বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:১৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, May 8, 2017 2:31 pm
A- A A+ Print

সুপ্রিম কোর্ট থেকে গণভবন ও বঙ্গভবনের দূরত্ব অনেক বেশি হয়ে গেছে

174240_1

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়ন না হওয়ার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়নে সরকারকে আরো এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নেতৃত্বাধানী পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ সময় মঞ্জুর করেন। অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত বলেন, নিউ ইয়র্ক থেকে টোকিওর দূরত্ব কত? সুপ্রিম কোর্ট থেকে গণভবন এবং বঙ্গভবনের দূরত্ব তার চেয়েও বেশি। এর আগে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে বেশ কয়েকবার সময় নিয়েছে সরকার। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের জন্য আজকের দিন পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। গত ১১ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় থেকে এক নোটিশে জানানো হয়, নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ গেজেট প্রকাশ করতে রাষ্ট্রপক্ষকে এক সপ্তাহ সময় দেন। এরপর নির্ধারিত তারিখেও গেজেট প্রণয়ন না হওয়ায় ৮ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিবকে তলব করে আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা ২ জানুয়ারি আদালতে হাজির হন। ইতোমধ্যে সরকার যে রুলস তৈরি করে পাঠিয়েছে তা সুপ্রিম কোর্টের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। কারণ মাসদার হোসেন মামলার রায়ের ১২ দফার মধ্যে ৭ম দফায় বলা আছে, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য যে রুলস ফ্রেম করা হবে, তাতে শাসন বিভাগের চেয়ে বিচার বিভাগের মতামত প্রাধান্য পাবে। ১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে বেশ কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এ জন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদীপক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করে। এ অবস্থায় ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃংখলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃংখলাবিধি তৈরি করেন। গত ২ জানুয়ারি সোমবার এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

Comments

Comments!

 সুপ্রিম কোর্ট থেকে গণভবন ও বঙ্গভবনের দূরত্ব অনেক বেশি হয়ে গেছেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সুপ্রিম কোর্ট থেকে গণভবন ও বঙ্গভবনের দূরত্ব অনেক বেশি হয়ে গেছে

Monday, May 8, 2017 2:31 pm
174240_1
নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়ন না হওয়ার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়নে সরকারকে আরো এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নেতৃত্বাধানী পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ সময় মঞ্জুর করেন। অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত বলেন, নিউ ইয়র্ক থেকে টোকিওর দূরত্ব কত? সুপ্রিম কোর্ট থেকে গণভবন এবং বঙ্গভবনের দূরত্ব তার চেয়েও বেশি। এর আগে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে বেশ কয়েকবার সময় নিয়েছে সরকার। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের জন্য আজকের দিন পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। গত ১১ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় থেকে এক নোটিশে জানানো হয়, নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ গেজেট প্রকাশ করতে রাষ্ট্রপক্ষকে এক সপ্তাহ সময় দেন। এরপর নির্ধারিত তারিখেও গেজেট প্রণয়ন না হওয়ায় ৮ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিবকে তলব করে আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা ২ জানুয়ারি আদালতে হাজির হন। ইতোমধ্যে সরকার যে রুলস তৈরি করে পাঠিয়েছে তা সুপ্রিম কোর্টের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। কারণ মাসদার হোসেন মামলার রায়ের ১২ দফার মধ্যে ৭ম দফায় বলা আছে, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য যে রুলস ফ্রেম করা হবে, তাতে শাসন বিভাগের চেয়ে বিচার বিভাগের মতামত প্রাধান্য পাবে। ১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে বেশ কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এ জন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদীপক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করে। এ অবস্থায় ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃংখলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃংখলাবিধি তৈরি করেন। গত ২ জানুয়ারি সোমবার এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X