বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, November 21, 2016 12:05 pm
A- A A+ Print

হত্যার অভিযোগ পরিবারের

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফানকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করেছে তার পরিবার ও সহকর্মীরা। এ দিকে  লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের শরীরের তিন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফসানা বিলকিস। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, দিয়াজের গলার উভয় পাশে আঁচড়ের চিহ্ন আছে। তবে বাম পাশে আঁচড়ের পরিমাণ বেশি। এছাড়া তার হাতের কবজি ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তিনি আরো বলেন, ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর  মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলতে পারবো। এদিকে, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলে দিয়াজের মা জোবায়দা আমিন চৌধুরী বলেন, ‘আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। দিয়াজকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় চার তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন  দিয়াজ ও তার পরিবারের সদস্যরা। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের লাশ পাওয়া যায়। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা টেন্ডার নিয়ে চবি ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। একটি পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বর্তমান সভাপতি আলমগীর টিপু এবং আরেকটি পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান। তারা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী। এর জের ধরে গত ৩০ অক্টোবর দিয়াজের বাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। এ ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হন দিয়াজের মা। চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শোভন দাস বলেন, ‘বাসায় ভাঙচুরের পর দিয়াজ ভাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তার ওপর অনেক ধরনের চাপ ছিল। এজন্য দিয়াজ ভাই আত্মহত্যা করবেন, এটা আমরা মানতে পারছি না। তাকে কেউ মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে কিনা- সেটা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’ দিয়াজ ২০০৬-৭ শিক্ষাবর্ষের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। গত বছর তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের পদ পান।

Comments

Comments!

 হত্যার অভিযোগ পরিবারেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হত্যার অভিযোগ পরিবারের

Monday, November 21, 2016 12:05 pm

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফানকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করেছে তার পরিবার ও সহকর্মীরা।

এ দিকে  লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের শরীরের তিন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফসানা বিলকিস।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, দিয়াজের গলার উভয় পাশে আঁচড়ের চিহ্ন আছে। তবে বাম পাশে আঁচড়ের পরিমাণ বেশি। এছাড়া তার হাতের কবজি ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর  মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলতে পারবো।

এদিকে, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলে দিয়াজের মা জোবায়দা আমিন চৌধুরী বলেন, ‘আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। দিয়াজকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় চার তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন  দিয়াজ ও তার পরিবারের সদস্যরা। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের লাশ পাওয়া যায়। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা টেন্ডার নিয়ে চবি ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। একটি পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বর্তমান সভাপতি আলমগীর টিপু এবং আরেকটি পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান। তারা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী।

এর জের ধরে গত ৩০ অক্টোবর দিয়াজের বাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। এ ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হন দিয়াজের মা।

চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শোভন দাস বলেন, ‘বাসায় ভাঙচুরের পর দিয়াজ ভাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তার ওপর অনেক ধরনের চাপ ছিল। এজন্য দিয়াজ ভাই আত্মহত্যা করবেন, এটা আমরা মানতে পারছি না। তাকে কেউ মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে কিনা- সেটা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

দিয়াজ ২০০৬-৭ শিক্ষাবর্ষের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। গত বছর তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের পদ পান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X