শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৩০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, September 13, 2016 8:53 pm
A- A A+ Print

সীমান্ত পেরিয়ে ভারত থেকে এসে বাংলাদেশের মাটিতে ঈদের জামাত

দক্ষিণ দিনাজপুরের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া হাঁড়িপুকুর গ্রামে প্রতি বছরই বাংলাদেশের বেশ কিছু বাসিন্দা একসঙ্গে নমাজ আদায় করেন। এবছরও তার ব্যতিক্রম হল না। কাঁটাতারের দু’পারে দুই দেশ। অদৃশ্য সীমান্তরেখা পেরিয়ে তাই ঈদের দিন সকালে ওপার বাংলার দিনাজপুর জেলার বাঘমারাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা এপারে চলে আসেন। সারা বছর নিজেদের পরিচয় ভারতীয় এবং বাংলাদেশি বলে জানলেও বছরের এই দিনটিতে সমস্ত বিভেদ হঠে যায়। পবিত্র এই দিনে সীমান্তরক্ষী বাহিনীও তেমন সক্রিয় থাকে না। ধর্মীয় আবেগের কাছে হার মানে আইন। বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে জিরো পয়েন্ট লাগোয়া এই হাঁড়িপুকুর গ্রামে ঢোকার রাস্তার বাঁ-দিকে চাষের জমির পাশেই রয়েছে ঈদগাহর মাঠ। যে মাঠে অন্যান্য বারের মতো মঙ্গলবারও দুই দেশের মানুষ একসঙ্গে নমাজ আদায় করলেন। নমাজ শেষে পরস্পরের মধ্যে কুশল বিনিময়ও করলেন। এদিন সূর্যের আলো ফুটতেই বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বাঘমারা ও তার আশপাশের গ্রামের মানুষ নতুন জামাকাপড় পরে হাঁড়িপুকুরের ঈদগাহ্‌র মাঠে এসে জমা হয়েছিলেন। এদেশের হাঁড়িপুকুরের বাসিন্দাদের পাশে বসে তাঁরা সকাল ন’টার সময়ে ঈদগা‌‌র পরিচালক মৌলানা আবুল হোসেনের নেতৃত্বে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে কুশল বিনিময়ের পরে যে যার নিজের ভূখন্ডে ফিরেও গিয়েছেন। প্রতি বছর দুই পারের বাসিন্দারাই অধীর আগ্রহে পবিত্র এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন কবে ঈদ আসবে আর কখন একে অপরকে বুকে জড়িয়ে ধরবেন।​ ​ দেশভাগের সময় থেকে এই ভাবেই পবিত্র দিনগুলিতে দুই বাংলার মানুষের মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের হাঁড়িপুকুর গ্রামের এই ঈদগাহ্‌‌র মাঠটি।

Comments

Comments!

 সীমান্ত পেরিয়ে ভারত থেকে এসে বাংলাদেশের মাটিতে ঈদের জামাতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সীমান্ত পেরিয়ে ভারত থেকে এসে বাংলাদেশের মাটিতে ঈদের জামাত

Tuesday, September 13, 2016 8:53 pm

দক্ষিণ দিনাজপুরের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া হাঁড়িপুকুর গ্রামে প্রতি বছরই বাংলাদেশের বেশ কিছু বাসিন্দা একসঙ্গে নমাজ আদায় করেন। এবছরও তার ব্যতিক্রম হল না। কাঁটাতারের দু’পারে দুই দেশ।

অদৃশ্য সীমান্তরেখা পেরিয়ে তাই ঈদের দিন সকালে ওপার বাংলার দিনাজপুর জেলার বাঘমারাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা এপারে চলে আসেন। সারা বছর নিজেদের পরিচয় ভারতীয় এবং বাংলাদেশি বলে জানলেও বছরের এই দিনটিতে সমস্ত বিভেদ হঠে যায়। পবিত্র এই দিনে সীমান্তরক্ষী বাহিনীও তেমন সক্রিয় থাকে না।

ধর্মীয় আবেগের কাছে হার মানে আইন। বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে জিরো পয়েন্ট লাগোয়া এই হাঁড়িপুকুর গ্রামে ঢোকার রাস্তার বাঁ-দিকে চাষের জমির পাশেই রয়েছে ঈদগাহর মাঠ।

যে মাঠে অন্যান্য বারের মতো মঙ্গলবারও দুই দেশের মানুষ একসঙ্গে নমাজ আদায় করলেন। নমাজ শেষে পরস্পরের মধ্যে কুশল বিনিময়ও করলেন। এদিন সূর্যের আলো ফুটতেই বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বাঘমারা ও তার আশপাশের গ্রামের মানুষ নতুন জামাকাপড় পরে হাঁড়িপুকুরের ঈদগাহ্‌র মাঠে এসে জমা হয়েছিলেন। এদেশের হাঁড়িপুকুরের বাসিন্দাদের পাশে বসে তাঁরা সকাল ন’টার সময়ে ঈদগা‌‌র পরিচালক মৌলানা আবুল হোসেনের নেতৃত্বে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে কুশল বিনিময়ের পরে যে যার নিজের ভূখন্ডে ফিরেও গিয়েছেন। প্রতি বছর দুই পারের বাসিন্দারাই অধীর আগ্রহে পবিত্র এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন কবে ঈদ আসবে আর কখন একে অপরকে বুকে জড়িয়ে ধরবেন।​ ​ দেশভাগের সময় থেকে এই ভাবেই পবিত্র দিনগুলিতে দুই বাংলার মানুষের মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের হাঁড়িপুকুর গ্রামের এই ঈদগাহ্‌‌র মাঠটি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X