সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:২২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 28, 2016 9:02 am
A- A A+ Print

হকারদের চাঁদার পরিমাণ দুই সিটির বাজেটের সমান!

%e0%a7%ae

ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার জন্য হকাররা বিভিন্ন পক্ষকে বছরে এক হাজার ৮২৫ কোটি টাকা চাঁদা দেয়। যা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বার্ষিক বাজেটের প্রায় সমান। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ দুর্নীতি এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা। ওই প্রতিবেদন নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. শাহনেওয়াজ বলেন, ‘হকাররা বছরে প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার মতো অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দেয়। যেটা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাজেটের প্রায় সমান। ২০১৩ সালে যদি এ সংখ্যাটা হয়, এখন হকারের সংখ্যা আরো বেশি হবে। হকাররা টাকা দিচ্ছেন কিন্তু সরকারি কোষাগারে টাকাটা যাচ্ছে না। একটা সংঘবদ্ধ চক্র টাকাটা ম্যানেজ করছে, যাদের টাকাটা দিয়ে হকাররা রাস্তায় ব্যবসাগুলো করছে।’ ওই গবেষণায় দেখানো হয়েছে ঢাকার একটি রুট বিমানবন্দর থেকে সদরঘাট যেতে ব্যস্ত সময়ে যে কর্মঘণ্টা নষ্ট হয় তাতে মাসে আর্থিক ক্ষতি ২২৭ কোটি টাকা। এতে একজন যাত্রীর ওই রুটে একবার যাতায়াতে ক্ষতি হয় ৫৩ টাকা। এই অবস্থায় নগরীর রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি, সেখানে তাও করা সম্ভব হয় না দুর্নীতির কারণে। শাহনেওয়াজ আরো বলেন, ‘রুট ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে বড় একটা টাকার লেনদেন হয়। রুট বরাদ্দের সময় রাজনৈতিক যোগাযোগের প্রয়োজন হয়, যারা জিনিসটি চালাচ্ছে তাদের মাসে কিছু টাকা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। বাসরুট ম্যানেজমেন্টে দুর্নীতি বড় একটা ভূমিকা পালন করছে।’ নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবহনের যেকোনো খাতে এক নম্বর জিনিস হবে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট। ওই গবেষণায় বলা হচ্ছে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত ৩০টির বেশি সংস্থা, যেখানে সমন্বয়হীনতা একটি বড় সমস্যা। তবে নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামের মতে, যানজটের এই পরিস্থিতির জন্য ওই ৩০টি সংস্থা ছাড়াও আরো অনেকেরই দায় রয়েছে। নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সর্বত্র দোকান। আমি তো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলাম, সর্বত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ও। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না। তাকে অন্য কোথাও এক একর জায়গায় যেতে হবে। বেচারা ছোট দোকানদারকে বলে লাভ কী? আমি তো বিশ্ববিদ্যালয়ই বানাচ্ছি সেখানে। সব কিছু করি। তার মানে কেউ আইনের তোয়াক্কা করছে না।’

Comments

Comments!

 হকারদের চাঁদার পরিমাণ দুই সিটির বাজেটের সমান!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হকারদের চাঁদার পরিমাণ দুই সিটির বাজেটের সমান!

Wednesday, December 28, 2016 9:02 am
%e0%a7%ae

ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার জন্য হকাররা বিভিন্ন পক্ষকে বছরে এক হাজার ৮২৫ কোটি টাকা চাঁদা দেয়। যা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বার্ষিক বাজেটের প্রায় সমান।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ দুর্নীতি এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা। ওই প্রতিবেদন নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. শাহনেওয়াজ বলেন, ‘হকাররা বছরে প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার মতো অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দেয়। যেটা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাজেটের প্রায় সমান। ২০১৩ সালে যদি এ সংখ্যাটা হয়, এখন হকারের সংখ্যা আরো বেশি হবে। হকাররা টাকা দিচ্ছেন কিন্তু সরকারি কোষাগারে টাকাটা যাচ্ছে না। একটা সংঘবদ্ধ চক্র টাকাটা ম্যানেজ করছে, যাদের টাকাটা দিয়ে হকাররা রাস্তায় ব্যবসাগুলো করছে।’

ওই গবেষণায় দেখানো হয়েছে ঢাকার একটি রুট বিমানবন্দর থেকে সদরঘাট যেতে ব্যস্ত সময়ে যে কর্মঘণ্টা নষ্ট হয় তাতে মাসে আর্থিক ক্ষতি ২২৭ কোটি টাকা। এতে একজন যাত্রীর ওই রুটে একবার যাতায়াতে ক্ষতি হয় ৫৩ টাকা। এই অবস্থায় নগরীর রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি, সেখানে তাও করা সম্ভব হয় না দুর্নীতির কারণে।

শাহনেওয়াজ আরো বলেন, ‘রুট ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে বড় একটা টাকার লেনদেন হয়। রুট বরাদ্দের সময় রাজনৈতিক যোগাযোগের প্রয়োজন হয়, যারা জিনিসটি চালাচ্ছে তাদের মাসে কিছু টাকা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। বাসরুট ম্যানেজমেন্টে দুর্নীতি বড় একটা ভূমিকা পালন করছে।’

নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবহনের যেকোনো খাতে এক নম্বর জিনিস হবে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট।

ওই গবেষণায় বলা হচ্ছে ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত ৩০টির বেশি সংস্থা, যেখানে সমন্বয়হীনতা একটি বড় সমস্যা। তবে নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামের মতে, যানজটের এই পরিস্থিতির জন্য ওই ৩০টি সংস্থা ছাড়াও আরো অনেকেরই দায় রয়েছে।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সর্বত্র দোকান। আমি তো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলাম, সর্বত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ও। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না। তাকে অন্য কোথাও এক একর জায়গায় যেতে হবে। বেচারা ছোট দোকানদারকে বলে লাভ কী? আমি তো বিশ্ববিদ্যালয়ই বানাচ্ছি সেখানে। সব কিছু করি। তার মানে কেউ আইনের তোয়াক্কা করছে না।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X