সোমবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং, ১১ই বৈশাখ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, April 14, 2017 8:15 pm
A- A A+ Print

হাতিরঝিলে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড়

hatir20170414160042

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হওয়া এখন পহেলা বৈশাখকে বরন করে নেওয়ার অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাঙালির বিশেষ এই দিনটিতে তাই সকাল থেকেই রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে থাকে উপচেপড়া ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় রূপ নেয় জনসমুদ্রে। বিশেষ দিনগুলোতে রাজধানীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র হাতিরঝিল হয়ে ওঠে লোকে লোকারন্য। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিনোদনপ্রেমীরা আসতে শুরু করেন এখানে। নানা শ্রেণিপেশার মানুষের উপস্থিতিতে স্পটটি হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাতিরঝিল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর পরেই ঢাকাবাসীর জীবনে যোগ হয় এই দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো। চার বছরে হাতিরঝিলের সড়কপাড়ের গাছগাছালি বড় হয়ে উঠেছে। বাড়ছে বিনোদন স্পট হিসেবে হাতিরঝিলের আকর্ষণ। ঝিলের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত ঘুরে ঘুরে দেখার জন্য চক্রাকার বাস সার্ভিস নামানো হয়েছে। পানিতে চলছে ওয়াটার বাস। পুরো স্পটের সৌন্দর্য দেখার জন্য এটি ভালো একটি বাহন। হাতিরঝিলে নতুন পানির ফোয়ারা প্রদর্শনের বিষয়টি এখানকার বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নানা রঙের পানির এই প্রদর্শন যে কোনো বয়সী পর্যটকের দৃষ্টি কাড়ে। উদ্বোধন হওয়ার পর এটি দেখার জন্য অপেক্ষা করেন এখানে ঘুরতে আসা লোকজন। শুক্রবার হাতিরঝিলে গিয়ে দেখা গেছে, নানা সাজে, নানা ঢঙে, নতুন বৈশাখি পোশাক পড়ে ঘুরতে বের হয়েছেন বিনোদনপ্রেমীরা। অনেকে বাসে করে ঘুরেছেন পুরো হাতিরঝিল। কেউবা ওয়াটার ট্যাক্সিতে উঠে বাড়তি আনন্দ নিয়েছেন। তবে মা-বাবার হাত ধরে ঘুরতে আসা শিশুরা বেশি খুশি বিভিন্ন ধরনের খেলনা হাতে পেয়ে। কেউবা নিরন্তর বাজিয়ে বেড়াচ্ছে দেশের সংস্কৃতিতে নতুন যোগ হওয়া ভুভুজেলা বাঁশি। যদিও এবারের উৎসবে বাঁশিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আবদুল মোছাদ্দের জানান, বিশেষ দিনে সুযোগ পেলেই বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করা তার শখ। গত স্বাধীনতা দিবসে ঘুরতে গিয়েছিলেন স্মৃতিসৌধে। আর বৈশাখে এসেছেন হাতিরঝিলে। তিনি জানান, মূলত পানির ফোয়ারা প্রদর্শন দেখতেই পরিবার নিয়ে এসেছিলেন হাতিরঝিলে। কিন্তু তিনি আশাহত হয়েছেন। কারণ সদ্য উদ্বোধন করা এই পানির ফোয়ারা প্রদর্শনটি শুধু রাতেই দেখানো হয়। তবে বাসে করে ঠিকই চক্কর দিয়েছেন হাতিরঝিলে। ঘুরতে এসে হাতিরঝিল ওয়াটার ট্রাক্সিতে এসে খুবই খুশি ছোট্ট শিমু হুমাইয়া হিমু। ওয়াটার ট্যাক্সি থেকে সে যখন নামলো তখন তার চোখে-সমুখে পর্বত জয় করার মতো খুশি স্পষ্ট। তবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক কম। মূলত শাহবাগ আর রমনায় বড় অনুষ্ঠান থাকায় এমনটি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ কারণে হাতিরঝিলে ফাস্টফুডের ব্যবসায়ীরা বেশ চিন্তায় পড়েছেন। যদিও তারা জানেন, বিকেলে পর বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে এখানে পা ফেলারও জায়গা থাকতে না। কারণ রাতেই এখানে সৌন্দর্য বাড়ে কয়েকগুন।  

Comments

Comments!

 হাতিরঝিলে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হাতিরঝিলে বিনোদনপ্রেমীদের ভিড়

Friday, April 14, 2017 8:15 pm
hatir20170414160042

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হওয়া এখন পহেলা বৈশাখকে বরন করে নেওয়ার অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাঙালির বিশেষ এই দিনটিতে তাই সকাল থেকেই রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে থাকে উপচেপড়া ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় রূপ নেয় জনসমুদ্রে।

বিশেষ দিনগুলোতে রাজধানীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র হাতিরঝিল হয়ে ওঠে লোকে লোকারন্য। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিনোদনপ্রেমীরা আসতে শুরু করেন এখানে। নানা শ্রেণিপেশার মানুষের উপস্থিতিতে স্পটটি হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।

২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাতিরঝিল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর পরেই ঢাকাবাসীর জীবনে যোগ হয় এই দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো।

চার বছরে হাতিরঝিলের সড়কপাড়ের গাছগাছালি বড় হয়ে উঠেছে। বাড়ছে বিনোদন স্পট হিসেবে হাতিরঝিলের আকর্ষণ। ঝিলের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত ঘুরে ঘুরে দেখার জন্য চক্রাকার বাস সার্ভিস নামানো হয়েছে। পানিতে চলছে ওয়াটার বাস। পুরো স্পটের সৌন্দর্য দেখার জন্য এটি ভালো একটি বাহন।

হাতিরঝিলে নতুন পানির ফোয়ারা প্রদর্শনের বিষয়টি এখানকার বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নানা রঙের পানির এই প্রদর্শন যে কোনো বয়সী পর্যটকের দৃষ্টি কাড়ে। উদ্বোধন হওয়ার পর এটি দেখার জন্য অপেক্ষা করেন এখানে ঘুরতে আসা লোকজন।

শুক্রবার হাতিরঝিলে গিয়ে দেখা গেছে, নানা সাজে, নানা ঢঙে, নতুন বৈশাখি পোশাক পড়ে ঘুরতে বের হয়েছেন বিনোদনপ্রেমীরা। অনেকে বাসে করে ঘুরেছেন পুরো হাতিরঝিল। কেউবা ওয়াটার ট্যাক্সিতে উঠে বাড়তি আনন্দ নিয়েছেন। তবে মা-বাবার হাত ধরে ঘুরতে আসা শিশুরা বেশি খুশি বিভিন্ন ধরনের খেলনা হাতে পেয়ে। কেউবা নিরন্তর বাজিয়ে বেড়াচ্ছে দেশের সংস্কৃতিতে নতুন যোগ হওয়া ভুভুজেলা বাঁশি। যদিও এবারের উৎসবে বাঁশিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আবদুল মোছাদ্দের জানান, বিশেষ দিনে সুযোগ পেলেই বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করা তার শখ। গত স্বাধীনতা দিবসে ঘুরতে গিয়েছিলেন স্মৃতিসৌধে। আর বৈশাখে এসেছেন হাতিরঝিলে।

তিনি জানান, মূলত পানির ফোয়ারা প্রদর্শন দেখতেই পরিবার নিয়ে এসেছিলেন হাতিরঝিলে। কিন্তু তিনি আশাহত হয়েছেন। কারণ সদ্য উদ্বোধন করা এই পানির ফোয়ারা প্রদর্শনটি শুধু রাতেই দেখানো হয়। তবে বাসে করে ঠিকই চক্কর দিয়েছেন হাতিরঝিলে।

ঘুরতে এসে হাতিরঝিল ওয়াটার ট্রাক্সিতে এসে খুবই খুশি ছোট্ট শিমু হুমাইয়া হিমু। ওয়াটার ট্যাক্সি থেকে সে যখন নামলো তখন তার চোখে-সমুখে পর্বত জয় করার মতো খুশি স্পষ্ট।

তবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক কম। মূলত শাহবাগ আর রমনায় বড় অনুষ্ঠান থাকায় এমনটি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ কারণে হাতিরঝিলে ফাস্টফুডের ব্যবসায়ীরা বেশ চিন্তায় পড়েছেন। যদিও তারা জানেন, বিকেলে পর বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে এখানে পা ফেলারও জায়গা থাকতে না। কারণ রাতেই এখানে সৌন্দর্য বাড়ে কয়েকগুন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X