রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, September 7, 2016 8:56 am
A- A A+ Print

সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে জিয়ার স্বাধীনতা পদক

152503_1

ঢাকা: জাতীয় জাদুঘরে আর থাকছে না প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কারের পদক। ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। দু-এক দিনের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই পদক ফেরত নেবে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদে পদকটি জাতীয় জাদুঘরে পাঠানো হয়েছিল। সে সময় পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র কোনো উত্তরাধিকারকে না দিয়ে জাতীয় জাদুঘরের একটি কর্নারে যথাযোগ্য মর্যাদায় সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন বিরোধী দলে থাকা আওয়ামী লীগ এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে পুরস্কার দেওয়ায় আপত্তি তোলে দলটি। গত ২৪ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে জাতীয় পুরস্কার-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের পাশাপাশি জাতীয় জাদুঘর থেকে ওই পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র সরিয়ে ফেলার সুপারিশ করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানায়, জাতীয় জাদুঘরকে মেডেল ও সম্মাননাপত্র ফেরত দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর আগেও আরেক চিঠিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কবে, কীভাবে জিয়াউর রহমানের পদকটি জাতীয় জাদুঘরে আসে, তা জানতে চেয়েছিল। পদক ফেরত দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় জাদুঘরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক একরাম আহমেদ বলেন, মহাপরিচালকের অনুপস্থিতিতে তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কয়েক দিনের জন্য দায়িত্ব পালন করছেন। পদকের বিষয়ে আলোচনার জন্য বুধবার তাকে জাদুঘরে যেতে বলা হয়েছে। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না। জাতীয় জাদুঘরের সচিব রমজান আলী বলেন, পদকটি চাওয়া হলে তা দেওয়ার জন্য জাদুঘর প্রস্তুত আছে। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জাদুঘরের কিপার স্বপন কুমার বিশ্বাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাদুঘরের একজন কর্মকর্তা জানান, জোট সরকারের সময়ে বঙ্গভবনের তোশাখানা থেকে পুরস্কারটি জাতীয় জাদুঘরে এসেছিল। এটি এখন গুদামে সংরক্ষিত আছে। তিনি জানান, জাদুঘরে প্রায় ৯৫ হাজার নিদর্শন আছে। এর মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার প্রদর্শন করা যায়, বাকি নিদর্শন গুদামে থাকে। জিয়াউর রহমানকে দেওয়া ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রত্যাহারে সরকারের মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্তে উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে বিএনপি। গত ২৬ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ সরকার ঐক্যের রাজনীতিকে সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়ে গোটা জাতিকে বিভক্ত করে দিয়েছে। অন্যদিকে গত ২৭ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ছোট করার জন্যই তার সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। ১৯৭৭ সাল থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার।
 

Comments

Comments!

 সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে জিয়ার স্বাধীনতা পদকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে জিয়ার স্বাধীনতা পদক

Wednesday, September 7, 2016 8:56 am
152503_1

ঢাকা: জাতীয় জাদুঘরে আর থাকছে না প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কারের পদক। ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।

দু-এক দিনের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই পদক ফেরত নেবে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদে পদকটি জাতীয় জাদুঘরে পাঠানো হয়েছিল।

সে সময় পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র কোনো উত্তরাধিকারকে না দিয়ে জাতীয় জাদুঘরের একটি কর্নারে যথাযোগ্য মর্যাদায় সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন বিরোধী দলে থাকা আওয়ামী লীগ এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে পুরস্কার দেওয়ায় আপত্তি তোলে দলটি।

গত ২৪ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে জাতীয় পুরস্কার-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের পাশাপাশি জাতীয় জাদুঘর থেকে ওই পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র সরিয়ে ফেলার সুপারিশ করে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানায়, জাতীয় জাদুঘরকে মেডেল ও সম্মাননাপত্র ফেরত দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর আগেও আরেক চিঠিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কবে, কীভাবে জিয়াউর রহমানের পদকটি জাতীয় জাদুঘরে আসে, তা জানতে চেয়েছিল।

পদক ফেরত দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় জাদুঘরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক একরাম আহমেদ বলেন, মহাপরিচালকের অনুপস্থিতিতে তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কয়েক দিনের জন্য দায়িত্ব পালন করছেন। পদকের বিষয়ে আলোচনার জন্য বুধবার তাকে জাদুঘরে যেতে বলা হয়েছে। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না।

জাতীয় জাদুঘরের সচিব রমজান আলী বলেন, পদকটি চাওয়া হলে তা দেওয়ার জন্য জাদুঘর প্রস্তুত আছে। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি। জাদুঘরের কিপার স্বপন কুমার বিশ্বাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাদুঘরের একজন কর্মকর্তা জানান, জোট সরকারের সময়ে বঙ্গভবনের তোশাখানা থেকে পুরস্কারটি জাতীয় জাদুঘরে এসেছিল। এটি এখন গুদামে সংরক্ষিত আছে। তিনি জানান, জাদুঘরে প্রায় ৯৫ হাজার নিদর্শন আছে। এর মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার প্রদর্শন করা যায়, বাকি নিদর্শন গুদামে থাকে।

জিয়াউর রহমানকে দেওয়া ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রত্যাহারে সরকারের মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্তে উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে বিএনপি।

গত ২৬ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ সরকার ঐক্যের রাজনীতিকে সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়ে গোটা জাতিকে বিভক্ত করে দিয়েছে।

অন্যদিকে গত ২৭ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ছোট করার জন্যই তার সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার।

১৯৭৭ সাল থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X