শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৫৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 31, 2016 10:00 pm
A- A A+ Print

স্মৃতিশক্তি হারানো রোধে সহায়ক যা

148679_1

ঢাকা: ১০ বছর ধরে চলেছে গবেষণা। আর তার ফলাফলে মার্কিন বিজ্ঞানীরা জানালেন, কম্পিউটারাইজ ব্রেইন ট্রেইনিং প্রোগ্রামে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষের স্মৃতি শক্তি হারানোর ঝুঁকি ৪৮ ভাগ কমে যায়। টরন্টোর আলজাইমারস অ্যাসোসিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে গত সপ্তাহে প্রাথমিক গবেষণা ফলাফল তুলে ধরা হয়। মস্তিষ্কে যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ডিমেনসিয়া বা স্মৃতিশক্তি লোপের মাত্রা কমায় এমনটাই বলা হয়েছে গবেষণার ফলাফলে। এর আগ পর্যন্ত কগনিটিভ মনোবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানীরা এ ধরনের ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, কম্পিউটারভিত্তিক চিন্তাযুক্ত প্রশিক্ষণ সফটওয়্যার বা ব্রেইন গেমস মানব আচরণে কোনো প্রভাব ফেলে না। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সমাজ বিজ্ঞান গবেষক ডক্টর জন কিং। ঐ গবেষণায় ২৭৮৫ জন স্বাস্থ্যবান বয়স্ক ব্যক্তিকে তিনটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। একদলকে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল, অন্য দলকে যুক্তি দিয়ে বোঝানো এবং তৃতীয় দলকে কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুত মনে রাখার প্রক্রিয়া শেখানো হয়েছিল। এই স্পিড ট্রেইনিং, যেখানে আসলে মনিটরে কিছু ছবি দেখিয়ে সেগুলোকে কিসের ছবি তা বলতে বলা হয়েছিল। তবে, এসময় মনিটরে দ্রুত ছবিগুলো আসা-যাওয়া করছিল। সঠিক উত্তর দিলে আরো কঠিন হতো পরের ধাপ। ৫ সপ্তাহে এক ঘণ্টার ১০টি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল দল তিনটিকে। এই ট্রেইনিং-এর এক বছর পরে কয়েকজনকে চারটি অতিরিক্ত সেশন করানো হয়েছিল। আর দু’বছর পরে আরো চারটি। বিজ্ঞানীরা এটা পরীক্ষা করে দেখছিলেন এ ধরনের প্রশিক্ষণের ফলে তাদের চিন্তাভাবনা এবং প্রতিদিনের অন্যান্য কাজে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা। ৬টা ধাপে এগুলো দেখা হয়েছে। প্রশিক্ষণ দেয়ার সাথে সাথে, এক বছর পর, দু’বছর পর, তিন বছর পর, পাঁচ বছর পর এবং ১০ বছর পর। ২০১৪ সালে গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যৌক্তিক এবং স্পিড প্রসেসিং গ্রুপে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। এরপর এই গবেষণার তথ্য প্রমাণ সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক কিনে নেন। সেখানকার গবেষক ড. জেরি এডওয়ার্ডস তথ্যগুলো দ্বিতীয়বারের মত বিশ্লেষণ করেন। তিনি দেখেন, স্পিড ট্রেনিং এর প্রশিক্ষণ যারা নিয়েছে তাদের ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকি ৩৩ ভাগ কম, অন্য দল দু’টোর তুলনায়। আর যারা ১১ বা তার বেশি ট্রেনিং নিয়েছে, তাদের ঝুঁকি ৪৮ ভাগ কম।

Comments

Comments!

 স্মৃতিশক্তি হারানো রোধে সহায়ক যাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

স্মৃতিশক্তি হারানো রোধে সহায়ক যা

Sunday, July 31, 2016 10:00 pm
148679_1

ঢাকা: ১০ বছর ধরে চলেছে গবেষণা। আর তার ফলাফলে মার্কিন বিজ্ঞানীরা জানালেন, কম্পিউটারাইজ ব্রেইন ট্রেইনিং প্রোগ্রামে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষের স্মৃতি শক্তি হারানোর ঝুঁকি ৪৮ ভাগ কমে যায়।

টরন্টোর আলজাইমারস অ্যাসোসিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে গত সপ্তাহে প্রাথমিক গবেষণা ফলাফল তুলে ধরা হয়। মস্তিষ্কে যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ডিমেনসিয়া বা স্মৃতিশক্তি লোপের মাত্রা কমায় এমনটাই বলা হয়েছে গবেষণার ফলাফলে।

এর আগ পর্যন্ত কগনিটিভ মনোবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানীরা এ ধরনের ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, কম্পিউটারভিত্তিক চিন্তাযুক্ত প্রশিক্ষণ সফটওয়্যার বা ব্রেইন গেমস মানব আচরণে কোনো প্রভাব ফেলে না।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সমাজ বিজ্ঞান গবেষক ডক্টর জন কিং। ঐ গবেষণায় ২৭৮৫ জন স্বাস্থ্যবান বয়স্ক ব্যক্তিকে তিনটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। একদলকে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল, অন্য দলকে যুক্তি দিয়ে বোঝানো এবং তৃতীয় দলকে কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুত মনে রাখার প্রক্রিয়া শেখানো হয়েছিল।

এই স্পিড ট্রেইনিং, যেখানে আসলে মনিটরে কিছু ছবি দেখিয়ে সেগুলোকে কিসের ছবি তা বলতে বলা হয়েছিল। তবে, এসময় মনিটরে দ্রুত ছবিগুলো আসা-যাওয়া করছিল। সঠিক উত্তর দিলে আরো কঠিন হতো পরের ধাপ। ৫ সপ্তাহে এক ঘণ্টার ১০টি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল দল তিনটিকে। এই ট্রেইনিং-এর এক বছর পরে কয়েকজনকে চারটি অতিরিক্ত সেশন করানো হয়েছিল। আর দু’বছর পরে আরো চারটি।

বিজ্ঞানীরা এটা পরীক্ষা করে দেখছিলেন এ ধরনের প্রশিক্ষণের ফলে তাদের চিন্তাভাবনা এবং প্রতিদিনের অন্যান্য কাজে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা। ৬টা ধাপে এগুলো দেখা হয়েছে। প্রশিক্ষণ দেয়ার সাথে সাথে, এক বছর পর, দু’বছর পর, তিন বছর পর, পাঁচ বছর পর এবং ১০ বছর পর।

২০১৪ সালে গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যৌক্তিক এবং স্পিড প্রসেসিং গ্রুপে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। এরপর এই গবেষণার তথ্য প্রমাণ সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক কিনে নেন।

সেখানকার গবেষক ড. জেরি এডওয়ার্ডস তথ্যগুলো দ্বিতীয়বারের মত বিশ্লেষণ করেন।

তিনি দেখেন, স্পিড ট্রেনিং এর প্রশিক্ষণ যারা নিয়েছে তাদের ডিমেনশিয়া হওয়ার ঝুঁকি ৩৩ ভাগ কম, অন্য দল দু’টোর তুলনায়। আর যারা ১১ বা তার বেশি ট্রেনিং নিয়েছে, তাদের ঝুঁকি ৪৮ ভাগ কম।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X