শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:০৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, September 4, 2017 12:34 am
A- A A+ Print

‘সু চির গুণ কাজে লাগাতে’ বললেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

photo-1504453007

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে সতর্ক করে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর যে আচরণ করা হচ্ছে, তার ফলে দেশটির সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আজ রোববার জনসন আরো বলেন, রাখাইন রাজ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের অবসান ঘটাতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সু চির উচিত তার অসাধারণ সব গুণ কাজে লাগানো। সপ্তাহখানেক আগে রাখাইনে ছড়িয়ে সহিংসতার পর এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার (জাতিসংঘ বলছে ৭৩ হাজার) রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এছাড়া সরকারি হিসেবে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, যার বেশি ভাগই রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুরা তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ২০টির বেশি পুলিশচৌকিতে হামলার পর তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে। মিয়ানমারের দরিদ্রতম রাজ্য রাখাইনে ১০ লক্ষাধিক মানুষের আবাস। ২০১৬ সালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন হতিন কিয়াও। কারণ সংবিধানে সু চিকে প্রেসিডেন্ট হতে নিষেধ করা হয়েছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসন বলেন, ‘আমাদের সময়ের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচেনা করা হয় সু চিকে, এটা ঠিকই বলা হয়। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর যে আচরণ করা হচ্ছে, তার ফলে মিয়ানমারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তিনি (সু চি) তার দেশকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে বিপুল সমস্যার মুখোমুখি। আমি আশা করি, তিনি এখন তার দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে, রাখাইনে মুসলিম ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর বিদ্বেষ থামাতে অসাধারণ সব গুণ ব্যবহার করবেন।’ জনসন বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বার্মিজ সামরিক বাহিনীর সমর্থন আছে তার এবং তার শান্তি অবস্থা সৃষ্টির প্রচেষ্টা হতাশাজনক নয়। তিনি ও বার্মার সবাই আমাদের পূর্ণ সমর্থন পাবেন।’ মিয়ানমারে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তদবির চালায় বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে নামের একটি সংগঠন। এর পরিচালক মার্ক ফারমানার বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসনের উচিত ছিল মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিং অং হ্লেইং-এর সমালোচনা করা। তার অধীনস্ত সেনাসদস্যরাই রোহিঙ্গাদের হত্যা করছে।

Comments

Comments!

 ‘সু চির গুণ কাজে লাগাতে’ বললেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘সু চির গুণ কাজে লাগাতে’ বললেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Monday, September 4, 2017 12:34 am
photo-1504453007

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে সতর্ক করে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর যে আচরণ করা হচ্ছে, তার ফলে দেশটির সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

আজ রোববার জনসন আরো বলেন, রাখাইন রাজ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের অবসান ঘটাতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সু চির উচিত তার অসাধারণ সব গুণ কাজে লাগানো।

সপ্তাহখানেক আগে রাখাইনে ছড়িয়ে সহিংসতার পর এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার (জাতিসংঘ বলছে ৭৩ হাজার) রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এছাড়া সরকারি হিসেবে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, যার বেশি ভাগই রোহিঙ্গা।

রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুরা তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ২০টির বেশি পুলিশচৌকিতে হামলার পর তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে।

মিয়ানমারের দরিদ্রতম রাজ্য রাখাইনে ১০ লক্ষাধিক মানুষের আবাস। ২০১৬ সালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন হতিন কিয়াও। কারণ সংবিধানে সু চিকে প্রেসিডেন্ট হতে নিষেধ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসন বলেন, ‘আমাদের সময়ের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচেনা করা হয় সু চিকে, এটা ঠিকই বলা হয়। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর যে আচরণ করা হচ্ছে, তার ফলে মিয়ানমারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তিনি (সু চি) তার দেশকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে বিপুল সমস্যার মুখোমুখি। আমি আশা করি, তিনি এখন তার দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে, রাখাইনে মুসলিম ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর বিদ্বেষ থামাতে অসাধারণ সব গুণ ব্যবহার করবেন।’

জনসন বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বার্মিজ সামরিক বাহিনীর সমর্থন আছে তার এবং তার শান্তি অবস্থা সৃষ্টির প্রচেষ্টা হতাশাজনক নয়। তিনি ও বার্মার সবাই আমাদের পূর্ণ সমর্থন পাবেন।’

মিয়ানমারে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তদবির চালায় বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে নামের একটি সংগঠন। এর পরিচালক মার্ক ফারমানার বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসনের উচিত ছিল মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিং অং হ্লেইং-এর সমালোচনা করা। তার অধীনস্ত সেনাসদস্যরাই রোহিঙ্গাদের হত্যা করছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X