বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:২২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, September 27, 2016 8:05 am
A- A A+ Print

সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর হাতে সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনে ৫ জনসহ ৯ মাসে নিহত ২৮

download-1

চলতি বছরেও ২৮ বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হলো বিএসএফ এর হাত। বছরের পর বছর দু’দেশ শুধু একে অপরকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। তারপরও বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)এর গুলিতে নিরীহ বাঙালি হত্যা চলছেই। যেন একদিকে উচ্চ র্পযায়ের বৈঠক আর দু’দেশের র্কমর্কতাদের আলোচনা আর অন্যদিকে সীমান্তে বাঙালির রক্তে রক্তস্রোত বয়ে চলা সমান্তরাল হয়ে পড়েছে। বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই শুধু নিহত হয়েছেন পাঁচ বাঙালি। এরমধ্যে সবশেষ রোববার কুড়িগ্রামের রৌমারি সীমান্তে রাশদেুল ইসলাম নামে এক বাঙ্গালী বিএসএফ’এর গুলিতে নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও শালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে চলতি বছরের জানুয়ারি হতে আগষ্ট মাসে বিএসএফ‘র হাতে মোট ২৩ বাংলাদেশি নিহত হন। আহত হয়েছেন ৩০ জন। সংস্থাটির মতে বিএসএফ সদস্যদের দ্বারা গত বছর নিহত হন ৪৬ জন, ২০১৪ সালে নিহত হন ৩৩ জন এবং ২০১৩ সালে ২৬ জন। জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে বিএসএফ সীমান্তে মারণাস্ত্রের বিকল্প হিসেবে ছররা গুলির মত ‘পাম্প এ্যাকশন গান‘ ব্যবহার শুরু করে। নিঃশব্দ কিন্তু এই ছররা গুলিও খুব কাছে থেকে লাগলে যে কোনো মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এছাড়াও ‘স্টান গ্রেনেড‘ বা ‘সাউন্ড গ্রেনেড‘ ব্যবহার করে থাকে বিএসএফ। বিজিবি বিএসএফ দুই সংস্থার র্কমর্কতারাই দাবি করে চলেছেন চোরাচালানকারীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির জন্য এই সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় হত্যাকাণ্ড বন্ধে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স’ (বিএসএফ) মারণাস্ত্রের পরিবর্তে ‘চিলি গান’, ব্যবহারের কথা বললেও তা কার্যকর হয়নি। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ সদস্যদের দ্বারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ডে সমালোচনার ঝড় ওঠার পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘চিলি বোম্ব’ বা ‘মরিচ বোমা’ ব্যবহার শুরু করে ২০১২ সাল থেকে। আসাম ও নাগাল্যান্ড রাজ্যে উৎপাদিত ভুট জোলাকিয়া নামে বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচের গুঁড়া দিয়ে এই বোমা তৈরী হয় বিএসএফের নিজস্ব কারখানাতেই। এই অবস্থায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ পরিবর্তন ডটকমরে সাথে সোমবার আলাপকালে বলেন, “আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি গিয়ে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা হবে কড়া ভাষায়।” উল্লেখ্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বিএসএফ এবং বিজিবি‘র মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠক শুরু হবে। এই বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, মাদক পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি’এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে বিজিবি’র মহাপরিচালকসহ বাংলাদেশের ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদলের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক দাবি করেছেন, ভারত থেকে চোরাইপথে গরু আমদানিকে কেন্দ্র করেই মূলতঃ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো দাবি করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিএসএফ’এর ছোড়া ছররা গুলি লাগার পর হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হলে রক্তক্ষরণের কারণেও অনেকে মারা যান।

Comments

Comments!

 সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর হাতে সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনে ৫ জনসহ ৯ মাসে নিহত ২৮AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর হাতে সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনে ৫ জনসহ ৯ মাসে নিহত ২৮

Tuesday, September 27, 2016 8:05 am
download-1

চলতি বছরেও ২৮ বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হলো বিএসএফ এর হাত। বছরের পর বছর দু’দেশ শুধু একে অপরকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। তারপরও বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)এর গুলিতে নিরীহ বাঙালি হত্যা চলছেই।

যেন একদিকে উচ্চ র্পযায়ের বৈঠক আর দু’দেশের র্কমর্কতাদের আলোচনা আর অন্যদিকে সীমান্তে বাঙালির রক্তে রক্তস্রোত বয়ে চলা সমান্তরাল হয়ে পড়েছে।

বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই শুধু নিহত হয়েছেন পাঁচ বাঙালি। এরমধ্যে সবশেষ রোববার কুড়িগ্রামের রৌমারি সীমান্তে রাশদেুল ইসলাম নামে এক বাঙ্গালী বিএসএফ’এর গুলিতে নিহত হয়েছেন।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও শালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে চলতি বছরের জানুয়ারি হতে আগষ্ট মাসে বিএসএফ‘র হাতে মোট ২৩ বাংলাদেশি নিহত হন। আহত হয়েছেন ৩০ জন। সংস্থাটির মতে বিএসএফ সদস্যদের দ্বারা গত বছর নিহত হন ৪৬ জন, ২০১৪ সালে নিহত হন ৩৩ জন এবং ২০১৩ সালে ২৬ জন।

জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে বিএসএফ সীমান্তে মারণাস্ত্রের বিকল্প হিসেবে ছররা গুলির মত ‘পাম্প এ্যাকশন গান‘ ব্যবহার শুরু করে। নিঃশব্দ কিন্তু এই ছররা গুলিও খুব কাছে থেকে লাগলে যে কোনো মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এছাড়াও ‘স্টান গ্রেনেড‘ বা ‘সাউন্ড গ্রেনেড‘ ব্যবহার করে থাকে বিএসএফ।

বিজিবি বিএসএফ দুই সংস্থার র্কমর্কতারাই দাবি করে চলেছেন চোরাচালানকারীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির জন্য এই সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এছাড়াও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় হত্যাকাণ্ড বন্ধে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স’ (বিএসএফ) মারণাস্ত্রের পরিবর্তে ‘চিলি গান’, ব্যবহারের কথা বললেও তা কার্যকর হয়নি।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ সদস্যদের দ্বারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ডে সমালোচনার ঝড় ওঠার পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘চিলি বোম্ব’ বা ‘মরিচ বোমা’ ব্যবহার শুরু করে ২০১২ সাল থেকে। আসাম ও নাগাল্যান্ড রাজ্যে উৎপাদিত ভুট জোলাকিয়া নামে বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচের গুঁড়া দিয়ে এই বোমা তৈরী হয় বিএসএফের নিজস্ব কারখানাতেই।

এই অবস্থায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ পরিবর্তন ডটকমরে সাথে সোমবার আলাপকালে বলেন, “আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি গিয়ে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা হবে কড়া ভাষায়।”

উল্লেখ্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বিএসএফ এবং বিজিবি‘র মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠক শুরু হবে। এই বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, মাদক পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি’এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে বিজিবি’র মহাপরিচালকসহ বাংলাদেশের ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদলের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক দাবি করেছেন, ভারত থেকে চোরাইপথে গরু আমদানিকে কেন্দ্র করেই মূলতঃ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো দাবি করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিএসএফ’এর ছোড়া ছররা গুলি লাগার পর হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হলে রক্তক্ষরণের কারণেও অনেকে মারা যান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X