বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৩৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 21, 2016 9:36 am
A- A A+ Print

সাধারণ সম্পাদক পদে আসছেন ওবায়দুল কাদের?

kader_60183

   
ঢাকা: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই বাংলাদেশের বৃহৎ এবং পুরাতন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনে সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে দলের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। সাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ আশরাফ দীর্ঘ দিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এবারের সম্মেলনেও তাকেই দলের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর কথা শোনা গেলেও হঠাৎ করেই তৃণমূল থেকে দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের কাছে বৃহস্পতিবার থেকে শোনা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম।
ওবায়দুল কাদেরের নাম অনেক আগে থেকেই এই পদের জন্য শোনা গেলেও তিনি নিজে গত ৯ই সেপ্টেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্যা রিপোর্টাস’ নামে এক আলোচনায় সাংবাদকিদের সামনে বলেছিলেন, এবারের সম্মেলনে তিনি কোনো পদের জন্য প্রার্থী নয়। তবে নেত্রী তাকে যেখানে ভাল মনে করবেন তিনি সেখানেই যাবেন। তবে এর আগের সম্মেলনে সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সৈয়দ আশরাফের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন। এবারের সম্মেলনেও সৈয়দ আশরাফকে সাধারণ সম্পাদক করার কথা থাকলে বৃহস্পতিবার থেকে তার উল্টো শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ করে তাজউদ্দিনের ছেলে সোহেল তাজ সৈয়দ আশরাফের বাড়ি যায়। দীর্ঘ সময় তার সাথে অবস্থানের পর সে চলে আসে এবং সেই দিনই সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফ গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার জন্য যান এবং দীর্ঘ সময় তার সাথে সাক্ষাত করেন। এর পর থেকেই গুঞ্জন ওঠে এবারের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে এবার সৈয়দ আশরাফ নয় আসছে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ইতোমধ্যে বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের সমর্থকেরা তাদের নেতাকে অভিনন্দন জানাতে স্টেটাস দিতে শুরু করেছেন। ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের এক সমর্থক লিখেছেন, ‘আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন হবে কি না? যদি হয় তবে ওবায়দুল কাদের সবচেয়ে এগিয়ে। দ্বিতীয় কারো নাম তেমন আলোচনায় আসছে না। অস্তির যারা তাদের অপেক্ষা করতে হবে কয়েকটা দিন।’ নাম না প্রকাশে ওবায়দুল কাদেরের আর এক সমর্থক বলেন, নেত্রী ওবায়দুল কাদেরকে গণভবনে ডেকে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য গ্রীণ সিগনাল দিয়েছে এবং প্রস্তুতি নিতে বলেছে। তবে পিছিয়ে নেই সৈয়দ আশরাফের সমর্থকেরা। সৈয়দ আশরাফের এক সমর্থক ফেসবুকে স্টেটাস দিয়েছেন, ‘নেত্রীর সিদ্ধান্ত কখনো ভুল হতে পারেনা!  তবে নেত্রীকে ভুল পরামর্শ দেওয়ার জন্য আশপাশে তেলবাজের অভাব নাই!! একজন সৈয়দ আশরাফের তুলনা তিনি নিজেই। কিছু বলার নাই, ভালবাসা রইলো অফুরন্ত।’ আরেক সমর্থক লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্তাভাজন ও বিশ্বস্ত এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে আবারো সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে তি‌নি হ‌লেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।’ তবে সৈয়দ আশরাফ বেশ কয়েকবার সমালোচনায় এসেছেন। ২০০৭ সালে জরুরী অবস্থা জারির পর শেখ হাসিনার বন্দি হওয়া এবং প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার উল্টোযাত্রার মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে বিরূপ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দলীয় সভানেত্রীর পূর্ণ আস্থা অর্জন করেন আশরাফ।   ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আশরাফকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে নির্বাচনের পরও একই দপ্তর পান তিনি।   সাত বছর গুরুত্বপূর্ণ ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার মধ্যে তার নিয়মিত সময় না দেওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় ওঠে।   এর মধ‌্যেই গত বছর আকস্মিকভাবে আশরাফকে দপ্তরবিহীন করেন শেখ হাসিনা। তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড়ের মধ‌্যে এক সপ্তাহের মাথায় সিদ্ধান্ত পুনর্মূল‌্যায়ন করে তাকে জনপ্রশাসনমন্ত্রী করেন তিনি। আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘ দিন থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তৃণমূলে সৈয়দ আশরাফের মত ওবায়দুল কাদেরের জনপ্রিয়তাও অনেক বেশি। তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, এবারের সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ এবং ওবায়দুল কাদের দুজনের গ্রহণযোগ্যতা তৃণমূলের নেতার কাছে আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সিদ্ধান্ত দলের জন্য মঙ্গলজনক।

Comments

Comments!

 সাধারণ সম্পাদক পদে আসছেন ওবায়দুল কাদের?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সাধারণ সম্পাদক পদে আসছেন ওবায়দুল কাদের?

Friday, October 21, 2016 9:36 am
kader_60183

 

 

ঢাকা: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই বাংলাদেশের বৃহৎ এবং পুরাতন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনে সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে দলের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে।

সাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ আশরাফ দীর্ঘ দিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এবারের সম্মেলনেও তাকেই দলের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর কথা শোনা গেলেও হঠাৎ করেই তৃণমূল থেকে দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের কাছে বৃহস্পতিবার থেকে শোনা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম।

ওবায়দুল কাদেরের নাম অনেক আগে থেকেই এই পদের জন্য শোনা গেলেও তিনি নিজে গত ৯ই সেপ্টেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্যা রিপোর্টাস’ নামে এক আলোচনায় সাংবাদকিদের সামনে বলেছিলেন, এবারের সম্মেলনে তিনি কোনো পদের জন্য প্রার্থী নয়। তবে নেত্রী তাকে যেখানে ভাল মনে করবেন তিনি সেখানেই যাবেন।

তবে এর আগের সম্মেলনে সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য সৈয়দ আশরাফের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন।

এবারের সম্মেলনেও সৈয়দ আশরাফকে সাধারণ সম্পাদক করার কথা থাকলে বৃহস্পতিবার থেকে তার উল্টো শোনা যাচ্ছে।

হঠাৎ করে তাজউদ্দিনের ছেলে সোহেল তাজ সৈয়দ আশরাফের বাড়ি যায়। দীর্ঘ সময় তার সাথে অবস্থানের পর সে চলে আসে এবং সেই দিনই সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফ গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার জন্য যান এবং দীর্ঘ সময় তার সাথে সাক্ষাত করেন।

এর পর থেকেই গুঞ্জন ওঠে এবারের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে এবার সৈয়দ আশরাফ নয় আসছে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ইতোমধ্যে বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের সমর্থকেরা তাদের নেতাকে অভিনন্দন জানাতে স্টেটাস দিতে শুরু করেছেন।

ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরের এক সমর্থক লিখেছেন, ‘আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন হবে কি না? যদি হয় তবে ওবায়দুল কাদের সবচেয়ে এগিয়ে। দ্বিতীয় কারো নাম তেমন আলোচনায় আসছে না। অস্তির যারা তাদের অপেক্ষা করতে হবে কয়েকটা দিন।’

নাম না প্রকাশে ওবায়দুল কাদেরের আর এক সমর্থক বলেন, নেত্রী ওবায়দুল কাদেরকে গণভবনে ডেকে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য গ্রীণ সিগনাল দিয়েছে এবং প্রস্তুতি নিতে বলেছে।

তবে পিছিয়ে নেই সৈয়দ আশরাফের সমর্থকেরা। সৈয়দ আশরাফের এক সমর্থক ফেসবুকে স্টেটাস দিয়েছেন, ‘নেত্রীর সিদ্ধান্ত কখনো ভুল হতে পারেনা!  তবে নেত্রীকে ভুল পরামর্শ দেওয়ার জন্য আশপাশে তেলবাজের অভাব নাই!! একজন সৈয়দ আশরাফের তুলনা তিনি নিজেই। কিছু বলার নাই, ভালবাসা রইলো অফুরন্ত।’

আরেক সমর্থক লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্তাভাজন ও বিশ্বস্ত এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে আবারো সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে তি‌নি হ‌লেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।’

তবে সৈয়দ আশরাফ বেশ কয়েকবার সমালোচনায় এসেছেন। ২০০৭ সালে জরুরী অবস্থা জারির পর শেখ হাসিনার বন্দি হওয়া এবং প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার উল্টোযাত্রার মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে বিরূপ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দলীয় সভানেত্রীর পূর্ণ আস্থা অর্জন করেন আশরাফ।

 

২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আশরাফকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে নির্বাচনের পরও একই দপ্তর পান তিনি।

 

সাত বছর গুরুত্বপূর্ণ ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার মধ্যে তার নিয়মিত সময় না দেওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় ওঠে।

 

এর মধ‌্যেই গত বছর আকস্মিকভাবে আশরাফকে দপ্তরবিহীন করেন শেখ হাসিনা। তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড়ের মধ‌্যে এক সপ্তাহের মাথায় সিদ্ধান্ত পুনর্মূল‌্যায়ন করে তাকে জনপ্রশাসনমন্ত্রী করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘ দিন থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তৃণমূলে সৈয়দ আশরাফের মত ওবায়দুল কাদেরের জনপ্রিয়তাও অনেক বেশি।

তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, এবারের সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ এবং ওবায়দুল কাদের দুজনের গ্রহণযোগ্যতা তৃণমূলের নেতার কাছে আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সিদ্ধান্ত দলের জন্য মঙ্গলজনক।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X