রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:০১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, May 3, 2017 8:15 pm
A- A A+ Print

সরিয়ে দেয়া হলো কলকাতার বাংলাদেশ দূতকে, নানা গুঞ্জন

63909_f5

মেয়াদপূর্তির আগেই আকস্মিকভাবে সরিয়ে দেয়া হলো কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার জকি আহাদকে। অভিযোগ উঠেছে দুই বছরের বেশি সময় (২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে) পশ্চিমবঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ওই পদে থাকলেও বাংলাদেশের স্বার্থ-সুরক্ষায় তিনি যথাযথ নৈপুণ্য প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাছাড়া বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্য সুখকর নয় কলকাতার এমন কট্টরপন্থি নেতাদের সঙ্গে তার উঠাবসা এবং পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতাও কাল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মহাপরিচালক পদমর্যাদার চৌকস ওই কূটনীতিকের ভারত থেকে সরিয়ে চীনের কুনমিংয়ে কনসাল জেনারেল হিসেবে পদায়নের আদেশ জারির সত্যতা স্বীকার করেছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক। তবে তার বদলির বিষয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়ে সচিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সৌদি সফররত পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে গতকাল বিকালে মানবজমিন-এর পক্ষ থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়। জকি আহাদের আচমকা বদলি নিয়ে কলকাতার দ্য টেলিগ্রাফসহ বিভিন্ন বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে যেসব অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে তার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়। জবাবে সচিব বলেন, ‘কে কি লিখেছে তা নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। অন্য অনেকের সঙ্গে তারও (জকি আহাদের) বদলির আদেশ হয়েছে।’ গত ৩০শে এপ্রিল দ্য টেলিগ্রাফ ‘বাংলাদেশ এনভয় ইন সিটি শিফটেট’- শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়- সাধারণত কলকাতায় উপ-হাইকমিশনার পদে ঢাকার কূটনীতিকরা ৩ বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জকি আহাদের মেয়াদপূর্তির ৬ মাস আগেই বদলির আদেশ জারি হয়েছে। তার এ বদলি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশি ওই কূটনীতিক পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মমতা ব্যানার্জির আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ঢাকার বিদেশ বিষয়ক নীতি নির্ধারকরা তার সামপ্রতিক কিছু কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট ছিলেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে কলকাতার ওই রিপোর্ট বলা হয়- পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাষা এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনের কারণে কলকাতাকে বাংলাদেশের কূটনীতিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র হিসেবে দেখা হয়। সেখানে কূটনৈতিক সার্ভিসের মধ্যে সবচেয়ে চৌকস এবং মেধাবী অফিসারদেরই নিয়োগ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে আগে সেখান থেকে কাউকে সরিয়ে দেয়া বা ফিরিয়ে আনা হলে তা যে কারও দৃষ্টি আকৃষ্ট করে। তবে বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে নির্ধারিত সময়ের আগে কাউকে ফেরত আনা বা তার মেয়াদ বাড়ানোর ঘটনা অস্বাভাবিক বা আনকমন নয় বলেও মন্তব্য করে ঢাকার নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা। আহাদ ম্যানেজমেন্ট গ্র্যাজুয়েট। কলকতায় পদায়নের আগে তিনি নেদারল্যান্ড, চীন এবং বৃটেনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। টেলিগ্রাফের রিপোর্টে জকি আহাদের আগে কলকাতায় দায়িত্বপালনকারী এক কূটনীতিকের সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়- তিনি তার পূর্বসূরির চেয়ে ব্যতিক্রম ছিলেন। অন্তত মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় নবান্নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে। যদিও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই না হওয়ায় কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল যাচ্ছে। ২০১১ সালে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিটি প্রায় চূড়ান্ত হলেও মমতার আপত্তির কারণে তা ঝুলে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত এপ্রিলের দিল্লি সফরেও এ নিয়ে খুব বেশি অগ্রগতি আসেনি। রিপোর্টে বলা হয়- বাংলাদেশি কূটনীতিক জকি আহাদ তার গানের গলা এবং সরকারের বেশির ভাগ আয়োজনে নিয়মিত উপস্থিতি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে তার এক ধরনের গুডউইল অর্জন করেছিলেন। নবান্নের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও  তিনি বাংলাদেশের স্বার্থটা তুলে ধরতে পারেননি। রিপোর্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়- জকি আহাদের সামপ্রতিক কিছু কার্যক্রমে ঢাকা তার ওপর খুশি ছিল না। তিনি কলকাতার হার্ড লাইন বা কট্টরপন্থি নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেটিও তার আচমকা বদলির কারণ হতে পারে মন্তব্য করে রিপোর্টে বলা হয়- কট্টরপন্থিরা শেখ হাসিনা জন্য চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি ধর্ম নিরপেক্ষ এবং উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। বর্তমান সরকারের রিরোধী বিএনপি এবং জামায়াত জোট প্রায়শই ওই কট্টপন্থিদের ব্যবহার করে ভারত রিরোধী কার্ড খেলে এবং সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। আগামী বছরে বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কথা রয়েছে উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়- কলকাতার কট্টরপন্থিদের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন কূটনীতিকের কথিত যোগসূত্র সরকারের জন্য সু-খবর হতে পারে না। সূত্রের বরাতে ওই রিপোর্ট বলা হয়- বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা নিয়মিতভাবে কলকাতা সফর করেন। কিন্তু অনেকের সঙ্গেই ডেপুটি হাইকমিশনারের ততটা উষ্ণতা ছিল না। উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত কূটনীতিক তৌফিক হাসানকে কলকাতায় পরবর্তী উপ-হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কলকাতা মিশনের কাউন্সেলর ও চ্যান্সারি প্রধান মিঞা মাঈনুল কবিরকেও বদলি করা হয়েছে। তাছাড়া, দিল্লিতে নিযুক্ত উপ- হাইকমিশনার সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে বেইজিং মিশনের উপরাষ্ট্রদূত, কুনমিং-এর কনসাল জেনারেল দাউদ আলীকে ঢাকায় এবং দক্ষিণ এশিয়া ও অনু বিভাগের পরিচালক রাহাত বিন জামানকে অস্ট্রিয়া মিশনে বদলি করা হয়েছে।

Comments

Comments!

 সরিয়ে দেয়া হলো কলকাতার বাংলাদেশ দূতকে, নানা গুঞ্জনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সরিয়ে দেয়া হলো কলকাতার বাংলাদেশ দূতকে, নানা গুঞ্জন

Wednesday, May 3, 2017 8:15 pm
63909_f5

মেয়াদপূর্তির আগেই আকস্মিকভাবে সরিয়ে দেয়া হলো কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার জকি আহাদকে। অভিযোগ উঠেছে দুই বছরের বেশি সময় (২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে) পশ্চিমবঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ওই পদে থাকলেও বাংলাদেশের স্বার্থ-সুরক্ষায় তিনি যথাযথ নৈপুণ্য প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাছাড়া বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্য সুখকর নয় কলকাতার এমন কট্টরপন্থি নেতাদের সঙ্গে তার উঠাবসা এবং পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতাও কাল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মহাপরিচালক পদমর্যাদার চৌকস ওই কূটনীতিকের ভারত থেকে সরিয়ে চীনের কুনমিংয়ে কনসাল জেনারেল হিসেবে পদায়নের আদেশ জারির সত্যতা স্বীকার করেছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক। তবে তার বদলির বিষয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে তা নিয়ে সচিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সৌদি সফররত পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে গতকাল বিকালে মানবজমিন-এর পক্ষ থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয়। জকি আহাদের আচমকা বদলি নিয়ে কলকাতার দ্য টেলিগ্রাফসহ বিভিন্ন বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে যেসব অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে তার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়। জবাবে সচিব বলেন, ‘কে কি লিখেছে তা নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। অন্য অনেকের সঙ্গে তারও (জকি আহাদের) বদলির আদেশ হয়েছে।’ গত ৩০শে এপ্রিল দ্য টেলিগ্রাফ ‘বাংলাদেশ এনভয় ইন সিটি শিফটেট’- শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়- সাধারণত কলকাতায় উপ-হাইকমিশনার পদে ঢাকার কূটনীতিকরা ৩ বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জকি আহাদের মেয়াদপূর্তির ৬ মাস আগেই বদলির আদেশ জারি হয়েছে। তার এ বদলি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশি ওই কূটনীতিক পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মমতা ব্যানার্জির আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ঢাকার বিদেশ বিষয়ক নীতি নির্ধারকরা তার সামপ্রতিক কিছু কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট ছিলেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে কলকাতার ওই রিপোর্ট বলা হয়- পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাষা এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনের কারণে কলকাতাকে বাংলাদেশের কূটনীতিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র হিসেবে দেখা হয়। সেখানে কূটনৈতিক সার্ভিসের মধ্যে সবচেয়ে চৌকস এবং মেধাবী অফিসারদেরই নিয়োগ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে আগে সেখান থেকে কাউকে সরিয়ে দেয়া বা ফিরিয়ে আনা হলে তা যে কারও দৃষ্টি আকৃষ্ট করে। তবে বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে নির্ধারিত সময়ের আগে কাউকে ফেরত আনা বা তার মেয়াদ বাড়ানোর ঘটনা অস্বাভাবিক বা আনকমন নয় বলেও মন্তব্য করে ঢাকার নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা। আহাদ ম্যানেজমেন্ট গ্র্যাজুয়েট। কলকতায় পদায়নের আগে তিনি নেদারল্যান্ড, চীন এবং বৃটেনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। টেলিগ্রাফের রিপোর্টে জকি আহাদের আগে কলকাতায় দায়িত্বপালনকারী এক কূটনীতিকের সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়- তিনি তার পূর্বসূরির চেয়ে ব্যতিক্রম ছিলেন। অন্তত মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় নবান্নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে। যদিও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই না হওয়ায় কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল যাচ্ছে। ২০১১ সালে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিটি প্রায় চূড়ান্ত হলেও মমতার আপত্তির কারণে তা ঝুলে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত এপ্রিলের দিল্লি সফরেও এ নিয়ে খুব বেশি অগ্রগতি আসেনি। রিপোর্টে বলা হয়- বাংলাদেশি কূটনীতিক জকি আহাদ তার গানের গলা এবং সরকারের বেশির ভাগ আয়োজনে নিয়মিত উপস্থিতি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে তার এক ধরনের গুডউইল অর্জন করেছিলেন। নবান্নের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও  তিনি বাংলাদেশের স্বার্থটা তুলে ধরতে পারেননি। রিপোর্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়- জকি আহাদের সামপ্রতিক কিছু কার্যক্রমে ঢাকা তার ওপর খুশি ছিল না। তিনি কলকাতার হার্ড লাইন বা কট্টরপন্থি নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেটিও তার আচমকা বদলির কারণ হতে পারে মন্তব্য করে রিপোর্টে বলা হয়- কট্টরপন্থিরা শেখ হাসিনা জন্য চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি ধর্ম নিরপেক্ষ এবং উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। বর্তমান সরকারের রিরোধী বিএনপি এবং জামায়াত জোট প্রায়শই ওই কট্টপন্থিদের ব্যবহার করে ভারত রিরোধী কার্ড খেলে এবং সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। আগামী বছরে বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কথা রয়েছে উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়- কলকাতার কট্টরপন্থিদের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন কূটনীতিকের কথিত যোগসূত্র সরকারের জন্য সু-খবর হতে পারে না। সূত্রের বরাতে ওই রিপোর্ট বলা হয়- বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা নিয়মিতভাবে কলকাতা সফর করেন। কিন্তু অনেকের সঙ্গেই ডেপুটি হাইকমিশনারের ততটা উষ্ণতা ছিল না।
উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত কূটনীতিক তৌফিক হাসানকে কলকাতায় পরবর্তী উপ-হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কলকাতা মিশনের কাউন্সেলর ও চ্যান্সারি প্রধান মিঞা মাঈনুল কবিরকেও বদলি করা হয়েছে। তাছাড়া, দিল্লিতে নিযুক্ত উপ- হাইকমিশনার সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে বেইজিং মিশনের উপরাষ্ট্রদূত, কুনমিং-এর কনসাল জেনারেল দাউদ আলীকে ঢাকায় এবং দক্ষিণ এশিয়া ও অনু বিভাগের পরিচালক রাহাত বিন জামানকে অস্ট্রিয়া মিশনে বদলি করা হয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X