শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, May 13, 2017 12:54 pm
A- A A+ Print

সিলেট থেকে যেভাবে গ্রেপ্তার সাফাত-সাকিফ

21

সাফাত ও সাকিফকে সিলেটের মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিলে নিয়ে গিয়েছিলেন শেখঘাটের ব্যবসায়ী মাছুম। তিনি সম্পর্কে সাফাতের মামা। ঢাকায় পুলিশি অভিযান জোরদার করার পরপরই সোমবার সকালে ঢাকা ছেড়েছিল তারা। চলে আসে সিলেটে। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তারা তটস্থ হয়ে ওঠে। হোটেল-মোটেলে গিয়েও রুম পায়নি। শেষে তার মামা মাছুমই তাকে মদিনা মার্কেটের ওই বাসায় নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিল থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানের সময় সাফাত ও সাকিফ বাসাতেই ছিলেন। কলিংবেল বাজানোর পর তারাই দরজা খুলে দেয়। এরপর পুলিশ দ্রুত তাদের আটক করে। সিলেট মহানগর পুলিশ জানিয়েছে- ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার কর্মকর্তা এডিশনাল এসপি মো. আশরাফুজ্জামান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিলেটে আসেন। তাদের কাছে খবর ছিল সাফাত তার সহযোগীদের নিয়ে সিলেটে অবস্থান করছে। এবং তারা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু সিলেটের তামাবিল, সুতারকান্দি, জকিগঞ্জ স্থলবন্দরে পুলিশ সতর্ক থাকায় তারা ভারতে পালিয়ে যেতে পারেনি। তবে বৃহস্পতিবার রাতে তারা সিলেট ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কোথায় যেতে চাচ্ছিল সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ রাত ৯টার দিকে রশিদ মঞ্জিলে অভিযান চালায় ঠিক তার আগেই সাফাত ও সাকিফ ব্যাগ গুছিয়ে রাখে। এডিশনাল এসপি মো. আশরাফুজ্জামান সিলেটে পৌঁছার আগেই সাফাত ও সাকিফ কোথায় থাকতে পারে সে ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হয়। এর আগে অবশ্য সিলেট জেলা ও মহানগর পুলিশ যৌথভাবে কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করে। এডিশনাল এসপি আশারাফুজ্জামান আসার পর পুলিশ নগরীর শেখঘাটে সাফাতের নানা মতিন মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গিয়ে মতিন মিয়ার বাড়িতে সব ক’টি কক্ষেই তল্লাশি চালান। তল্লাশিকালে তারা ওই বাসাতে সাফাত ও সাকিফকে পাননি। তবে বাসায় তারা বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদকালেই পুলিশ জানতে পারে ধর্ষক সাফাত তার সহযোগী সাদমান সাকিফকে নিয়ে সিলেট নগরীতেই অবস্থান করছে। একপর্যায়ে এক স্বজনের কাছ থেকেই তারা তথ্য পান তারা মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিলের দ্বিতীয় তলায় অবস্থান করছে। বুধবার রাত থেকে সেখানে বসবাস করছে তারা। এ তথ্য পাওয়ার পর ঢাকা, সিলেট মহানগর ও সিলেট জেলা পুলিশ মদিনা মার্কেটের পাঠানটুলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে সঙ্গে থাকা সিলেট মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা গিয়ে বাসার কেয়ারটেকারের কাছ থেকে প্রথমে সাফাত ও সাকিফের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন। পরে পুলিশ দুই তলার ওই রুমের কলিংবেল টিপে। সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে দেন সাফাত। এরপরপরই পুলিশ তাদের আটক করে। রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সিলেট নগরীর নাইওরপুলে মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরে। সেখানে তাদের রেখে প্রায় ১০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে মহানগর পুলিশের একটি দল রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের নিয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুছা জানিয়েছেন, মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিল থেকে গ্রেপ্তারের পরপরই তাদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সিলেটে তাদের কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তিনি জানান, তাদের ওই বাসাতে নিয়ে রেখেছিল মামা মাসুম। বৃহস্পতিবার রাতে তারা ওই বাসা ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ওই সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইলিয়াসুর রহমান ইলিয়াস জানিয়েছেন- রশিদ মঞ্জিল নামের চার তলার ওই বাসাটির মালিক শেখঘাটের মতিন মিয়ার স্বজন। এক লন্ডন প্রবাসী ওই বাসার মালিক বলে এলাকার লোকজন জানেন। গ্রেপ্তারকৃত সাফাতের মূল বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণের নগরগ্রাম। তার পিতা দিলদার আহমদ আপন জুয়েলার্সের মালিক। অনেক আগে থেকেই তারা ঢাকায় বসবাস করছেন। গোলাপগঞ্জের নগরগ্রামে তাদের পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। প্রায় সময় তারা বাড়িতে বেড়াতে আসেন। আর সাফাতের নানার বাড়ি সিলেটের শেখঘাটে। তার নানা ওই এলাকার ধনাঢ্য হিসেবে পরিচিত মতিন মিয়া। সোমবার সাফাত সিলেটে আসার পর প্রথমে দক্ষিণ সুরমার সিলামের রিজেন্ট পার্ক রিসোর্টে রুম ভাড়া নিতে গিয়েছিল। কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের রুম ভাড়া দেয়নি। এরপর থেকে সাফাত সিলেটে আত্মীয়দের বাসায় বসবাস করে। মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিলের ওই বাসার মালিক লন্ডন প্রবাসী মামুনুর রশীদ। চার তলা ওই বাসাতে মালিকপক্ষের কেউ থাকেন না। কেয়ারটেকার নুরন্নবীই সব দেখাশোনা করেন। ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে বাসা ভাড়া তুলেন। নুরুন্নবী জানিয়েছেন, গত বুধবার রাত ১১টায় সাফাত ও সাকিফকে ওই বাসায় নিয়ে আসেন শেখঘাটের মাছুম। বাসার মালিকের সঙ্গে কথা বলেই তাদের বাসাতে তুলেন। পরে পুলিশ রাত ৯টার দিকে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

Comments

Comments!

 সিলেট থেকে যেভাবে গ্রেপ্তার সাফাত-সাকিফAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সিলেট থেকে যেভাবে গ্রেপ্তার সাফাত-সাকিফ

Saturday, May 13, 2017 12:54 pm
21

সাফাত ও সাকিফকে সিলেটের মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিলে নিয়ে গিয়েছিলেন শেখঘাটের ব্যবসায়ী মাছুম। তিনি সম্পর্কে সাফাতের মামা। ঢাকায় পুলিশি অভিযান জোরদার করার পরপরই সোমবার সকালে ঢাকা ছেড়েছিল তারা। চলে আসে সিলেটে। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তারা তটস্থ হয়ে ওঠে। হোটেল-মোটেলে গিয়েও রুম পায়নি। শেষে তার মামা মাছুমই তাকে মদিনা মার্কেটের ওই বাসায় নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিল থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানের সময় সাফাত ও সাকিফ বাসাতেই ছিলেন। কলিংবেল বাজানোর পর তারাই দরজা খুলে দেয়। এরপর পুলিশ দ্রুত তাদের আটক করে। সিলেট মহানগর পুলিশ জানিয়েছে- ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার কর্মকর্তা এডিশনাল এসপি মো. আশরাফুজ্জামান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিলেটে আসেন। তাদের কাছে খবর ছিল সাফাত তার সহযোগীদের নিয়ে সিলেটে অবস্থান করছে। এবং তারা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু সিলেটের তামাবিল, সুতারকান্দি, জকিগঞ্জ স্থলবন্দরে পুলিশ সতর্ক থাকায় তারা ভারতে পালিয়ে যেতে পারেনি। তবে বৃহস্পতিবার রাতে তারা সিলেট ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কোথায় যেতে চাচ্ছিল সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ রাত ৯টার দিকে রশিদ মঞ্জিলে অভিযান চালায় ঠিক তার আগেই সাফাত ও সাকিফ ব্যাগ গুছিয়ে রাখে। এডিশনাল এসপি মো. আশরাফুজ্জামান সিলেটে পৌঁছার আগেই সাফাত ও সাকিফ কোথায় থাকতে পারে সে ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হয়। এর আগে অবশ্য সিলেট জেলা ও মহানগর পুলিশ যৌথভাবে কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করে। এডিশনাল এসপি আশারাফুজ্জামান আসার পর পুলিশ নগরীর শেখঘাটে সাফাতের নানা মতিন মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গিয়ে মতিন মিয়ার বাড়িতে সব ক’টি কক্ষেই তল্লাশি চালান। তল্লাশিকালে তারা ওই বাসাতে সাফাত ও সাকিফকে পাননি। তবে বাসায় তারা বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদকালেই পুলিশ জানতে পারে ধর্ষক সাফাত তার সহযোগী সাদমান সাকিফকে নিয়ে সিলেট নগরীতেই অবস্থান করছে। একপর্যায়ে এক স্বজনের কাছ থেকেই তারা তথ্য পান তারা মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিলের দ্বিতীয় তলায় অবস্থান করছে। বুধবার রাত থেকে সেখানে বসবাস করছে তারা। এ তথ্য পাওয়ার পর ঢাকা, সিলেট মহানগর ও সিলেট জেলা পুলিশ মদিনা মার্কেটের পাঠানটুলা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে সঙ্গে থাকা সিলেট মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা গিয়ে বাসার কেয়ারটেকারের কাছ থেকে প্রথমে সাফাত ও সাকিফের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন। পরে পুলিশ দুই তলার ওই রুমের কলিংবেল টিপে। সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে দেন সাফাত। এরপরপরই পুলিশ তাদের আটক করে। রাতে তাদের নিয়ে আসা হয় সিলেট নগরীর নাইওরপুলে মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরে। সেখানে তাদের রেখে প্রায় ১০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে মহানগর পুলিশের একটি দল রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের নিয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুছা জানিয়েছেন, মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিল থেকে গ্রেপ্তারের পরপরই তাদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সিলেটে তাদের কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তিনি জানান, তাদের ওই বাসাতে নিয়ে রেখেছিল মামা মাসুম। বৃহস্পতিবার রাতে তারা ওই বাসা ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ওই সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইলিয়াসুর রহমান ইলিয়াস জানিয়েছেন- রশিদ মঞ্জিল নামের চার তলার ওই বাসাটির মালিক শেখঘাটের মতিন মিয়ার স্বজন। এক লন্ডন প্রবাসী ওই বাসার মালিক বলে এলাকার লোকজন জানেন। গ্রেপ্তারকৃত সাফাতের মূল বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণের নগরগ্রাম। তার পিতা দিলদার আহমদ আপন জুয়েলার্সের মালিক। অনেক আগে থেকেই তারা ঢাকায় বসবাস করছেন। গোলাপগঞ্জের নগরগ্রামে তাদের পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। প্রায় সময় তারা বাড়িতে বেড়াতে আসেন। আর সাফাতের নানার বাড়ি সিলেটের শেখঘাটে। তার নানা ওই এলাকার ধনাঢ্য হিসেবে পরিচিত মতিন মিয়া। সোমবার সাফাত সিলেটে আসার পর প্রথমে দক্ষিণ সুরমার সিলামের রিজেন্ট পার্ক রিসোর্টে রুম ভাড়া নিতে গিয়েছিল। কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের রুম ভাড়া দেয়নি। এরপর থেকে সাফাত সিলেটে আত্মীয়দের বাসায় বসবাস করে। মদিনা মার্কেটের রশিদ মঞ্জিলের ওই বাসার মালিক লন্ডন প্রবাসী মামুনুর রশীদ। চার তলা ওই বাসাতে মালিকপক্ষের কেউ থাকেন না। কেয়ারটেকার নুরন্নবীই সব দেখাশোনা করেন। ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে বাসা ভাড়া তুলেন। নুরুন্নবী জানিয়েছেন, গত বুধবার রাত ১১টায় সাফাত ও সাকিফকে ওই বাসায় নিয়ে আসেন শেখঘাটের মাছুম। বাসার মালিকের সঙ্গে কথা বলেই তাদের বাসাতে তুলেন। পরে পুলিশ রাত ৯টার দিকে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X