বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৫৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 2, 2016 2:46 pm
A- A A+ Print

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করলেন মীর কাসেম আলীর স্ত্রী

152002_1

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর নিখোঁজ ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমান সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে তার পরিবার। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মীর কাসেমের স্ত্রী খোন্দকার আয়েশা এই প্রতিবাদ জানান। গত ৩১ আগস্ট এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মীর কাসেম আলীর ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমান কোথায় গিয়েছে সেটাতো আমার জানার বিষয় নয়।’ মীর কাসেম আলীর স্ত্রী এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, গত ৯ আগস্ট মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে সাদা পোশাকে অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি ব্যারিস্টার আরমানকে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তারের সামনে মিরপুর ডি ওএ ইচএসের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। ওই ব্যক্তিদের দেখে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য মনে হলেও তারা সাদা পোশাকে ছিলেন। খোন্দকার আয়েশা বলেন, ওই অস্ত্রধারীরা বাসার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আরমানের খোঁজ করেন। আরমান দরজার কাছে গেলে তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। তাদের সঙ্গে যেতে রাজি না হলে আরমানকে টেনে হিঁচড়ে নিচে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা পল্লবী থানাকে অবহিত করি। এবং পরদিন পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। যার নম্বর- ৮০৮ বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, আরমানকে তুলে নেয়ার সংবাদ পরদিন ১০ আগস্ট দেশের প্রায় সকল গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞ দল, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ দেশি-বিদেশি অনেক সংস্থা আরমানকে তুলে নেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আয়েশা বলেন, এমতাবস্থায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘তার ছেলে কোথায় গিয়েছে সেটাতো জানার বিষয় নয়,’ বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। কারণ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান রাষ্ট্রের দায়িত্ব। স্ত্রী-সন্তানদের সামনে থেকে তুলে নেয়ার ২২ দিন পরেও আরমানের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন করেছি। পুনরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট আবেদন করছি আমার ছেলে ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমানকে ফিরিয়ে দিন।

Comments

Comments!

 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করলেন মীর কাসেম আলীর স্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করলেন মীর কাসেম আলীর স্ত্রী

Friday, September 2, 2016 2:46 pm
152002_1

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর নিখোঁজ ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমান সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে তার পরিবার।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মীর কাসেমের স্ত্রী খোন্দকার আয়েশা এই প্রতিবাদ জানান।

গত ৩১ আগস্ট এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মীর কাসেম আলীর ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমান কোথায় গিয়েছে সেটাতো আমার জানার বিষয় নয়।’

মীর কাসেম আলীর স্ত্রী এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, গত ৯ আগস্ট মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে সাদা পোশাকে অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি ব্যারিস্টার আরমানকে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তারের সামনে মিরপুর ডি ওএ ইচএসের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। ওই ব্যক্তিদের দেখে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য মনে হলেও তারা সাদা পোশাকে ছিলেন।

খোন্দকার আয়েশা বলেন, ওই অস্ত্রধারীরা বাসার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আরমানের খোঁজ করেন। আরমান দরজার কাছে গেলে তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। তাদের সঙ্গে যেতে রাজি না হলে আরমানকে টেনে হিঁচড়ে নিচে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়।

তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা পল্লবী থানাকে অবহিত করি। এবং পরদিন পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। যার নম্বর- ৮০৮

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, আরমানকে তুলে নেয়ার সংবাদ পরদিন ১০ আগস্ট দেশের প্রায় সকল গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞ দল, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ দেশি-বিদেশি অনেক সংস্থা আরমানকে তুলে নেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

আয়েশা বলেন, এমতাবস্থায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘তার ছেলে কোথায় গিয়েছে সেটাতো জানার বিষয় নয়,’ বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। কারণ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

স্ত্রী-সন্তানদের সামনে থেকে তুলে নেয়ার ২২ দিন পরেও আরমানের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন করেছি। পুনরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট আবেদন করছি আমার ছেলে ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমানকে ফিরিয়ে দিন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X