মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৫৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, September 28, 2016 9:28 am
A- A A+ Print

সুন্দরবনে রাডার বসাচ্ছে ভারত

246656_1

সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতে সন্ত্রাসবাদীরা ঢুকে নাশকতা চালাতে পারে বলে আশংকা করছে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। তাদের আশংকা, সুন্দরবন হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে জঙ্গিরা। তেমনটা যাতে না ঘটে সেজন্য সুন্দরবনে রাডার বসানোর পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। সোমবার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েই হোক বা সাগর পাড়ি দিয়ে, স্থলপথে-জলপথে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ নতুন নয়। বিশেষত ২৬/১১-র অভিজ্ঞতা মনে রেখে নানা সময়েই নানা রাজ্যকে সতর্ক করা হয়েছে। সেই সূত্রেই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে আরবসাগর-বঙ্গোপসাগরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিচ্ছিন্ন ভারতীয় দ্বীপগুলোর নিরাপত্তার প্রশ্ন। তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন। আনন্দবাজার জানায়, সম্প্রতি সুন্দরবনসহ ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা মোট ১৩৮২টি দ্বীপের সুরক্ষা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। এগুলোর অধিকাংশে মানুষের বসবাস নেই। নিরাপত্তা সে রকম পোক্ত নয়। গোয়েন্দাদের আশংকা ভারতের মাটিতে নাশকতার লক্ষ্য নিয়ে পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ উপকূলের এই দ্বীপ-রুট ধরে জঙ্গিরা সহজেই ঢুকে পড়তে পারে। এরকম আশংকার কথা মাথায় রেখে নয়াদিল্লি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের সুরক্ষা মজবুত করতে নৌ-বাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্ট গার্ড) ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যসরকার মিলে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে, যা বাস্তবায়নের ভিত্তি হবে মূলত প্রযুক্তি। যেমন- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাডার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরন্তর নজরদারিই এখানে একমাত্র পথ। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে কোস্ট গার্ড যেভাবে নজরদারি চালায়, এ ক্ষেত্রে তাকে ‘মডেল’ করার প্রাথমিক একটা ভাবনাও মজুদ। জানা যাচ্ছে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মাস তিনেক আগে সব রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশ প্রধানদের ডেকেছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপকূলের বিপদ বোঝাতে গিয়ে কার্যত অরক্ষিত ওই ১৩৮২টি দ্বীপের প্রসঙ্গ সেখানেই ওঠে। রাজ্যের প্রতিনিধিদের হুশিয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনোভাবে অরক্ষিত দ্বীপে সুরক্ষা-জাল (স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেট) বসাতে হবে।’ সূত্র জানায়, পূর্ব উপকূলে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সবচেয়ে বেশি সুন্দরবনে। অধিকাংশে জনবসতি নেই। এ ব্যাপারে রাজ্যসরকারও চিন্তিত। রাজনাথের বৈঠকের সূত্র ধরে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল-সুরক্ষা খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। নৌবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সদর ‘আইএনএস নেতাজি সুভাষ’-এ অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কর্তারা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপকূল ও বসতিহীন দ্বীপের পরিস্থিতি তারা খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করেছেন। পর্যালোচনার সময়ে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের তরফে বিবিধ আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। গভীর সমুদ্রগামী মাছ ধরা ট্রলার নিয়েই উদ্বেগটা বেশি।

Comments

Comments!

 সুন্দরবনে রাডার বসাচ্ছে ভারতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সুন্দরবনে রাডার বসাচ্ছে ভারত

Wednesday, September 28, 2016 9:28 am
246656_1

সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতে সন্ত্রাসবাদীরা ঢুকে নাশকতা চালাতে পারে বলে আশংকা করছে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। তাদের আশংকা, সুন্দরবন হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে জঙ্গিরা। তেমনটা যাতে না ঘটে সেজন্য সুন্দরবনে রাডার বসানোর পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। সোমবার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েই হোক বা সাগর পাড়ি দিয়ে, স্থলপথে-জলপথে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ নতুন নয়। বিশেষত ২৬/১১-র অভিজ্ঞতা মনে রেখে নানা সময়েই নানা রাজ্যকে সতর্ক করা হয়েছে। সেই সূত্রেই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে আরবসাগর-বঙ্গোপসাগরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিচ্ছিন্ন ভারতীয় দ্বীপগুলোর নিরাপত্তার প্রশ্ন। তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন। আনন্দবাজার জানায়, সম্প্রতি সুন্দরবনসহ ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা মোট ১৩৮২টি দ্বীপের সুরক্ষা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। এগুলোর অধিকাংশে মানুষের বসবাস নেই। নিরাপত্তা সে রকম পোক্ত নয়। গোয়েন্দাদের আশংকা ভারতের মাটিতে নাশকতার লক্ষ্য নিয়ে পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ উপকূলের এই দ্বীপ-রুট ধরে জঙ্গিরা সহজেই ঢুকে পড়তে পারে।

এরকম আশংকার কথা মাথায় রেখে নয়াদিল্লি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের সুরক্ষা মজবুত করতে নৌ-বাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্ট গার্ড) ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যসরকার মিলে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে, যা বাস্তবায়নের ভিত্তি হবে মূলত প্রযুক্তি। যেমন- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাডার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরন্তর নজরদারিই এখানে একমাত্র পথ। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে কোস্ট গার্ড যেভাবে নজরদারি চালায়, এ ক্ষেত্রে তাকে ‘মডেল’ করার প্রাথমিক একটা ভাবনাও মজুদ।

জানা যাচ্ছে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মাস তিনেক আগে সব রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশ প্রধানদের ডেকেছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপকূলের বিপদ বোঝাতে গিয়ে কার্যত অরক্ষিত ওই ১৩৮২টি দ্বীপের প্রসঙ্গ সেখানেই ওঠে। রাজ্যের প্রতিনিধিদের হুশিয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনোভাবে অরক্ষিত দ্বীপে সুরক্ষা-জাল (স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেট) বসাতে হবে।’ সূত্র জানায়, পূর্ব উপকূলে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সবচেয়ে বেশি সুন্দরবনে। অধিকাংশে জনবসতি নেই। এ ব্যাপারে রাজ্যসরকারও চিন্তিত। রাজনাথের বৈঠকের সূত্র ধরে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল-সুরক্ষা খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। নৌবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সদর ‘আইএনএস নেতাজি সুভাষ’-এ অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কর্তারা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপকূল ও বসতিহীন দ্বীপের পরিস্থিতি তারা খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করেছেন। পর্যালোচনার সময়ে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের তরফে বিবিধ আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। গভীর সমুদ্রগামী মাছ ধরা ট্রলার নিয়েই উদ্বেগটা বেশি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X