রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৩৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, January 23, 2017 8:31 pm
A- A A+ Print

হবিগঞ্জ পৌর মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন গউছ

35

হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে অবশেষে দায়িত্ব নিচ্ছেন জি কে গউছ। প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর তিনি আবারও পৌরসভার দায়িত্বে ফিরছেন। সোমবার হাইকোর্ট থেকে তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। তাকে বরণ করতে অপেক্ষায় রয়েছেন পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই। খুব শিগগিরিই দায়িত্ব বুঝে পাবেন বলে প্রত্যাশা করে মেয়র জি কে গউছ বলেন, আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত। যখনই দায়িত্ব দেয়া হবে তখনই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি। তিনি জানান, চরম প্রতিকূলতার মাঝেও পৌরসভার ভোটাররা তাকে কারাগারে রেখে নির্বাচিত করেছেন। এজন্য তিনি ভোটারদের কাছে চিরদিন ঋণী থাকবেন। পাশাপাশি পৌরবাসী যে উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে তাকে ভোট দিয়েছেন তার ধারাবাহিকতা রক্ষারও অঙ্গীকার করেন তিনি। জি কে গউছ এর আগেও দুইবার পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ওই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পৌরসভার উন্নয়নে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করবেন বলে জানান। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের সব মহলের সহযোগিতা পাবেন বলেও আশা করেন। সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও খান মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তা স্থগিতের আদেশ দেন। এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। এ আদেশের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন গউছ। সোমবার রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী স ম রেজাউল করিম ও আব্দুর রাজ্জাক রাজু। শুনানি শেষে আদালত তার বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা এবং বিস্ফোরক মামলার সর্বশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের শেষের দিকে অধিকতর অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। এতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছ ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ মোট ৩২ জনকে আসামিভূক্ত করা হয়। একই বছর ২৮ ডিসেম্বর গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘ দুই বছর কারাগারে আটক থাকার পর গত ৪ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এদিকে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায়ই ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন।

Comments

Comments!

 হবিগঞ্জ পৌর মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন গউছAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হবিগঞ্জ পৌর মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন গউছ

Monday, January 23, 2017 8:31 pm
35

হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে অবশেষে দায়িত্ব নিচ্ছেন জি কে গউছ। প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর তিনি আবারও পৌরসভার দায়িত্বে ফিরছেন।

সোমবার হাইকোর্ট থেকে তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

তাকে বরণ করতে অপেক্ষায় রয়েছেন পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই।

খুব শিগগিরিই দায়িত্ব বুঝে পাবেন বলে প্রত্যাশা করে মেয়র জি কে গউছ বলেন, আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত। যখনই দায়িত্ব দেয়া হবে তখনই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি।

তিনি জানান, চরম প্রতিকূলতার মাঝেও পৌরসভার ভোটাররা তাকে কারাগারে রেখে নির্বাচিত করেছেন। এজন্য তিনি ভোটারদের কাছে চিরদিন ঋণী থাকবেন। পাশাপাশি পৌরবাসী যে উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে তাকে ভোট দিয়েছেন তার ধারাবাহিকতা রক্ষারও অঙ্গীকার করেন তিনি।

জি কে গউছ এর আগেও দুইবার পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ওই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পৌরসভার উন্নয়নে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করবেন বলে জানান। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের সব মহলের সহযোগিতা পাবেন বলেও আশা করেন।

সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও খান মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তা স্থগিতের আদেশ দেন।

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। এ আদেশের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন গউছ। সোমবার রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী স ম রেজাউল করিম ও আব্দুর রাজ্জাক রাজু। শুনানি শেষে আদালত তার বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা এবং বিস্ফোরক মামলার সর্বশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের শেষের দিকে অধিকতর অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। এতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছ ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ মোট ৩২ জনকে আসামিভূক্ত করা হয়।

একই বছর ২৮ ডিসেম্বর গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘ দুই বছর কারাগারে আটক থাকার পর গত ৪ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

এদিকে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায়ই ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X