বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:০৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, July 18, 2017 10:06 am
A- A A+ Print

স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করায় ডিভোর্স

5

তাইপে: আপনি কি কখনো আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হোন, এটা কিন্তু আপনার বিরুদ্ধে কোর্টে ব্যবহার করা হতে পারে। তাইওয়ানে এক মহিলাকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে- কারণ টেক্মট মেসেজ পড়া হয়েছে কি না, সেই ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ করতে পরেছেন তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করছিলেন। ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপটির সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো খুলেছিলেন, কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি। এ মাসের গোড়ায় আদালতের বিচারক তাই স্ত্রীর অনুকূলেই রায় দিয়েছেন। এই পদ্ধতিকে বলে ব্লু-টিকিং, যা থেকে বোঝা যায় স্মার্টফোনে পাঠানো কোনো বার্তা পড়া হয়েছে কি না। ভাবনাটার জন্ম হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ থেকে। তাইওয়ানের শিনচু ডিস্ট্রিক্টের পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই বিয়ে আর মেরামত করার জায়গায় নেই। লিন পদবীধারী স্ত্রী ছমাস ধরে তার স্বামীকে বহু মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। একটা মেসেজে তিনি এ কথাও লেখেন তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে - এবং কেন তার স্বামী কোনো মেসেজের জবাব দিচ্ছেন না? তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন। ওই দম্পতি ২০১২ সাল থেকে বিবাহিত ছিলেন। স্বামী অবশ্য বিবাহ বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন। সূত্র: বিবিসি

Comments

Comments!

 স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করায় ডিভোর্সAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করায় ডিভোর্স

Tuesday, July 18, 2017 10:06 am
5

তাইপে: আপনি কি কখনো আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হোন, এটা কিন্তু আপনার বিরুদ্ধে কোর্টে ব্যবহার করা হতে পারে।

তাইওয়ানে এক মহিলাকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে- কারণ টেক্মট মেসেজ পড়া হয়েছে কি না, সেই ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ করতে পরেছেন তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করছিলেন।

ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপটির সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো খুলেছিলেন, কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি।

এ মাসের গোড়ায় আদালতের বিচারক তাই স্ত্রীর অনুকূলেই রায় দিয়েছেন।

এই পদ্ধতিকে বলে ব্লু-টিকিং, যা থেকে বোঝা যায় স্মার্টফোনে পাঠানো কোনো বার্তা পড়া হয়েছে কি না।

ভাবনাটার জন্ম হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ থেকে।

তাইওয়ানের শিনচু ডিস্ট্রিক্টের পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই বিয়ে আর মেরামত করার জায়গায় নেই।

লিন পদবীধারী স্ত্রী ছমাস ধরে তার স্বামীকে বহু মেসেজ পাঠিয়েছিলেন।

একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন।

একটা মেসেজে তিনি এ কথাও লেখেন তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে – এবং কেন তার স্বামী কোনো মেসেজের জবাব দিচ্ছেন না?

তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন।

তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সাল থেকে বিবাহিত ছিলেন। স্বামী অবশ্য বিবাহ বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

সূত্র: বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X