মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 1, 2017 9:40 pm
A- A A+ Print

সাত গুণীজনকে সম্মাননা

3

শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে অনন্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়জন ইমেরিটাস অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে সম্মাননা দিয়েছে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা পাওয়া ইমেরিটাস অধ্যাপকেরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সুলতানা সারওয়াতারা জামান, দর্শন বিভাগের আবদুল মতীন, ইংরেজি বিভাগের সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলা বিভাগের আনিসুজ্জামান, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের নাজমা চৌধুরী ও ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এবং ফার্মাকোলজি বিভাগের আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তাঁর কাছ থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক সুলতানা সারওয়াতারা জামানের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন লুবনা মরিয়ম। ছবি: প্রথম আলোএ ছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমকেও (মরণোত্তর) সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পক্ষে তাঁর মেয়ে জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ সম্মাননা গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া গুণীজনেরা তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ। অতিথিরা সম্মাননা পাওয়া প্রত্যেককে স্বর্ণপদক ও নগদ অর্থ প্রদান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়। সম্মাননা গ্রহণ করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আবদুল মতীন। ছবি: প্রথম আলোঅনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একদিকে যেমন জ্ঞানার্জনের স্থান, তেমনি সামাজিকতা শেখার প্রতিষ্ঠানও। বাংলাদেশে একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অসাধারণ। এই বিশ্ববিদ্যালয় না হলে এটা হতো না। তিনি বলেন, উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা বাড়ছে, অনিশ্চয়তাও বাড়ছে। এ দুইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য আনতে হবে। সম্মানিত করা হয় ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে। ছবি: প্রথম আলোএই শিক্ষাবিদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর। ডাকসুর মাধ্যমে অনেক কিছু প্রতিফলিত হয়। এটা থাকা দরকার। আনিসুজ্জামান বলেন, ডাকসু থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাতিরিক্ত কার্যক্রমের চল থাকে। নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়। এটা এখন বন্ধ আছে, ডাকসু পুনর্বহাল করা উচিত। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যবোধ ও জ্ঞানের চর্চা বাড়াতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে ভূমিকা রাখতে হবে। নাজমা চৌধুরীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়েন তাঁর মেয়ে বুশরা চৌধুরী। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো পদ ফাঁকা থাকলে সেখানে পদায়ন করা হচ্ছে। পদ থাকলেই পদায়ন করতে হবে, এমন কোনো মানে নেই। পদায়নের সময় দেখতে হবে যাকে সেখানে দেওয়া হচ্ছে, তিনি ওই পদের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন কি না। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে উত্তরীয় পরিয়ে দিচ্ছেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ। ছবি: প্রথম আলোআবুল কালাম আজাদ চৌধুরী বলেন, দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মূল্যবোধ ভেঙে পড়েছে। আবার শিক্ষার প্রসার হয়েছে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়েনি। সারওয়াতারা জামানের পক্ষে তাঁর মেয়ে লুবনা মরিয়ম এবং মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পক্ষে তাঁর মেয়ে সুফিয়া আহমেদ বক্তব্য দেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ছিল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। এ বছর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় ইমেরিটাস অধ্যাপক ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে সর্বোচ্চ সম্মাননা দিয়েছে সংগঠনটি। সম্মাননা গ্রহণ করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী। ছবি: প্রথম আলোঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, সারা বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অ্যালামনাইরা অনেক দায়িত্ব পালন করেন। শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, জ্ঞানের বহুমুখী শাখায় তাঁরা নানামাত্রিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ঢাবি অ্যালামনাইয়ের আজকের এই গুণীজন সম্মাননা সে রকমই একটি উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা অ্যালামনাইদের ভূমিকা ঐতিহাসিক। আবুল কালাম আজাদ চৌধুরীর হাতে চেক তুলে দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান। ছবি: প্রথম আলোবিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এখানে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মাননা জানানো হয়েছে। তাঁদের সবার ‘কপিরাইট সম্মান’ রয়েছে। তাঁদের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বসমাজে পরিচিতি লাভ করেছে। অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চায়, রাজনৈতিক দীক্ষায় আর সাংস্কৃতিক জাগরণে উদ্বুদ্ধ করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবতাবাদী শ্রদ্ধেয় শিক্ষকেরা। বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন তাঁর মেয়ে সুফিয়া আহমদ। ছবি: প্রথম আলোবিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপকেরা দেশ ও জাতির প্রয়োজনে এবং সংকটকালে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, পথ দেখিয়েছেন এবং সাহস জুগিয়েছেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল হক মুকুল। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ।

Comments

Comments!

 সাত গুণীজনকে সম্মাননাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সাত গুণীজনকে সম্মাননা

Sunday, October 1, 2017 9:40 pm
3

শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে অনন্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়জন ইমেরিটাস অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই
অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে সম্মাননা দিয়েছে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’।
আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
সম্মাননা পাওয়া ইমেরিটাস অধ্যাপকেরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সুলতানা সারওয়াতারা জামান, দর্শন বিভাগের আবদুল মতীন, ইংরেজি বিভাগের সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলা বিভাগের আনিসুজ্জামান, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের নাজমা চৌধুরী ও ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এবং ফার্মাকোলজি বিভাগের আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তাঁর কাছ থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক সুলতানা সারওয়াতারা জামানের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন লুবনা মরিয়ম। ছবি: প্রথম আলোএ ছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমকেও (মরণোত্তর) সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পক্ষে তাঁর মেয়ে জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ সম্মাননা গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া গুণীজনেরা তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ। অতিথিরা সম্মাননা পাওয়া প্রত্যেককে স্বর্ণপদক ও নগদ অর্থ প্রদান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়।
সম্মাননা গ্রহণ করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আবদুল মতীন। ছবি: প্রথম আলোঅনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একদিকে যেমন জ্ঞানার্জনের স্থান, তেমনি সামাজিকতা শেখার প্রতিষ্ঠানও। বাংলাদেশে একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অসাধারণ। এই বিশ্ববিদ্যালয় না হলে এটা হতো না। তিনি বলেন, উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা বাড়ছে, অনিশ্চয়তাও বাড়ছে। এ দুইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য আনতে হবে।
সম্মানিত করা হয় ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে। ছবি: প্রথম আলোএই শিক্ষাবিদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর। ডাকসুর মাধ্যমে অনেক কিছু প্রতিফলিত হয়। এটা থাকা দরকার।
আনিসুজ্জামান বলেন, ডাকসু থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাতিরিক্ত কার্যক্রমের চল থাকে। নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়। এটা এখন বন্ধ আছে, ডাকসু পুনর্বহাল করা উচিত। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যবোধ ও জ্ঞানের চর্চা বাড়াতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে ভূমিকা রাখতে হবে।
নাজমা চৌধুরীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়েন তাঁর মেয়ে বুশরা চৌধুরী। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো পদ ফাঁকা থাকলে সেখানে পদায়ন করা হচ্ছে। পদ থাকলেই পদায়ন করতে হবে, এমন কোনো মানে নেই। পদায়নের সময় দেখতে হবে যাকে সেখানে দেওয়া হচ্ছে, তিনি ওই পদের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন কি না।
ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে উত্তরীয় পরিয়ে দিচ্ছেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ। ছবি: প্রথম আলোআবুল কালাম আজাদ চৌধুরী বলেন, দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মূল্যবোধ ভেঙে পড়েছে। আবার শিক্ষার প্রসার হয়েছে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়েনি।
সারওয়াতারা জামানের পক্ষে তাঁর মেয়ে লুবনা মরিয়ম এবং মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পক্ষে তাঁর মেয়ে সুফিয়া আহমেদ বক্তব্য দেন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর ছিল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। এ বছর অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় ইমেরিটাস অধ্যাপক ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে সর্বোচ্চ সম্মাননা দিয়েছে সংগঠনটি।
সম্মাননা গ্রহণ করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী। ছবি: প্রথম আলোঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, সারা বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অ্যালামনাইরা অনেক দায়িত্ব পালন করেন। শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, জ্ঞানের বহুমুখী শাখায় তাঁরা নানামাত্রিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ঢাবি অ্যালামনাইয়ের আজকের এই গুণীজন সম্মাননা সে রকমই একটি উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা অ্যালামনাইদের ভূমিকা ঐতিহাসিক।
আবুল কালাম আজাদ চৌধুরীর হাতে চেক তুলে দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান। ছবি: প্রথম আলোবিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এখানে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মাননা জানানো হয়েছে। তাঁদের সবার ‘কপিরাইট সম্মান’ রয়েছে। তাঁদের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বসমাজে পরিচিতি লাভ করেছে।
অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চায়, রাজনৈতিক দীক্ষায় আর সাংস্কৃতিক জাগরণে উদ্বুদ্ধ করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবতাবাদী শ্রদ্ধেয় শিক্ষকেরা।
বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন তাঁর মেয়ে সুফিয়া আহমদ। ছবি: প্রথম আলোবিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপকেরা দেশ ও জাতির প্রয়োজনে এবং সংকটকালে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, পথ দেখিয়েছেন এবং সাহস জুগিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল হক মুকুল। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X