মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, September 19, 2016 8:19 pm
A- A A+ Print

সম্ভাব্য যুদ্ধের মুখোমুখি পাক-ভারত, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক মোদির

153461_1

নয়া দিল্লি: ভারত-শাসিত কাশ্মীরের উরির একটি সেনা-ঘাটিতে একদল বন্দুকধারীর হামলায় ১৮ জন সৈন্য নিহত হবার পর পাকিস্তানে ভারতের সামরিক অভিযানের চাপ বাড়ছে। ভারত কিভাবে এর জবাব দেবে তা ঠিক করার জন্য দিল্লিতে সিনিয়র মন্ত্রীদের সাথে এক বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত তার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জয়েশ-এ-মুহম্মদ নামে একটি জঙ্গি গ্রুপ এই হামলা চালিয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং তার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানকেও একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলে আখ্যায়িত করেন - যদিও পাকিস্তান এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। ভারত এখন ধরেই নিচ্ছে উরিতে রবিবারের হামলার পেছনে পাকিস্তানের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিলো। পাকিস্তানকে একটা সমুচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে কড়া মন্তব্যটি ছিলো এরকম - ভারতীয়দের আমি আশ্বস্ত করছি, এই ঘৃণ্য হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তি পেতে হবে। রবিবারের হামলার সম্ভাব্য জবাব কি হতে পারে-তা নিয়ে মোদি আজ তার মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, সেনাপ্রধান এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেছেন। রাহুল বেদি লিখছেন, ভারতের নিরাপত্তা নীতির সাথে জড়িতদের একটি অংশ বিশ্বাস করেন, পাকিস্তানকে একটি শিক্ষা দেওয়া, বার্তা দেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। এই হামলার পর ভারতে পাকিস্তানবিরোধী তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে, তারা মনে করেন, পাকিস্তানের হাতে পারমাণবিক বোমা থাকলেও স্বল্প মাত্রার ঝটিকা একটি সামরিক অভিযান সম্বব। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লে জে বিজয় কাপুর বলেছেন, পাকিস্তানকে এখনই দেখাতে হবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্ষমতা কতটা। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও এই মতবাদের পক্ষে। কিন্তু রাহুল বেদি বলছেন, সেরকম অভিযানের পেছনে ঝুঁকি যে কতো মারাত্মক হতে পারে, তা নিয়ে হয়তো এই তত্ত্বের সমর্থকরা অতোটা ভাবেন না। তাছাড়া, রবিবারের হামলার পর ২৪ ঘণ্টারও বেশি পার হয়ে গেছে। ফলে সে ধরনের ঝটিকা সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে গেছে। আমেরিকা এবং অন্যান্য বিশ্ব শক্তি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে কথা বলতে শুরু করে দিয়েছে। বিশ্লেষক রাহুল বেদি বলছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর বর্তমান কম্যান্ডের একাংশ মনে করেন, সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর আস্তানায় স্পেশাল ফোর্স দিয়ে হামলা করা সম্ভব। সম্প্রতি মিয়ানমারের ভেতরে নাগা বিদ্রোহীদের দুটো আস্তানায় সেরকম অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তানকে রবিবারের হামলার জন্য দোষারোপ করে তাদের শিক্ষা দেওয়ার উপায় নিয়ে যখন ভারতীয়রা যখন ব্যতিব্যস্ত, পাকিস্তান তখন ক্রমাগত হামলার সাথে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই দাবি করছে। পাকিস্তানের একজন সরকারি মুখপাত্র বলেছেন, কিছু হলেই প্রথা মাফিক দোষারোপ না করে ভারতের উচিৎ হামলার তদন্ত করা। এছাড়া পাকিস্তান বলছে, এ নিয়ে ভারত কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে। বিবিসি ও হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে
 

Comments

Comments!

 সম্ভাব্য যুদ্ধের মুখোমুখি পাক-ভারত, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক মোদিরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সম্ভাব্য যুদ্ধের মুখোমুখি পাক-ভারত, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক মোদির

Monday, September 19, 2016 8:19 pm
153461_1

নয়া দিল্লি: ভারত-শাসিত কাশ্মীরের উরির একটি সেনা-ঘাটিতে একদল বন্দুকধারীর হামলায় ১৮ জন সৈন্য নিহত হবার পর পাকিস্তানে ভারতের সামরিক অভিযানের চাপ বাড়ছে।

ভারত কিভাবে এর জবাব দেবে তা ঠিক করার জন্য দিল্লিতে সিনিয়র মন্ত্রীদের সাথে এক বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারত তার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জয়েশ-এ-মুহম্মদ নামে একটি জঙ্গি গ্রুপ এই হামলা চালিয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং তার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানকেও একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলে আখ্যায়িত করেন – যদিও পাকিস্তান এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

ভারত এখন ধরেই নিচ্ছে উরিতে রবিবারের হামলার পেছনে পাকিস্তানের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিলো।

পাকিস্তানকে একটা সমুচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে কড়া মন্তব্যটি ছিলো এরকম – ভারতীয়দের আমি আশ্বস্ত করছি, এই ঘৃণ্য হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তি পেতে হবে।

রবিবারের হামলার সম্ভাব্য জবাব কি হতে পারে-তা নিয়ে মোদি আজ তার মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, সেনাপ্রধান এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেছেন।

রাহুল বেদি লিখছেন, ভারতের নিরাপত্তা নীতির সাথে জড়িতদের একটি অংশ বিশ্বাস করেন, পাকিস্তানকে একটি শিক্ষা দেওয়া, বার্তা দেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে।

এই হামলার পর ভারতে পাকিস্তানবিরোধী তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে, তারা মনে করেন, পাকিস্তানের হাতে পারমাণবিক বোমা থাকলেও স্বল্প মাত্রার ঝটিকা একটি সামরিক অভিযান সম্বব। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লে জে বিজয় কাপুর বলেছেন, পাকিস্তানকে এখনই দেখাতে হবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্ষমতা কতটা।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও এই মতবাদের পক্ষে। কিন্তু রাহুল বেদি বলছেন, সেরকম অভিযানের পেছনে ঝুঁকি যে কতো মারাত্মক হতে পারে, তা নিয়ে হয়তো এই তত্ত্বের সমর্থকরা অতোটা ভাবেন না।

তাছাড়া, রবিবারের হামলার পর ২৪ ঘণ্টারও বেশি পার হয়ে গেছে। ফলে সে ধরনের ঝটিকা সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে গেছে।

আমেরিকা এবং অন্যান্য বিশ্ব শক্তি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে কথা বলতে শুরু করে দিয়েছে। বিশ্লেষক রাহুল বেদি বলছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর বর্তমান কম্যান্ডের একাংশ মনে করেন, সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর আস্তানায় স্পেশাল ফোর্স দিয়ে হামলা করা সম্ভব।

সম্প্রতি মিয়ানমারের ভেতরে নাগা বিদ্রোহীদের দুটো আস্তানায় সেরকম অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তানকে রবিবারের হামলার জন্য দোষারোপ করে তাদের শিক্ষা দেওয়ার উপায় নিয়ে যখন ভারতীয়রা যখন ব্যতিব্যস্ত, পাকিস্তান তখন ক্রমাগত হামলার সাথে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই দাবি করছে।

পাকিস্তানের একজন সরকারি মুখপাত্র বলেছেন, কিছু হলেই প্রথা মাফিক দোষারোপ না করে ভারতের উচিৎ হামলার তদন্ত করা। এছাড়া পাকিস্তান বলছে, এ নিয়ে ভারত কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

বিবিসি ও হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X