সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:১৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 24, 2016 11:06 pm
A- A A+ Print

সরকার আমাদের বুকে হাত দিয়েছে, সংগঠিত হতে হবে: ফখরুল

1459316069

ডেস্ক রিপোর্ট: মুদ্রাপাচার মামলায় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজার বিষয়টি উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এর মধ্যদিয়ে সরকার আমাদের ‘বুকের মধ্যে’ হাত দিয়েছে। তিনি বলেন, তারেক রহমান শুধু জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছেলে নন, তিনি বাংলাদেশের মানুষের ‘সবচেয়ে প্রিয় যে দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির দর্শনের একজন ধারক ও পতাকাধারী’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তারেক দণ্ডিত হওয়ার পর এখন ট্রাইব্যুনাল করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ‘দণ্ড দেওয়ার পাঁয়তারা’ চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন ফখরুল। এ থেকে রক্ষা পেতে নেতাকর্মীদের সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের মামলার আপিলের রায়ে গত বৃহস্পতিবার তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করে হাই কোর্ট। আড়াই বছর আগে এ মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে তারেক খালাস পেলেও অপর আসামি তার বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন মামুন দণ্ডিত হয়েছিলেন। আপিলে তারেকের দণ্ড হওয়ার প্রতিবাদে রোববার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সমাবেশের আয়োজন করে মহানগর বিএনপি। বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “তারেক রহমানের এই রায়ে আমরা ভীত নই, আমরা হতাশ হয়েছি, আমরা ক্ষুব্ধ। এই রায়ে এটাই প্রমাণ হয়েছে যে, তারা (সরকার) আমাদের বুকের মধ্যে হাত দিয়েছে। “কেন এই রায়? উদ্দেশ্য একটাই- শুধু তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া, নির্বাচন থেকে দূরে রাখা। আমরা বলতে চাই, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করে তারেক রহমানকে মুক্ত করে আনব ইনশাল্লাহ।” এখন খালেদা জিয়াসহ অন্যদের ‘ট্রাইব্যুনাল এর মাধ্যমে ‘দ্রুত সাজা’ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “জনাব তারেক রহমান সাহেবের মামলাগুলোর এই রায় দেওয়া চলছে শেষ পর্যায়ে। এরপর এক এক করে কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা-ই শুধু নয়, গ্রাম পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মামলাগুলো এই ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসবে।” ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে তিনটি ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “সেখানে আমাদের যু্বদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ, গ্রাম পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলাগুলো ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ অতি দ্রুত এই মামলাগুলোকে শেষ করার জন্য তারা ব্যবস্থা নিয়েছে। “এরপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সমস্ত নেতৃবৃন্দ এখানে আছেন। আমরা কেউই বাদ যাব না। আমাদের নেতাকর্মীরা কেউ বাদ যাচ্ছে না। তাদের হাত-পা-চোখ চলে গেছে।” দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ‘ধ্বংস’ এবং জাতীয়তাবাদী দর্শন ‘নিশ্চিহ্ন’ করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এসব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নেতাকর্মীদের ‘ঘরে বসে না থেকে জেগে উঠার’ আহ্বান জানান তিনি। “এখন আমাদের ঘরে বসে থাকবার সময় নেই। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এখন দলকে সংগঠিত করতে হবে। “পরস্পর পরস্পরের মধ্যে ছোট-খাটো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও ভেদাভেদ আছে, তা ভুলে গিয়ে ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে এবং সমগ্র জাতির ঐক্য সৃষ্টি করে আমাদের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। এই ভয়াবহ উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে- এটা হলো আমাদের একমাত্র কাজ।” আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবীর খোকন, আবদুল খায়ের বাবলু, শহীদউদ্দিন এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, শামীমুর রহমান শামীম, শহিদুল ইসলাম বাবুল, কাজী আবুল বাশার বক্তব্য রাখেন।

Comments

Comments!

 সরকার আমাদের বুকে হাত দিয়েছে, সংগঠিত হতে হবে: ফখরুলAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সরকার আমাদের বুকে হাত দিয়েছে, সংগঠিত হতে হবে: ফখরুল

Sunday, July 24, 2016 11:06 pm
1459316069

ডেস্ক রিপোর্ট: মুদ্রাপাচার মামলায় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজার বিষয়টি উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এর মধ্যদিয়ে সরকার আমাদের ‘বুকের মধ্যে’ হাত দিয়েছে।

তিনি বলেন, তারেক রহমান শুধু জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছেলে নন, তিনি বাংলাদেশের মানুষের ‘সবচেয়ে প্রিয় যে দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির দর্শনের একজন ধারক ও পতাকাধারী’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তারেক দণ্ডিত হওয়ার পর এখন ট্রাইব্যুনাল করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ‘দণ্ড দেওয়ার পাঁয়তারা’ চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন ফখরুল।

এ থেকে রক্ষা পেতে নেতাকর্মীদের সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের মামলার আপিলের রায়ে গত বৃহস্পতিবার তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করে হাই কোর্ট। আড়াই বছর আগে এ মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে তারেক খালাস পেলেও অপর আসামি তার বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন মামুন দণ্ডিত হয়েছিলেন।

আপিলে তারেকের দণ্ড হওয়ার প্রতিবাদে রোববার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সমাবেশের আয়োজন করে মহানগর বিএনপি।

বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “তারেক রহমানের এই রায়ে আমরা ভীত নই, আমরা হতাশ হয়েছি, আমরা ক্ষুব্ধ। এই রায়ে এটাই প্রমাণ হয়েছে যে, তারা (সরকার) আমাদের বুকের মধ্যে হাত দিয়েছে।

“কেন এই রায়? উদ্দেশ্য একটাই- শুধু তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া, নির্বাচন থেকে দূরে রাখা। আমরা বলতে চাই, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করে তারেক রহমানকে মুক্ত করে আনব ইনশাল্লাহ।”

এখন খালেদা জিয়াসহ অন্যদের ‘ট্রাইব্যুনাল এর মাধ্যমে ‘দ্রুত সাজা’ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “জনাব তারেক রহমান সাহেবের মামলাগুলোর এই রায় দেওয়া চলছে শেষ পর্যায়ে। এরপর এক এক করে কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা-ই শুধু নয়, গ্রাম পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মামলাগুলো এই ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসবে।”

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে তিনটি ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “সেখানে আমাদের যু্বদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ, গ্রাম পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলাগুলো ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ অতি দ্রুত এই মামলাগুলোকে শেষ করার জন্য তারা ব্যবস্থা নিয়েছে।

“এরপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সমস্ত নেতৃবৃন্দ এখানে আছেন। আমরা কেউই বাদ যাব না। আমাদের নেতাকর্মীরা কেউ বাদ যাচ্ছে না। তাদের হাত-পা-চোখ চলে গেছে।”

দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ‘ধ্বংস’ এবং জাতীয়তাবাদী দর্শন ‘নিশ্চিহ্ন’ করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এসব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নেতাকর্মীদের ‘ঘরে বসে না থেকে জেগে উঠার’ আহ্বান জানান তিনি।

“এখন আমাদের ঘরে বসে থাকবার সময় নেই। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এখন দলকে সংগঠিত করতে হবে।

“পরস্পর পরস্পরের মধ্যে ছোট-খাটো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও ভেদাভেদ আছে, তা ভুলে গিয়ে ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে এবং সমগ্র জাতির ঐক্য সৃষ্টি করে আমাদের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। এই ভয়াবহ উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে- এটা হলো আমাদের একমাত্র কাজ।”

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবীর খোকন, আবদুল খায়ের বাবলু, শহীদউদ্দিন এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, শামীমুর রহমান শামীম, শহিদুল ইসলাম বাবুল, কাজী আবুল বাশার বক্তব্য রাখেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X