 10, 2017 6:00 pm | আপডেটঃ January 10, 2017 6:01 PM
A- A A+ Print

সম্প্রতি ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে : জাতিসংঘ

166084_1

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবিহনীর অভিযানে অন্তত ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সম্প্রতি জাতিসংঘ এ তথ্য প্রকাশ করার পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন মানবাধিকার গ্রুপগুলো বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার রয়েছে। তবে মিয়ানমার সরকার বরাবরই বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। এদিকে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হয়ে আসা ইয়াঘি লিকে রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। তবে তার পরিদর্শন এলাকা ছিল সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত। এরই মধ্যে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা জানিয়েছে, ২২ হাজার নতুন রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘের মানবিকবিষয়ক সমন্বয় দফতর জানায়, ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৫ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কক্সবাজার এলাকার নিবন্ধিত ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। গত তিন মাস আগে মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বর্ডার পুলিশ রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সীমানায় রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা সদস্যরা তাদের ওপর নিজ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পরিচালিত বর্বর নির্যাতনের বর্ণনা দেন। তারা বলেন, হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে তাদের দেশ ছাড়া হতে বাধ্য করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দেশটির গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী অং সান সুচির নতুন সরকার বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিশেষত মুসলিম প্রধান দেশ মালয়েশিয়া রোহিঙ্গাদের ওপর পরিচালিত নির্যাতনের কঠোর সমালোচনায় বেকায়দায় পড়েছে মিয়ানমার। তবে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার সরকার। তারা এসব অভিযোগকে বানোয়াট বলে উল্লেখ করেছে। পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে তদন্ত পরিচালনা করছে। এ কমিশন গত সপ্তাহে তাদের অন্তবর্তী রিপোর্ট পেশ করে। এতে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী কর্তৃক গণহত্যা ও ধর্মীয় নিপীড়নের তেমন কোনো প্রমাণ মেলেনি। এমনকি ধর্ষণের মতো ঘটনারও তেমন অভিযোগ পায়নি কমিশন।

Comments

Comments!

 সম্প্রতি ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে : জাতিসংঘAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সম্প্রতি ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে : জাতিসংঘ

Tuesday, January 10, 2017 6:00 pm | আপডেটঃ January 10, 2017 6:01 PM
166084_1

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবিহনীর অভিযানে অন্তত ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘ এ তথ্য প্রকাশ করার পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করেছে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন মানবাধিকার গ্রুপগুলো বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার রয়েছে। তবে মিয়ানমার সরকার বরাবরই বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হয়ে আসা ইয়াঘি লিকে রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। তবে তার পরিদর্শন এলাকা ছিল সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত।

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা জানিয়েছে, ২২ হাজার নতুন রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিকবিষয়ক সমন্বয় দফতর জানায়, ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৫ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কক্সবাজার এলাকার নিবন্ধিত ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে।

গত তিন মাস আগে মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বর্ডার পুলিশ রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ সীমানায় রোহিঙ্গাদের ঢল নামে।

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা সদস্যরা তাদের ওপর নিজ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পরিচালিত বর্বর নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

তারা বলেন, হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে তাদের দেশ ছাড়া হতে বাধ্য করা হয়েছে।

এসব ঘটনায় দেশটির গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী অং সান সুচির নতুন সরকার বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছে।

বিশেষত মুসলিম প্রধান দেশ মালয়েশিয়া রোহিঙ্গাদের ওপর পরিচালিত নির্যাতনের কঠোর সমালোচনায় বেকায়দায় পড়েছে মিয়ানমার।

তবে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার সরকার। তারা এসব অভিযোগকে বানোয়াট বলে উল্লেখ করেছে।

পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে তদন্ত পরিচালনা করছে।

এ কমিশন গত সপ্তাহে তাদের অন্তবর্তী রিপোর্ট পেশ করে। এতে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী কর্তৃক গণহত্যা ও ধর্মীয় নিপীড়নের তেমন কোনো প্রমাণ মেলেনি। এমনকি ধর্ষণের মতো ঘটনারও তেমন অভিযোগ পায়নি কমিশন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X