বুধবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 16, 2017 6:07 pm | আপডেটঃ July 16, 2017 6:20 PM
A- A A+ Print

সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তি চাই : আদালতে মাহমুদুর রহমান

download

সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ওশাস্তি চাই : আদালতে মাহমুদুর রহমান আমার দেশ সম্পাদক  মাহমুদুর রহমান বলেছেন, তাকে হয়রাণী করার জন্য সম্পুর্ণ উদ্যেশ্যমূলকভাবে গাড়ী পোড়ানোর মামলায় আসামী করা হয়েছে। রোববার (১৬ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত সিএমএম আদালতে মামলাটির চার্জশীট গ্রহনের শুনানী নিজেই করেন মাহমুদুর রহমান। এসময় তিনি তাকে মামলা থেকে খালাস দিয়ে এই সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় শাস্তির দাবী করেন। তিনি বলেন, এই মামলার এজহারে কোথাও আমার নাম নেই। বাদী কোথাও আমার নাম উল্লেখ করেননি। মামলার দুই জন সাক্ষীও আমার নাম উল্লেখ করেননি। এরপরও পুলিশ চার্জশীটে সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে আমার নাম অর্ন্তভুক্ত করেছে। তিনি বলেন, কোনো আসামীর নাম ‘সন্ধিগ্ধ’ হিসেবে চার্জশীটে আনা যায়না। গতকাল একই আদালতে আরও দু’টি মামলা ২০১০ সালের ২ জুন ভোরে োকে প্রথম দফায় গ্রেফতারের দিনে পুলিশি কাজে বাধা দেয়ার মামলা এবং পরে আদালতে হাজিরের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার আরেকটি মামলা । মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে। শুনানিকালে মাহমুদুর রহমান বলেন, এই মামলার অপর আসামীদেও পরিচয়, রাজনৈতিক পদবী ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু চার্জশীটে উল্লেখিত মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমানের কোনো পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। আমার নাম মাহমুদুর রহমান। আগে পিছে কিছু নেই। ২০১৩ সালে যখন মামলাটি দায়ের হয় তখন আমার বয়স ছিলো ৬০ বছর। কিন্তু এখানে চার্জশীটে উল্লেখ করা হয়েছে মুহাম্মদ মাহমুদর রহমান। বয়স লেখা হয়েছে ৫৭। তিনি আদালতের উদ্দেশ্য বলেন, এই মাহমুদুর রহমান আমি কোন অবস্থাতেই হতে পারি না। কারন আমি জ্বালানি উপদেষ্টা ছিলাম, বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ছিলাম, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক । আমি বুয়েট থেকে পাশ করা একজন প্রকৌশলী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ করা। আমার এতগুলি পরিচয় থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আমার কোন পরিচয় উল্লেখ করিনি। তিনি আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাকে চার্জশীটে বলা হয়েছে গ্রেফতারকৃত আসামী। আমি এই মামলায় গ্রেফতার হয়নি। আমাকে শোন অ্যারেক্ট দেখানো হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় আমার রিমান্ড মঞ্জুর করার ৮ মাস পর রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়বার যখন রিমান্ডের অর্ডার নেয়া হয় তখন আমাকে আদালাতে হাজির করা হয়নি। অথচ হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে কোন আসামীর রিমান্ড মঞ্জুর করতে হলে তাকে আদালতে হাজির করা আবশ্যক। এসময় তিনি তার যুক্তির পক্ষে হাইকোর্ট ও আপীল বিভার তিনটি নির্দেশনা আদালতে তুলে ধরেন এবং তাকে হয়রানিমূলক এই মামলা থেকে অব্যহতি দিয়ে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় শাস্তি দাবী করেন। এসময় মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী অ্যাডকোটে ছানাহ উল্লাহ মিয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আমার দেশ এর নির্বাহী সম্পাদক  সৈয়দ আবদাল আহমদ, আমার দেশের বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সহযোগী সম্পাদক সঞ্জীব চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেসবাহসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। রাষ্টপক্ষে মামলার শুনানী করেন সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) । আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কারওয়ান বাজারে নিজ কার্যালয়ে পুলিশের নজরবন্দী থানা অবস্থায় ২০১৩ সালের মৎসভবন এলাকায় একটি ট্যাক্সিক্যাবে আগুন দেয়ার ঘটায় মামলা দায়ের করেন ক্যাবের চালক বাবুল মিয়া। এজহারে মাহমুদর রহমানকে আসামী না করা হলেও পরবর্তীতে ওই মামলায় মাহমুদুর রহমানকে শোন অ্যারেক্ট দেখানো হয়। আদালত আগামী ১১ সেপ্টেম্বর চার্জগঠনের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

Comments

Comments!

 সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তি চাই : আদালতে মাহমুদুর রহমানAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তি চাই : আদালতে মাহমুদুর রহমান

Sunday, July 16, 2017 6:07 pm | আপডেটঃ July 16, 2017 6:20 PM
download

সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ওশাস্তি চাই : আদালতে মাহমুদুর রহমান
আমার দেশ সম্পাদক  মাহমুদুর রহমান বলেছেন, তাকে হয়রাণী করার জন্য সম্পুর্ণ উদ্যেশ্যমূলকভাবে গাড়ী পোড়ানোর মামলায় আসামী করা হয়েছে। রোববার (১৬ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত সিএমএম আদালতে মামলাটির চার্জশীট গ্রহনের শুনানী নিজেই করেন মাহমুদুর রহমান। এসময় তিনি তাকে মামলা থেকে খালাস দিয়ে এই সাজানো চার্জশীট দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় শাস্তির দাবী করেন। তিনি বলেন, এই মামলার এজহারে কোথাও আমার নাম নেই। বাদী কোথাও আমার নাম উল্লেখ করেননি। মামলার দুই জন সাক্ষীও আমার নাম উল্লেখ করেননি। এরপরও পুলিশ চার্জশীটে সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে আমার নাম অর্ন্তভুক্ত করেছে। তিনি বলেন, কোনো আসামীর নাম ‘সন্ধিগ্ধ’ হিসেবে চার্জশীটে আনা যায়না। গতকাল একই আদালতে আরও দু’টি মামলা ২০১০ সালের ২ জুন ভোরে োকে প্রথম দফায় গ্রেফতারের দিনে পুলিশি কাজে বাধা দেয়ার মামলা এবং পরে আদালতে হাজিরের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার আরেকটি মামলা । মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

শুনানিকালে মাহমুদুর রহমান বলেন, এই মামলার অপর আসামীদেও পরিচয়, রাজনৈতিক পদবী ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু চার্জশীটে উল্লেখিত মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমানের কোনো পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। আমার নাম মাহমুদুর রহমান। আগে পিছে কিছু নেই। ২০১৩ সালে যখন মামলাটি দায়ের হয় তখন আমার বয়স ছিলো ৬০ বছর। কিন্তু এখানে চার্জশীটে উল্লেখ করা হয়েছে মুহাম্মদ মাহমুদর রহমান। বয়স লেখা হয়েছে ৫৭। তিনি আদালতের উদ্দেশ্য বলেন, এই মাহমুদুর রহমান আমি কোন অবস্থাতেই হতে পারি না। কারন আমি জ্বালানি উপদেষ্টা ছিলাম, বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ছিলাম, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক । আমি বুয়েট থেকে পাশ করা একজন প্রকৌশলী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ করা। আমার এতগুলি পরিচয় থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আমার কোন পরিচয় উল্লেখ করিনি।
তিনি আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাকে চার্জশীটে বলা হয়েছে গ্রেফতারকৃত আসামী। আমি এই মামলায় গ্রেফতার হয়নি। আমাকে শোন অ্যারেক্ট দেখানো হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় আমার রিমান্ড মঞ্জুর করার ৮ মাস পর রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়বার যখন রিমান্ডের অর্ডার নেয়া হয় তখন আমাকে আদালাতে হাজির করা হয়নি। অথচ হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে কোন আসামীর রিমান্ড মঞ্জুর করতে হলে তাকে আদালতে হাজির করা আবশ্যক। এসময় তিনি তার যুক্তির পক্ষে হাইকোর্ট ও আপীল বিভার তিনটি নির্দেশনা আদালতে তুলে ধরেন এবং তাকে হয়রানিমূলক এই মামলা থেকে অব্যহতি দিয়ে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় শাস্তি দাবী করেন। এসময় মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী অ্যাডকোটে ছানাহ উল্লাহ মিয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আমার দেশ এর নির্বাহী সম্পাদক  সৈয়দ আবদাল আহমদ, আমার দেশের বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সহযোগী সম্পাদক সঞ্জীব চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেসবাহসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্টপক্ষে মামলার শুনানী করেন সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ।
আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কারওয়ান বাজারে নিজ কার্যালয়ে পুলিশের নজরবন্দী থানা অবস্থায় ২০১৩ সালের মৎসভবন এলাকায় একটি ট্যাক্সিক্যাবে আগুন দেয়ার ঘটায় মামলা দায়ের করেন ক্যাবের চালক বাবুল মিয়া। এজহারে মাহমুদর রহমানকে আসামী না করা হলেও পরবর্তীতে ওই মামলায় মাহমুদুর রহমানকে শোন অ্যারেক্ট দেখানো হয়। আদালত আগামী ১১ সেপ্টেম্বর চার্জগঠনের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X