সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:২৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, June 15, 2017 11:01 pm
A- A A+ Print

সাহরি বাঁচাল বহু প্রাণ

3f19be6d5bc686408265b8b37dd30de8-5942b83d5bfe9

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অনেকের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে ওই ভবনের মুসলিমরা। পবিত্র রমজান মাসে ভোররাতে সাহরি খাওয়ার জন্য উঠে তাঁরাই প্রথমে লক্ষ করেন যে গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুন লেগেছে। ভবনের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভবনটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লেও আগুন লাগলে যে সতর্কবার্তা বা সংকেত বাজে, তা তাঁরা শুনতে পাননি। তবে আশপাশের প্রতিবেশীরাই প্রথমে আগুন লাগার ঘটনাটা বুঝতে পারেন। আর যাঁরা প্রথমে বুঝতে পারেন, তাঁরা বেশির ভাগই মুসলমান। রোজা রাখার জন্যই তাঁরা শেষ রাতে সাহরি খেতে উঠেছিলেন এবং তখনই তাঁদের কেউ কেউ ওই ভবনটিতে ধোঁয়া দেখতে পান। ৩৩ বছর বয়সী আন্দ্রে বারোসো বলেন, ‘ওই ভবন থেকে অনেক মানুষকে বাইরে বেরিয়ে আনার জন্য বড় ভূমিকা পালন করেছেন মুসলমানেরা। আমি ওই সময় যাঁদের দেখতে পেয়েছি, তাঁরা অধিকাংশই মুসলমান। তাঁরা অন্যদের খাবার ও বস্ত্র সরবরাহ করেছেন।’ গ্রেনফেল টাওয়ারের কাছে অপর এক নারী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখানে যদি মুসলিম ছেলেমেয়েরা এসে আমাদের সাহায্য না করতেন, তাহলে হয়তো আরও অনেক লোক মারা যেত। তারাই প্রথম মানুষ, যারা পানি সরবরাহ করেছে, মানুষকে সাহায্য করেছে এবং দৌড়ে গিয়ে মানুষকে বলেছে।’ গ্রেনফেল টাওয়ারের ১৮ তলায় থাকতেন খালিদ সুলেমান আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার কোনো সতর্কবার্তা বাজেনি। আমি প্লেস্টেশন খেলছিলাম আর খাবারের অপেক্ষা করছিলাম, তখনই ধোঁয়ার গন্ধ পাই। আমি উঠে ঘরের জানালা বন্ধ করে দিই, তখনই দেখি সপ্তম তলায় ধোঁয়া। আমি তখনই আমার আন্টিকে জাগিয়ে তুলি। এরপরে কাপড় পরে বাইরে গিয়ে প্রতিবেশীদের দরজায় ডাকাডাকি শুরু করি।’ ওই ভবনের অপর এক বাসিন্দা রাশিদা স্কাই নিউজ বলেন, ‘বেশির ভাগ মুসলমান এখন পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখছেন। তাঁরা সাহরি খাওয়ার জন্য সাধারণত রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। খাওয়া শেষে তাঁরা ভোরে ফজরের নামাজ পড়েন। সুতরাং এখানে প্রায় বেশির ভাগ পরিবারই জেগে উঠে অন্যদের সাহায্য করেছে।’ তথ্যসূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট ও এনডিটিভি।

Comments

Comments!

 সাহরি বাঁচাল বহু প্রাণAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সাহরি বাঁচাল বহু প্রাণ

Thursday, June 15, 2017 11:01 pm
3f19be6d5bc686408265b8b37dd30de8-5942b83d5bfe9

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অনেকের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে ওই ভবনের মুসলিমরা। পবিত্র রমজান মাসে ভোররাতে সাহরি খাওয়ার জন্য উঠে তাঁরাই প্রথমে লক্ষ করেন যে গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুন লেগেছে।

ভবনের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভবনটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লেও আগুন লাগলে যে সতর্কবার্তা বা সংকেত বাজে, তা তাঁরা শুনতে পাননি। তবে আশপাশের প্রতিবেশীরাই প্রথমে আগুন লাগার ঘটনাটা বুঝতে পারেন। আর যাঁরা প্রথমে বুঝতে পারেন, তাঁরা বেশির ভাগই মুসলমান। রোজা রাখার জন্যই তাঁরা শেষ রাতে সাহরি খেতে উঠেছিলেন এবং তখনই তাঁদের কেউ কেউ ওই ভবনটিতে ধোঁয়া দেখতে পান।

৩৩ বছর বয়সী আন্দ্রে বারোসো বলেন, ‘ওই ভবন থেকে অনেক মানুষকে বাইরে বেরিয়ে আনার জন্য বড় ভূমিকা পালন করেছেন মুসলমানেরা। আমি ওই সময় যাঁদের দেখতে পেয়েছি, তাঁরা অধিকাংশই মুসলমান। তাঁরা অন্যদের খাবার ও বস্ত্র সরবরাহ করেছেন।’

গ্রেনফেল টাওয়ারের কাছে অপর এক নারী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখানে যদি মুসলিম ছেলেমেয়েরা এসে আমাদের সাহায্য না করতেন, তাহলে হয়তো আরও অনেক লোক মারা যেত। তারাই প্রথম মানুষ, যারা পানি সরবরাহ করেছে, মানুষকে সাহায্য করেছে এবং দৌড়ে গিয়ে মানুষকে বলেছে।’

গ্রেনফেল টাওয়ারের ১৮ তলায় থাকতেন খালিদ সুলেমান আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার কোনো সতর্কবার্তা বাজেনি। আমি প্লেস্টেশন খেলছিলাম আর খাবারের অপেক্ষা করছিলাম, তখনই ধোঁয়ার গন্ধ পাই। আমি উঠে ঘরের জানালা বন্ধ করে দিই, তখনই দেখি সপ্তম তলায় ধোঁয়া। আমি তখনই আমার আন্টিকে জাগিয়ে তুলি। এরপরে কাপড় পরে বাইরে গিয়ে প্রতিবেশীদের দরজায় ডাকাডাকি শুরু করি।’

ওই ভবনের অপর এক বাসিন্দা রাশিদা স্কাই নিউজ বলেন, ‘বেশির ভাগ মুসলমান এখন পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখছেন। তাঁরা সাহরি খাওয়ার জন্য সাধারণত রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। খাওয়া শেষে তাঁরা ভোরে ফজরের নামাজ পড়েন। সুতরাং এখানে প্রায় বেশির ভাগ পরিবারই জেগে উঠে অন্যদের সাহায্য করেছে।’ তথ্যসূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট ও এনডিটিভি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X