শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:১৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, October 26, 2016 7:12 am
A- A A+ Print

সাংবাদিকতায় গিয়াস কামাল এক অবিস্মরণীয় নাম

157622_1

ঢাকা: প্রখ্যাত সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী বুধবার। ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে গিয়াস কামাল চৌধুরী এক অবিস্মরণীয় নাম। গিয়াস কামাল চৌধুরী একাধারে সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, কলামিস্ট ও সংবাদ বিশ্লেষক ছিলেন। রাজনীতিসচেতন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে সাংবাদিক সমাজে তার পরিচিতি ছিল ব্যাপক। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী ছিলেন তিনি। পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক ও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাবরণ করেন তিনি। বিএফইউজে, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বদানসহ তিনি বাংলাদেশের হয়ে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে কূটনীতিকের দায়িত্বও পালন করেন। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদক পান তিনি। গিয়াস কামাল চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস ফেনী সদর উপজেলার শর্শদীতে। তবে তার জন্ম ১৯৩৯ সালের ২১ জুলাই চট্টগ্রামে। কুমিল্লার বিখ্যাত দারোগা বাড়িতে তার বেড়ে ওঠা। প্রাবন্ধিক মোতাহার হোসেন চৌধুরী ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খশরু ছিলেন তার চাচা। তার মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরাণী ছিলেন কবি। ‘চির সুমধুর’ নামে তার একটি কবিতা সংকলন রয়েছে। গিয়াস কামাল চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি নেওয়ার পর সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা করেন। ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অপরাধে পাকিস্তান আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও হয়েছেন। গিয়াস কামাল চৌধুরীর সাংবাদিকতা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে, ইত্তেফাক গ্রুপের ঢাকা টাইমস পত্রিকায়। পরবর্তী সময়ে তিনি ইংরেজি দৈনিক মর্নিং নিউজ পত্রিকার আইন প্রদায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি ভয়েস অব আমেরিকাসহ (ভোয়া) দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা ও সংবাদ সংস্থায় কাজ করেছেন। ১৯৮০-র এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ভয়েস অব আমেরিকায় তার বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য রিপোর্টের জন্য বাংলাদেশের মানুষ উন্মুখ হয়ে থাকতেন। সর্বশেষ দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ইকোনমিক মিনিস্টারের দায়িত্ব পালন করেন। জীবদ্দশায় একাধিক মেয়াদে তিনি ডিইউজে (ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন), বিএফইউজে (বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন) ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একটা সময় ছিল, গিয়াস কামাল চৌধুরীকে ছাড়া বাংলাদেশের চলত না। কারণ সভা-সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে, মিছিলে, স্লোগানে গিয়াস কামাল ছিলেন অনিবার্য নাম। সাংবাদিকদের রুটি-রুজির সংগ্রামে গিয়াস কামাল ছিলেন প্রথম কাতারের নেতা। গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি রেখেছেন অনন্য ভূমিকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণসহ জাতীয় গণতান্ত্রিক ও পেশাজীবীদের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক হিসেবে সাংবাদিক সমাজে শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে এ দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য আজীবন তার কলম সচল রেখেছেন। কারাগারেও যেতে হয়েছে একাধিকবার। ১৯৯৩ সালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন গিয়াস কামাল চৌধুরী। উন্নত চিকিৎসার পরও সুস্থতা ফিরে পাননি। পরবর্তী সময়ে তিনি দুরারোগ্য পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হন। ২০১১ সালে এ রোগ তার স্মৃতিশক্তি ও স্বাভাবিক জীবনকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই তার ফুসফুসের অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যায়। বেশ কিছুদিন ধরেই গিয়াস কামালকে আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। একই বছর ২৬ অক্টোবর শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে তিনি ইন্তকাল করেন। গিয়াস কামাল চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার  সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সাংবাদিকদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বিএফইউজের মহাসচিব এম. আব্দুল্লাহ।
 

Comments

Comments!

 সাংবাদিকতায় গিয়াস কামাল এক অবিস্মরণীয় নামAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সাংবাদিকতায় গিয়াস কামাল এক অবিস্মরণীয় নাম

Wednesday, October 26, 2016 7:12 am
157622_1

ঢাকা: প্রখ্যাত সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী বুধবার। ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে গিয়াস কামাল চৌধুরী এক অবিস্মরণীয় নাম।

গিয়াস কামাল চৌধুরী একাধারে সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, কলামিস্ট ও সংবাদ বিশ্লেষক ছিলেন। রাজনীতিসচেতন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে সাংবাদিক সমাজে তার পরিচিতি ছিল ব্যাপক। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর অনুসারী ছিলেন তিনি।

পাকিস্তান আমলে গণতান্ত্রিক ও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাবরণ করেন তিনি। বিএফইউজে, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বদানসহ তিনি বাংলাদেশের হয়ে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে কূটনীতিকের দায়িত্বও পালন করেন। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদক পান তিনি।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস ফেনী সদর উপজেলার শর্শদীতে। তবে তার জন্ম ১৯৩৯ সালের ২১ জুলাই চট্টগ্রামে। কুমিল্লার বিখ্যাত দারোগা বাড়িতে তার বেড়ে ওঠা। প্রাবন্ধিক মোতাহার হোসেন চৌধুরী ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খশরু ছিলেন তার চাচা। তার মা মুনীর আখতার খাতুন চৌধুরাণী ছিলেন কবি। ‘চির সুমধুর’ নামে তার একটি কবিতা সংকলন রয়েছে।

গিয়াস কামাল চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি নেওয়ার পর সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা করেন। ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অপরাধে পাকিস্তান আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও হয়েছেন।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর সাংবাদিকতা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে, ইত্তেফাক গ্রুপের ঢাকা টাইমস পত্রিকায়। পরবর্তী সময়ে তিনি ইংরেজি দৈনিক মর্নিং নিউজ পত্রিকার আইন প্রদায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি ভয়েস অব আমেরিকাসহ (ভোয়া) দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা ও সংবাদ সংস্থায় কাজ করেছেন। ১৯৮০-র এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ভয়েস অব আমেরিকায় তার বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য রিপোর্টের জন্য বাংলাদেশের মানুষ উন্মুখ হয়ে থাকতেন। সর্বশেষ দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ইকোনমিক মিনিস্টারের দায়িত্ব পালন করেন।

জীবদ্দশায় একাধিক মেয়াদে তিনি ডিইউজে (ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন), বিএফইউজে (বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন) ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একটা সময় ছিল, গিয়াস কামাল চৌধুরীকে ছাড়া বাংলাদেশের চলত না। কারণ সভা-সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে, মিছিলে, স্লোগানে গিয়াস কামাল ছিলেন অনিবার্য নাম। সাংবাদিকদের রুটি-রুজির সংগ্রামে গিয়াস কামাল ছিলেন প্রথম কাতারের নেতা। গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি রেখেছেন অনন্য ভূমিকা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণসহ জাতীয় গণতান্ত্রিক ও পেশাজীবীদের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক হিসেবে সাংবাদিক সমাজে শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে এ দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য আজীবন তার কলম সচল রেখেছেন। কারাগারেও যেতে হয়েছে একাধিকবার।

১৯৯৩ সালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন গিয়াস কামাল চৌধুরী। উন্নত চিকিৎসার পরও সুস্থতা ফিরে পাননি। পরবর্তী সময়ে তিনি দুরারোগ্য পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হন। ২০১১ সালে এ রোগ তার স্মৃতিশক্তি ও স্বাভাবিক জীবনকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই তার ফুসফুসের অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যায়। বেশ কিছুদিন ধরেই গিয়াস কামালকে আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। একই বছর ২৬ অক্টোবর শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে তিনি ইন্তকাল করেন।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার  সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সাংবাদিকদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বিএফইউজের মহাসচিব এম. আব্দুল্লাহ।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X