মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৪৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, May 2, 2017 4:57 pm
A- A A+ Print

হাওর রক্ষা বাঁধে দুর্নীতি : তিন প্রকৌশলকে সাময়িক বরখাস্ত

19

হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড- পাইবোর সিলেটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম সরকার ও সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নির্দেশে এ তিন প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যেই সাময়িক বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হবে। এর আগে গত ১০ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরে 'তিন প্রকৌশলীর দুর্নীতিতে কৃষকের সর্বনাশ' শিরোনামে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, 'সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারে বড় ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনজন প্রকৌশলীর সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ১১৬টি প্যাকেজের কাজে ঠিকাদাররা কোথাও সর্বোচ্চ ২০ ভাগের বেশি কাজ করেননি। অথচ গত ২ বছরে ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে তারা ২৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এভাবে কাজ না করে বিল পরিশোধের পেছনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, কাজ পেতে ৫ শতাংশ এবং বিল ছাড় করাতে ১৫ শতাংশ আগাম ঘুষ দিতে হয়েছে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন স্থানে হাওরের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পেছনে ঠিকাদারদের গাফিলতি ও প্রকৌশলীদের দুর্নীতির দায় সবচেয়ে বেশি। যুগান্তরের সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ উঠে আসে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম সরকার ও সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিনের দুর্নীতির কারণেই ঠিকাদাররা কাজ বাস্তবায়নে অমনোযোগী ছিলেন। শুধু এবারই নয়, গত বছরও ২৮টি বাঁধ নির্মাণের কার্যাদেশ পেয়েও প্রভাবশালী ওইসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোনো কাজ করেনি। যে কারণে ওই বছরও কৃষকের একমাত্র ফসল তলিয়ে যায়। নিয়মানুযায়ী অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো পাউবোর কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু কাজ পেতে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অগ্রিম ঘুষ নেয়ায় এবারও এসব বাঁধ নির্মাণে তাদের কার্যাদেশ দেন নির্বাহী প্রকৌশলী। নতুন ৪৮টি প্যাকেজে এ বছরও তাদের গত বছরের ২৮টি কাজ দেয়া হয়। কিন্তু এবারও তারা বাঁধে কোনো কাজ করেননি।'

Comments

Comments!

 হাওর রক্ষা বাঁধে দুর্নীতি : তিন প্রকৌশলকে সাময়িক বরখাস্তAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হাওর রক্ষা বাঁধে দুর্নীতি : তিন প্রকৌশলকে সাময়িক বরখাস্ত

Tuesday, May 2, 2017 4:57 pm
19

হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড- পাইবোর সিলেটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম সরকার ও সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নির্দেশে এ তিন প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যেই সাময়িক বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হবে।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরে ‘তিন প্রকৌশলীর দুর্নীতিতে কৃষকের সর্বনাশ’ শিরোনামে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারে বড় ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনজন প্রকৌশলীর সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ১১৬টি প্যাকেজের কাজে ঠিকাদাররা কোথাও সর্বোচ্চ ২০ ভাগের বেশি কাজ করেননি।

অথচ গত ২ বছরে ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে তারা ২৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এভাবে কাজ না করে বিল পরিশোধের পেছনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জড়িত।
অভিযোগ রয়েছে, কাজ পেতে ৫ শতাংশ এবং বিল ছাড় করাতে ১৫ শতাংশ আগাম ঘুষ দিতে হয়েছে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন স্থানে হাওরের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পেছনে ঠিকাদারদের গাফিলতি ও প্রকৌশলীদের দুর্নীতির দায় সবচেয়ে বেশি। যুগান্তরের সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ উঠে আসে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম সরকার ও সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসার উদ্দিনের দুর্নীতির কারণেই ঠিকাদাররা কাজ বাস্তবায়নে অমনোযোগী ছিলেন। শুধু এবারই নয়, গত বছরও ২৮টি বাঁধ নির্মাণের কার্যাদেশ পেয়েও প্রভাবশালী ওইসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোনো কাজ করেনি। যে কারণে ওই বছরও কৃষকের একমাত্র ফসল তলিয়ে যায়।

নিয়মানুযায়ী অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো পাউবোর কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু কাজ পেতে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অগ্রিম ঘুষ নেয়ায় এবারও এসব বাঁধ নির্মাণে তাদের কার্যাদেশ দেন নির্বাহী প্রকৌশলী। নতুন ৪৮টি প্যাকেজে এ বছরও তাদের গত বছরের ২৮টি কাজ দেয়া হয়। কিন্তু এবারও তারা বাঁধে কোনো কাজ করেননি।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X