শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:৪৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, November 9, 2016 10:25 pm
A- A A+ Print

স্ত্রী-ছেলেসহ মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে মামলা সচল হচ্ছে

অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খানসহ তাঁর পরিবারের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাটি সচল হচ্ছে। এই মামলায় দুদককে অধিকতর তদন্ত করার অনুমতি দিয়েছেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের করা এক আবেদনের নিষ্পত্তি করে আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এই রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার ছয় সপ্তাহের মধ্যে মোরশেদ খান, তাঁর স্ত্রী নাসরিন খান ও ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করলে তাঁদের জামিন দিতে বলা হয়েছে। হংকংয়ের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ওই তিনজনের হিসাব জব্দে যে আদেশ ছিল, তা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে বলেছেন আদালত। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম। অপর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন। বলেছেন আইন অনুসারে দুদকের পুনঃ তদন্ত করার ক্ষমতা আছে এবং অধিকতর তদন্ত করতে পারবে। এই রায়ের ফলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হলো। ওই ব্যাংকে তাঁদের হিসাবে ১৬ মিলিয়ন হংকং ডলার রয়েছে বলে জানা যায়। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। মানি লন্ডারিং নিয়ন্ত্রণ আইনে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সাবেক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খান, তাঁর স্ত্রী নাসরিন খান ও ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলাটি করে দুদক। এই মামলায় গত বছরের জুলাইয়ে দুদক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। এতে বলা হয়, এখানে কোনো মানি লন্ডারিং হয়নি। এই চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি চলতি এপ্রিলে বিচারিক আদালত গ্রহণ করেন। ফলে অব্যাহতি পান মোরশেদ খান, নাসরিন খান ও ফয়সাল মোরশেদ খান। দুদক সূত্র জানায়, হংকংয়ের পুলিশ এক বার্তায় জানায়, হংকংয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রশাসনিক আদেশে ২০০৮ সাল থেকে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ওই হিসাবটি (তিনজন) জব্দ (ফ্রিজ) ছিল। বাংলাদেশের আদালত তাঁদের অব্যাহতি দেওয়ায় ওই হিসাব আর জব্দ অবস্থায় থাকবে না। এ অবস্থায় দুদক মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় অভিযোগ পুনঃ তদন্ত এবং ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে নারাজি আবেদন দেয় দুদক। আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২ জুন মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত দুটি আবেদনই খারিজ করে দেন। নিম্ন আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে গত জুনে দুদক হাইকোর্টে আবেদন করে। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে ৫ জুন হাইকোর্ট রুলসহ ব্যাংক হিসাব জব্দ রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। রুলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের আদেশ বাতিল করে কেন পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। ১ সেপ্টেম্বর এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ ৯ নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেন।

Comments

Comments!

 স্ত্রী-ছেলেসহ মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে মামলা সচল হচ্ছেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

স্ত্রী-ছেলেসহ মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে মামলা সচল হচ্ছে

Wednesday, November 9, 2016 10:25 pm

অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খানসহ তাঁর পরিবারের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাটি সচল হচ্ছে। এই মামলায় দুদককে অধিকতর তদন্ত করার অনুমতি দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের করা এক আবেদনের নিষ্পত্তি করে আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এই রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার ছয় সপ্তাহের মধ্যে মোরশেদ খান, তাঁর স্ত্রী নাসরিন খান ও ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করলে তাঁদের জামিন দিতে বলা হয়েছে। হংকংয়ের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ওই তিনজনের হিসাব জব্দে যে আদেশ ছিল, তা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে বলেছেন আদালত।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম। অপর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন। বলেছেন আইন অনুসারে দুদকের পুনঃ তদন্ত করার ক্ষমতা আছে এবং অধিকতর তদন্ত করতে পারবে। এই রায়ের ফলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হলো। ওই ব্যাংকে তাঁদের হিসাবে ১৬ মিলিয়ন হংকং ডলার রয়েছে বলে জানা যায়। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

মানি লন্ডারিং নিয়ন্ত্রণ আইনে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সাবেক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খান, তাঁর স্ত্রী নাসরিন খান ও ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলাটি করে দুদক। এই মামলায় গত বছরের জুলাইয়ে দুদক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। এতে বলা হয়, এখানে কোনো মানি লন্ডারিং হয়নি। এই চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি চলতি এপ্রিলে বিচারিক আদালত গ্রহণ করেন। ফলে অব্যাহতি পান মোরশেদ খান, নাসরিন খান ও ফয়সাল মোরশেদ খান।

দুদক সূত্র জানায়, হংকংয়ের পুলিশ এক বার্তায় জানায়, হংকংয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রশাসনিক আদেশে ২০০৮ সাল থেকে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ওই হিসাবটি (তিনজন) জব্দ (ফ্রিজ) ছিল। বাংলাদেশের আদালত তাঁদের অব্যাহতি দেওয়ায় ওই হিসাব আর জব্দ অবস্থায় থাকবে না। এ অবস্থায় দুদক মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এর ধারাবাহিকতায় অভিযোগ পুনঃ তদন্ত এবং ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে নারাজি আবেদন দেয় দুদক। আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২ জুন মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত দুটি আবেদনই খারিজ করে দেন। নিম্ন আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে গত জুনে দুদক হাইকোর্টে আবেদন করে। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে ৫ জুন হাইকোর্ট রুলসহ ব্যাংক হিসাব জব্দ রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।

রুলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের আদেশ বাতিল করে কেন পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। ১ সেপ্টেম্বর এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ ৯ নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X