সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 2, 2016 3:11 pm
A- A A+ Print

সাত দিনের ট্রায়ালে ফারাক্কা বাঁধ চালু, এখনও বন্ধ করেনি ভারত

240284_1

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, সাত বা দশ দিনের ট্রায়ালের কথা বাংলাদেশের অনুমতি নিয়ে ফারাক্কা ব্যারাজ চালু করেছিল ভারত। অথচ তারা এখন পর্যন্ত এ ব্যারাজটি বন্ধ করে নাই। এটাতো বন্ধুত্বের নিদর্শন হতে পারে না। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে খালেদা জিয়া বলেন, এই অঞ্চলের সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য জিয়াউর রহমান সার্ক গড়ে তুললেন।তিনি (জিয়াউর রহমান) বললেন, আমরা আমাদের সমস্যা সার্কের মাধ্যমে সমাধান করতে পারব। তিনি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চেয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন, সদ্য স্বাধীন দেশ, কিন্তু সবার সামনে মাথা উঁচু করে থাকবে। আমরা কারো কাছে মাথা নিচু করব না। আমরা এগিয়ে যাব। সেভাবেই তিনি তার কাজগুলো করেছিলেন। আমরাও তার (জিয়াউর রহমানের) ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমরা সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চাই। তবে কারো কাছে মাথা নত করে, চুপিসারে কাউকে কিছু দিয়ে, ক্ষমতায় থাকার জন্য আমরা কিছু করিনি, করবও না। আর কেউ করলেও আমরা সমর্থন করতে পারি না। খালেদা জিয়া বলেন, আজ দেশে বহুবিধ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু নদীতে পানি বণ্টন চুক্তি একমাত্র জিয়াউর রহমানের আমলেই (পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে) পানির হিস্যা যতটুকু আমাদের পাওয়ার কথা ঠিক ততটুকুই নিয়েছিলেন। এই সম্পর্কটা জিয়াউর রহমান করতে পেরেছিলেন, যা অন্য কেউ পারেনি। আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, তারা অনেক কিছুই বিসর্জন দিয়েছে। অথচ পানি এখন আমরা (প্রয়োজনের সময়) পাইনি। বর্ষাকালে সবগুলো গেইট খুলে দেয়া হয়। এতে বাংলাদেশ প্লাবিত হয়। আর শুকনো মওসুমে যতটুকু পানি পাওয়ার কথা তা-ও পাইনি।তখন পানির অভাবে খরা হয়।এজন্য বন্ধু বলে যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো না-সেটাতো সত্যিকারের বন্ধুত্ব নয়। এজন্য আলোচনা করে নিজেদের প্রাপ্যটা আদায় করা উচিত। সেটা আমরা অন্য কোন দলের মধ্যে দেখিনি।শুধু বিএনপি এটা করেছে। বিএনপি এটা চায়। খালেদা জিয়া বলেন, আমরা মারামারি ঝগড়াঝাটি নয়, আমরা আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে এটার সমাধান করতে চাই। তিনি বলেন, বন্ধুত্ব হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে। যদি তারা (ভারত) মনে করে তাদের মাথা উঁচু থাকবে, আরেকজনের মাথা নিচু থাকবে- সেটা কিন্তু বন্ধুত্ব হলো না। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারস বলেন, রামপাল কয়লা বিদ্যুত প্রজেক্ট এখানে হওয়া উচিত নয়।এতে সুন্দরবন অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।এমনিতেই ওই অঞ্চলে আইলা, সিডরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই এটা হলে সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে। খালেদা জিয়া বলেন, আমরা কখনও বলিনি বিদ্যুৎ নির্মাণ কেন্দ্র বন্ধ করতে হবে। কারণ, বিদ্যুৎ আমাদের প্রয়োজন আছে। কিন্তু সেটা এমন জায়গায় হতে পারে যেখানে পরিবেশ বা মানুষের ক্ষতি করবে না। গায়ের জোরে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন না করার হুঁশিয়ারি দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এ (রামপাল)প্রকল্পে লাভ হলে ভারতের আর লোকসান হলে আমাদের ঘাড়ে আসবে। লোকসান হলে বোঝা আসবে জনগণের ঘাড়ে।১৫ বছর পর এটার জন্য বোঝা বহন করতে হবে ইয়াং জেনারেশনকে।তখন ওই নেতারা কোথায় থাকবেন জানি না, আমরা কে কোথায় থাকব জানি না। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মকে এর মূল্য দিতে হবে।তারা এর (বোঝা) থেকে মুক্ত হতে পারবে না। খালেদা জিয়া বলেন, এখনও আমরা আরও যেসব চুক্তি শুনতে পাই বা দেখতে পাই তার একটাও দেশের পক্ষে বা জনগণের স্বার্থে নয়। সমস্ত কিছু করা হচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে, দেশের স্বার্থবিরোধী। আর কী সেই চুক্তিগুলি, তা সবাই জানে না। আমরাও জানি না কী করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার একেকটা উন্নয়ন প্রকল্প নেয়, দুই মাস পরই তার কস্ট (খরচ) দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়ে যাচ্ছে। এই বাড়ার কারণটা কী? এটা কিন্তু উন্নয়নের জন্য নয়, এখানে কমিশনের ব্যাপার আছে, এটাতে তাদের পকেট ভারি হচ্ছে। আর এই টাকা দেশে যে থাকে তা নয়;দেশের বাইরে চলে ‍যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ প্রমুখ।
উৎসঃ   onlinebangla

Comments

Comments!

 সাত দিনের ট্রায়ালে ফারাক্কা বাঁধ চালু, এখনও বন্ধ করেনি ভারতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সাত দিনের ট্রায়ালে ফারাক্কা বাঁধ চালু, এখনও বন্ধ করেনি ভারত

Friday, September 2, 2016 3:11 pm
240284_1

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, সাত বা দশ দিনের ট্রায়ালের কথা বাংলাদেশের অনুমতি নিয়ে ফারাক্কা ব্যারাজ চালু করেছিল ভারত। অথচ তারা এখন পর্যন্ত এ ব্যারাজটি বন্ধ করে নাই। এটাতো বন্ধুত্বের নিদর্শন হতে পারে না।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে খালেদা জিয়া বলেন, এই অঞ্চলের সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য জিয়াউর রহমান সার্ক গড়ে তুললেন।তিনি (জিয়াউর রহমান) বললেন, আমরা আমাদের সমস্যা সার্কের মাধ্যমে সমাধান করতে পারব। তিনি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চেয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন, সদ্য স্বাধীন দেশ, কিন্তু সবার সামনে মাথা উঁচু করে থাকবে। আমরা কারো কাছে মাথা নিচু করব না। আমরা এগিয়ে যাব। সেভাবেই তিনি তার কাজগুলো করেছিলেন। আমরাও তার (জিয়াউর রহমানের) ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমরা সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চাই। তবে কারো কাছে মাথা নত করে, চুপিসারে কাউকে কিছু দিয়ে, ক্ষমতায় থাকার জন্য আমরা কিছু করিনি, করবও না। আর কেউ করলেও আমরা সমর্থন করতে পারি না।

খালেদা জিয়া বলেন, আজ দেশে বহুবিধ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু নদীতে পানি বণ্টন চুক্তি একমাত্র জিয়াউর রহমানের আমলেই (পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে) পানির হিস্যা যতটুকু আমাদের পাওয়ার কথা ঠিক ততটুকুই নিয়েছিলেন। এই সম্পর্কটা জিয়াউর রহমান করতে পেরেছিলেন, যা অন্য কেউ পারেনি।

আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, তারা অনেক কিছুই বিসর্জন দিয়েছে। অথচ পানি এখন আমরা (প্রয়োজনের সময়) পাইনি। বর্ষাকালে সবগুলো গেইট খুলে দেয়া হয়। এতে বাংলাদেশ প্লাবিত হয়। আর শুকনো মওসুমে যতটুকু পানি পাওয়ার কথা তা-ও পাইনি।তখন পানির অভাবে খরা হয়।এজন্য বন্ধু বলে যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো না-সেটাতো সত্যিকারের বন্ধুত্ব নয়। এজন্য আলোচনা করে নিজেদের প্রাপ্যটা আদায় করা উচিত। সেটা আমরা অন্য কোন দলের মধ্যে দেখিনি।শুধু বিএনপি এটা করেছে। বিএনপি এটা চায়।

খালেদা জিয়া বলেন, আমরা মারামারি ঝগড়াঝাটি নয়, আমরা আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে এটার সমাধান করতে চাই।

তিনি বলেন, বন্ধুত্ব হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে। যদি তারা (ভারত) মনে করে তাদের মাথা উঁচু থাকবে, আরেকজনের মাথা নিচু থাকবে- সেটা কিন্তু বন্ধুত্ব হলো না।

ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারস বলেন, রামপাল কয়লা বিদ্যুত প্রজেক্ট এখানে হওয়া উচিত নয়।এতে সুন্দরবন অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।এমনিতেই ওই অঞ্চলে আইলা, সিডরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই এটা হলে সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে।

খালেদা জিয়া বলেন, আমরা কখনও বলিনি বিদ্যুৎ নির্মাণ কেন্দ্র বন্ধ করতে হবে। কারণ, বিদ্যুৎ আমাদের প্রয়োজন আছে। কিন্তু সেটা এমন জায়গায় হতে পারে যেখানে পরিবেশ বা মানুষের ক্ষতি করবে না।

গায়ের জোরে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন না করার হুঁশিয়ারি দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, এ (রামপাল)প্রকল্পে লাভ হলে ভারতের আর লোকসান হলে আমাদের ঘাড়ে আসবে। লোকসান হলে বোঝা আসবে জনগণের ঘাড়ে।১৫ বছর পর এটার জন্য বোঝা বহন করতে হবে ইয়াং জেনারেশনকে।তখন ওই নেতারা কোথায় থাকবেন জানি না, আমরা কে কোথায় থাকব জানি না। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মকে এর মূল্য দিতে হবে।তারা এর (বোঝা) থেকে মুক্ত হতে পারবে না।

খালেদা জিয়া বলেন, এখনও আমরা আরও যেসব চুক্তি শুনতে পাই বা দেখতে পাই তার একটাও দেশের পক্ষে বা জনগণের স্বার্থে নয়। সমস্ত কিছু করা হচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে, দেশের স্বার্থবিরোধী। আর কী সেই চুক্তিগুলি, তা সবাই জানে না। আমরাও জানি না কী করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার একেকটা উন্নয়ন প্রকল্প নেয়, দুই মাস পরই তার কস্ট (খরচ) দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়ে যাচ্ছে। এই বাড়ার কারণটা কী? এটা কিন্তু উন্নয়নের জন্য নয়, এখানে কমিশনের ব্যাপার আছে, এটাতে তাদের পকেট ভারি হচ্ছে। আর এই টাকা দেশে যে থাকে তা নয়;দেশের বাইরে চলে ‍যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ প্রমুখ।

উৎসঃ   onlinebangla

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X