রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, September 7, 2016 11:29 am
A- A A+ Print

সেলিনা পারভীন; নিভিয়ে দেয়া জলন্ত প্রদিপ

Selina_Parvin_001-1

শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীনকে ছিলেন স্বাধীনচেতা এক নারী। তিনি পাকিস্তান আমলে একজন নির্ভিক কলম সৈনিক ছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সাংবাদিকতা করেছেন। তিনি সাপ্তাহিক বেগম, সাপ্তাহিক ললনা, ও শিলালিপি পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তিগত তথ্য: সেলিনা পারভীনের জন্ম ফেনী তে ১৯৩১ সালে। তাঁর পিতা মো: আবিদুর রহমান শিক্ষকতা করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তাঁদের ফেনীর বাড়ি দখল হয়ে যায়। যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময়ই তিনি সাহিত্যের অনুরাগী হয়ে গল্প ও কবিতা লিখা শুরু করেন। গ্রামীণ কুসংস্কারের মারপ্যাঁচে তাঁর পড়ালেখার সাময়িক ইতি ঘটে তখন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তাঁর অমতে তখনকার প্রথামত বিয়ে দেয়া হয় । তিনি ঐ বয়সে স্বামীর সাথে থাকার কথা ভাবতে পারেননি। ১০ বছর টিকেছিল সে বিয়ে। পরবর্তীতে তিনি আবার পড়ালেখা শুরু করেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মেট্রিকুলেশনে কৃতকার্য হননি।
91643395
শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক,ফেনী
সাংবাদিক জীবন: ১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল- এ হল পরিচালকের দায়িত্ব নেন। এক বছর পর এই চাকুরী ছেড়ে দেন। তৎকালীন ললনা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বিভাগে চাকুরী নেন ৷ বিজ্ঞাপন সংগ্রহ এবং টাকা তোলার কাজ করতেন৷ এরপর বেগম পত্রিকায় লেখালেখি করতেন। ১৯৬৯ সালে বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বের করেন শিলালিপি নামে একটি পত্রিকা ৷ পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন সেলিনা পারভীন নিজেই ৷ তখনকার স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্রায় সকল বুদ্ধিজীবীদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হতো শিলালিপি পত্রিকাটি। ফলে বুদ্ধিজীবি মহলে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন সেলিনা পারভীন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শিলালিপির উপরও নেমে আসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর থাবা। হাসেম খানের প্রচ্ছদ করা শিলালিপির প্রকাশিতব্য একটি সংখ্যা নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান সরকার৷ শর্ত সাপেক্ষে আবার শিলালিপি প্রকাশের অনুমতি দেয় পাকিস্তান সরকার। ৭১ সালের আগষ্ট-সেপ্টেম্বরে তাঁর সম্পাদনায় বের করেন শিলালিপির শেষ সংখ্যা। কিন্তু এর আগের সংখ্যাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের বুদ্ধিজীবীদের লেখা দিয়ে বের করায় আবার পাকিস্তান সরকারের রোষানলে পরেন সেলিনা পারভীন।
মৌচাক থেকে মগবাজার পর্যন্ত রাস্তাটি শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক নামকরণ করা হয়েছে
মৌচাক থেকে মগবাজার পর্যন্ত রাস্তাটি শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক নামকরণ করা হয়েছে
স্বাধীকার আন্দোলন: ১৯৬৯-এর রাজনৈতিক আন্দোলনে উত্তাল বাংলাদেশ৷ নিজেও শরিক হন গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন কর্মকাণ্ডে৷ ছেলেকে সঙ্গে নিয়েই বেরিয়ে পড়তেন ‘৬৯-এর ২১ ফেব্রুয়ারি পল্টনের জনসভায় বা শহীদ মিনার থেকে বের হওয়া নারীদের মিছিলে যোগ দিতে৷ শরিক হতেন বুদ্ধিজীবীদের প্রতিবাদে আর সভায়ও৷ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখদের সাথে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে সমাজতন্ত্রের প্রতিও আস্থাশীল হয়ে পড়েন তিনি৷ এরই মধ্যে শুরু হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ৷ মুক্তিযুদ্ধের সময় সেলিনা পারভীন ঢাকায় ছিলেন৷ তাঁর বাসায় মাঝে মাঝে রাত হলে কয়েকজন তরুণ আসতেন৷ খাওয়া-দাওয়া করে চলে যাওয়ার আগে এরা সেলিনা পারভীনের কাছ থেকে সংগৃহীত ঔষধ, কাপড় আর অর্থ নিয়ে যেতেন৷ শিলালিপির বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়েই তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করতেন৷ এই তরুণদের সকলেই ছিলেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা৷ চারিদিকে তখন চলছে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, প্রতিরোধ৷ চারপাশে শুধু বুলেটের শব্দ আর বারুদের গন্ধ, চিৎকার, গোঙানি, রক্তস্রোত আর মৃত্যু৷ এরই মাঝে ললনা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম৷ শিলালিপির উপরও নেমে আসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর খড়্গ৷ হাশেম খানের প্রচ্ছদ করা একটি শিলালিপির প্রকাশিতব্য সংখ্যা নিষিদ্ধ করে দেয় পাকিস্তান সরকার৷ পরে অবশ্য প্রকাশের অনুমতি মিললো তবে শর্ত হলো নতুনভাবে সাজাতে হবে৷ সেলিনা পারভীন বরাবরের মতো প্রচ্ছদ না নিয়ে তাঁর ভাইয়ের ছেলের ছবি দিয়ে প্রচ্ছদ করে আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে শিলালিপির সর্বশেষ সংখ্যা বের করেন৷ কিন্তু এর আগের সংখ্যার জন্যই সেলিনা পারভীন পাকিস্তানী ও তাদের দালালদের নজরে পড়ে যান৷ যেটাতে ছিল দেশবরেণ্য বুদ্ধীজীবীদের লেখা এবং স্বাধীনতার পক্ষের লেখা৷ তাই কাল হলো৷ শিলালিপির আরেকটি সংখ্যা বের করার আগে নিজেই হারিয়ে গেলেন৷ মৃত্যু: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে আল-বদর বাহিনীর সদস্যরা ধরে নিয়ে যায় সেলিনা পারভীনকে। সে সময় বাসায় ছিল তার সন্তান সুমন, মা এবং ভাই উজির। ধারনা করা হয় ১৪ ডিসেম্বর অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের সাথে তাকেও আল-বদর বাহিনী লোকেরা হত্যা করে। ১৮ ডিসেম্বর সেলিনা পারভীনের ক্ষত বিক্ষত মৃতদেহ রায়েরবাজার বধ্যভূমিত থেকে সনাক্ত করে তার মা ও ভাই৷ ১৮ ডিসেম্বরই তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে সমাহিত করা হয়৷

Comments

Comments!

 সেলিনা পারভীন; নিভিয়ে দেয়া জলন্ত প্রদিপAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

সেলিনা পারভীন; নিভিয়ে দেয়া জলন্ত প্রদিপ

Wednesday, September 7, 2016 11:29 am
Selina_Parvin_001-1

শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীনকে ছিলেন স্বাধীনচেতা এক নারী। তিনি পাকিস্তান আমলে একজন নির্ভিক কলম সৈনিক ছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সাংবাদিকতা করেছেন। তিনি সাপ্তাহিক বেগম, সাপ্তাহিক ললনা, ও শিলালিপি পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যক্তিগত তথ্য:

সেলিনা পারভীনের জন্ম ফেনী তে ১৯৩১ সালে। তাঁর পিতা মো: আবিদুর রহমান শিক্ষকতা করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তাঁদের ফেনীর বাড়ি দখল হয়ে যায়। যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময়ই তিনি সাহিত্যের অনুরাগী হয়ে গল্প ও কবিতা লিখা শুরু করেন। গ্রামীণ কুসংস্কারের মারপ্যাঁচে তাঁর পড়ালেখার সাময়িক ইতি ঘটে তখন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তাঁর অমতে তখনকার প্রথামত বিয়ে দেয়া হয় । তিনি ঐ বয়সে স্বামীর সাথে থাকার কথা ভাবতে পারেননি। ১০ বছর টিকেছিল সে বিয়ে। পরবর্তীতে তিনি আবার পড়ালেখা শুরু করেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মেট্রিকুলেশনে কৃতকার্য হননি।

91643395
শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক,ফেনী

সাংবাদিক জীবন:

১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল- এ হল পরিচালকের দায়িত্ব নেন। এক বছর পর এই চাকুরী ছেড়ে দেন। তৎকালীন ললনা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বিভাগে চাকুরী নেন ৷ বিজ্ঞাপন সংগ্রহ এবং টাকা তোলার কাজ করতেন৷ এরপর বেগম পত্রিকায় লেখালেখি করতেন। ১৯৬৯ সালে বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বের করেন শিলালিপি নামে একটি পত্রিকা ৷ পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন সেলিনা পারভীন নিজেই ৷ তখনকার স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্রায় সকল বুদ্ধিজীবীদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হতো শিলালিপি পত্রিকাটি। ফলে বুদ্ধিজীবি মহলে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন সেলিনা পারভীন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শিলালিপির উপরও নেমে আসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর থাবা। হাসেম খানের প্রচ্ছদ করা শিলালিপির প্রকাশিতব্য একটি সংখ্যা নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান সরকার৷ শর্ত সাপেক্ষে আবার শিলালিপি প্রকাশের অনুমতি দেয় পাকিস্তান সরকার। ৭১ সালের আগষ্ট-সেপ্টেম্বরে তাঁর সম্পাদনায় বের করেন শিলালিপির শেষ সংখ্যা। কিন্তু এর আগের সংখ্যাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের বুদ্ধিজীবীদের লেখা দিয়ে বের করায় আবার পাকিস্তান সরকারের রোষানলে পরেন সেলিনা পারভীন।

মৌচাক থেকে মগবাজার পর্যন্ত রাস্তাটি শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক নামকরণ করা হয়েছে
মৌচাক থেকে মগবাজার পর্যন্ত রাস্তাটি শহীদ সেলিনা পারভীন সড়ক নামকরণ করা হয়েছে

স্বাধীকার আন্দোলন:

১৯৬৯-এর রাজনৈতিক আন্দোলনে উত্তাল বাংলাদেশ৷ নিজেও শরিক হন গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন কর্মকাণ্ডে৷ ছেলেকে সঙ্গে নিয়েই বেরিয়ে পড়তেন ‘৬৯-এর ২১ ফেব্রুয়ারি পল্টনের জনসভায় বা শহীদ মিনার থেকে বের হওয়া নারীদের মিছিলে যোগ দিতে৷ শরিক হতেন বুদ্ধিজীবীদের প্রতিবাদে আর সভায়ও৷ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখদের সাথে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে সমাজতন্ত্রের প্রতিও আস্থাশীল হয়ে পড়েন তিনি৷ এরই মধ্যে শুরু হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ৷ মুক্তিযুদ্ধের সময় সেলিনা পারভীন ঢাকায় ছিলেন৷ তাঁর বাসায় মাঝে মাঝে রাত হলে কয়েকজন তরুণ আসতেন৷ খাওয়া-দাওয়া করে চলে যাওয়ার আগে এরা সেলিনা পারভীনের কাছ থেকে সংগৃহীত ঔষধ, কাপড় আর অর্থ নিয়ে যেতেন৷ শিলালিপির বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়েই তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করতেন৷ এই তরুণদের সকলেই ছিলেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা৷

চারিদিকে তখন চলছে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, প্রতিরোধ৷ চারপাশে শুধু বুলেটের শব্দ আর বারুদের গন্ধ, চিৎকার, গোঙানি, রক্তস্রোত আর মৃত্যু৷ এরই মাঝে ললনা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম৷ শিলালিপির উপরও নেমে আসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর খড়্গ৷ হাশেম খানের প্রচ্ছদ করা একটি শিলালিপির প্রকাশিতব্য সংখ্যা নিষিদ্ধ করে দেয় পাকিস্তান সরকার৷ পরে অবশ্য প্রকাশের অনুমতি মিললো তবে শর্ত হলো নতুনভাবে সাজাতে হবে৷ সেলিনা পারভীন বরাবরের মতো প্রচ্ছদ না নিয়ে তাঁর ভাইয়ের ছেলের ছবি দিয়ে প্রচ্ছদ করে আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে শিলালিপির সর্বশেষ সংখ্যা বের করেন৷ কিন্তু এর আগের সংখ্যার জন্যই সেলিনা পারভীন পাকিস্তানী ও তাদের দালালদের নজরে পড়ে যান৷ যেটাতে ছিল দেশবরেণ্য বুদ্ধীজীবীদের লেখা এবং স্বাধীনতার পক্ষের লেখা৷ তাই কাল হলো৷ শিলালিপির আরেকটি সংখ্যা বের করার আগে নিজেই হারিয়ে গেলেন৷

মৃত্যু:

১৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে আল-বদর বাহিনীর সদস্যরা ধরে নিয়ে যায় সেলিনা পারভীনকে। সে সময় বাসায় ছিল তার সন্তান সুমন, মা এবং ভাই উজির। ধারনা করা হয় ১৪ ডিসেম্বর অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের সাথে তাকেও আল-বদর বাহিনী লোকেরা হত্যা করে। ১৮ ডিসেম্বর সেলিনা পারভীনের ক্ষত বিক্ষত মৃতদেহ রায়েরবাজার বধ্যভূমিত থেকে সনাক্ত করে তার মা ও ভাই৷ ১৮ ডিসেম্বরই তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে সমাহিত করা হয়৷

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X