মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৫২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, October 26, 2016 10:17 am | আপডেটঃ October 26, 2016 10:17 AM
A- A A+ Print

‘হাফসেঞ্চুরি’র অপেক্ষায় মুশফিকের এগারো বছর

157666_1-1

   
ঢাকা: টেস্ট ক্রিকেটে অর্ধশততম ম্যাচের রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যেতে পারত মুশফিকুর রহিমকে। কিন্তু তেমনটা হচ্ছে না মোটেও। ইংল্যান্ডের বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক অ্যালেস্টার কুকের সঙ্গে টাইগারদের টেস্ট অধিনায়কের তুলনাটাই উঠে আসছে বারবার। মুশফিকের বছরখানেক পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে আবির্ভাব হলেও কুক ৮৫টি ম্যাচ বেশি খেলেছেন তার চেয়ে। ক্যারিয়ার শুরুর দীর্ঘ ১১ বছর পর শুক্রবার নিজের পঞ্চাশতম টেস্টের অপেক্ষায় থাকা মুশির মনে তাই আনন্দের চেয়ে আক্ষেপটাই বেশি। ২০০৫ সালের ২৬ মে লর্ডসের মাটিতে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নামেন মুশফিক। সাম্প্রতিক সময়ে লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানই দেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন । এক তামিম ইকবাল ছাড়া কেউই এখনো বাংলাদেশের হয়ে এমন কীর্তি গড়তে পারেননি।
নিজের ক্যারিয়ারকে হয়তো আরো বেশি সমৃদ্ধ করতে পারতেন। মোট রানের দিক দিয়ে হয়তো ছাড়িয়ে যেতে পারতেন বিশ্বের অনেক খ্যাতিমান টেস্ট ব্যাটসম্যানকেই। কিন্তু বছরে গড়ে মাত্র চারটি টেস্ট খেলে সেটাকে বেশ কঠিন কাজই বলা যায়। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলার পর ২০০৫ সালে আর একবারও মাঠে নামা হয়নি মুশফিকের। পরের বছরও একই অবস্থা। ২০০৭ সালে খেলেন দুটি। এক বছরে তার সর্বোচ্চ সংখ্যক টেস্ট খেলার রেকর্ডটি হয় ২০০৮ সালে। সেবার ৯টি ম্যাচ খেলেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেললেন দীর্ঘ ১৪ মাস পর। আর সেজন্য চট্টগ্রাম টেস্টে কেবল মিরাজ-সাব্বির-রাব্বি নয়, মুশফিকের মনে হয়েছে, তিনিও প্রথমবারের মতোই খেলছেন এই ফরম্যাটের ক্রিকেট। দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট খেলতে নামা যেহেতু বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়, তাই মুশফিকেরও অভিষেকের অনুভূতি হয়েছে বহুবার। প্রতিবারই প্রথম থেকে শুরু করা। প্রতিবারই অভিজ্ঞতাহীন বাংলাদেশ। ৪৯তম টেস্টের আগে তাই নিজের ইচ্ছাটা ব্যক্ত করেছেন ২৯ বছর বয়সী ক্রিকেটার। দলের কাউকে যেন তার মতো ১১ বছর পর অর্ধশততম টেস্ট খেলতে না হয়, আপাতত তার চাওয়া এতটুকুই।

Comments

Comments!

 ‘হাফসেঞ্চুরি’র অপেক্ষায় মুশফিকের এগারো বছরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘হাফসেঞ্চুরি’র অপেক্ষায় মুশফিকের এগারো বছর

Wednesday, October 26, 2016 10:17 am | আপডেটঃ October 26, 2016 10:17 AM
157666_1-1

 

 

ঢাকা: টেস্ট ক্রিকেটে অর্ধশততম ম্যাচের রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যেতে পারত মুশফিকুর রহিমকে। কিন্তু তেমনটা হচ্ছে না মোটেও। ইংল্যান্ডের বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক অ্যালেস্টার কুকের সঙ্গে টাইগারদের টেস্ট অধিনায়কের তুলনাটাই উঠে আসছে বারবার।

মুশফিকের বছরখানেক পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে আবির্ভাব হলেও কুক ৮৫টি ম্যাচ বেশি খেলেছেন তার চেয়ে। ক্যারিয়ার শুরুর দীর্ঘ ১১ বছর পর শুক্রবার নিজের পঞ্চাশতম টেস্টের অপেক্ষায় থাকা মুশির মনে তাই আনন্দের চেয়ে আক্ষেপটাই বেশি।

২০০৫ সালের ২৬ মে লর্ডসের মাটিতে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলতে নামেন মুশফিক। সাম্প্রতিক সময়ে লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানই দেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন । এক তামিম ইকবাল ছাড়া কেউই এখনো বাংলাদেশের হয়ে এমন কীর্তি গড়তে পারেননি।

নিজের ক্যারিয়ারকে হয়তো আরো বেশি সমৃদ্ধ করতে পারতেন। মোট রানের দিক দিয়ে হয়তো ছাড়িয়ে যেতে পারতেন বিশ্বের অনেক খ্যাতিমান টেস্ট ব্যাটসম্যানকেই। কিন্তু বছরে গড়ে মাত্র চারটি টেস্ট খেলে সেটাকে বেশ কঠিন কাজই বলা যায়।

ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট খেলার পর ২০০৫ সালে আর একবারও মাঠে নামা হয়নি মুশফিকের। পরের বছরও একই অবস্থা। ২০০৭ সালে খেলেন দুটি। এক বছরে তার সর্বোচ্চ সংখ্যক টেস্ট খেলার রেকর্ডটি হয় ২০০৮ সালে। সেবার ৯টি ম্যাচ খেলেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেললেন দীর্ঘ ১৪ মাস পর।

আর সেজন্য চট্টগ্রাম টেস্টে কেবল মিরাজ-সাব্বির-রাব্বি নয়, মুশফিকের মনে হয়েছে, তিনিও প্রথমবারের মতোই খেলছেন এই ফরম্যাটের ক্রিকেট। দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট খেলতে নামা যেহেতু বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়, তাই মুশফিকেরও অভিষেকের অনুভূতি হয়েছে বহুবার। প্রতিবারই প্রথম থেকে শুরু করা। প্রতিবারই অভিজ্ঞতাহীন বাংলাদেশ।

৪৯তম টেস্টের আগে তাই নিজের ইচ্ছাটা ব্যক্ত করেছেন ২৯ বছর বয়সী ক্রিকেটার। দলের কাউকে যেন তার মতো ১১ বছর পর অর্ধশততম টেস্ট খেলতে না হয়, আপাতত তার চাওয়া এতটুকুই।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X