সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:২৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, January 26, 2017 7:12 pm
A- A A+ Print

হারে সফর শেষ পাকিস্তানের

28

ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্র্যাভিস হেডের রেকর্ড গড়া ইনিংসে হার দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করলো পাকিস্তান। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হোয়াইটওয়াশ হয় পাকিস্তান। এরপর পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ তারা হারলো ৪-১ ব্যবধানে। এই সফরে পাকিস্তান একমাত্র জয় পায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মেলবোর্নে। তাদের সে জয়টি ছিল ৬ উইকেটের। অ্যাডিলেডে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নামে রানের পাহাড়ের চাপে পড়ে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নারের ১৭৯ ও ট্র্যাভিস হেডের ১২৮ রানে ৭ উইকেটে ৩৬৯ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে বাবর আজমের সেঞ্চুরিতে (১০০) ৪৯.১ ওভারে ৩১২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এতে ৫৭ রানের হার দিয়ে সফর শেষ করতে হয় পাকিস্তানকে। রানের পাহাড় সামনে নিয়ে দলীয় ১০ রানের মাথায় আজহার আলী ফেরেন। কিন্তু এরপর দ্বিতীয় উইকেটে পাকিস্তান লড়াইয়ে ফেরান শারজিল খান ও বাবর আজম। ২২ ওভারে ১৩০ রান যোগ করেন তারা। শারজিল খান ৬৯ বলে ৭৯ রানে ফেরার পর বাবর আজম ১০৯ বলে করেন ১০০ রান। এতে ৩৬ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড় সেঞ্চুরি পেলেন। এর আগে সর্বশেষ ১৯৮১ সালে সিডনিতে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন জহির আব্বাস। এই দুই ব্যাটসম্যান পাকিস্তানকে লড়াইয়ে রাখলেও তারপরের কেউ সেটা ধরে রাখতে পারেনি। এছাড়া উমর আকমল ৬ নম্বরে নেমে করেন তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান। এর আগে একাধিক রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে পাকিস্তানের বোলারদের মাটিতে নামিয়ে এনে ৪১.৩ ওভারে ২৮৪ রানের জুটি গড়েন ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্র্যাভিস হেড। ট্র্যাভিস ৩ ছক্কা ও ৯ চারে ১৩৭ বলে ১২৮ এবং ওয়ার্নার ৫ ছক্কা ও ১৯ রানে ১২৮ বলে করেন ১৭৯ রান। ক্রিকেট ইতিহাসে ওয়ানডের ওপেনিং জুটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এটি। তাদের চেয়ে মাত্র ২ রান বেশি যোগ করে তালিকায় সবার ওপরে সনৎ জয়সুরিয়া ও উপুল থারাঙ্গা। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা এই রেকর্ড গড়েন। তবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে যে কোনো উইকেটে এটি সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে সর্বোচ্চ ২৬০ রানের জুটি ছিল স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের। ২০১৫ সালে পার্থে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন এই রান। আর বিশ্বের যে কোনো দলের যে কোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির তালিকায় এটি আছে পঞ্চম স্থানে। ৩৭২ রানের জুটি গড়ে এই তালিকায় সবার ওপরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস। ২০১৫ সালে ক্যানবেরায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে তারা এই রেকর্ড রান যোগ করেন। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ওয়ার্নার। ২০১১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে শেন ওয়াটসনের ১৮৫* রানের ইনিংসটি সবার ওপরে। আর ২০০৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাথিউ হেইডেনের ১৮১* রানের ইনিংসটি আছে দ্বিতীয় নম্বরে। এই দুই ইনিংসের পরেই আছে ডেভিড ওয়ার্নারের ১৭৯ রানের ইনিংসটি।

Comments

Comments!

 হারে সফর শেষ পাকিস্তানেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হারে সফর শেষ পাকিস্তানের

Thursday, January 26, 2017 7:12 pm
28

ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্র্যাভিস হেডের রেকর্ড গড়া ইনিংসে হার দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করলো পাকিস্তান। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হোয়াইটওয়াশ হয় পাকিস্তান। এরপর পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ তারা হারলো ৪-১ ব্যবধানে। এই সফরে পাকিস্তান একমাত্র জয় পায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মেলবোর্নে। তাদের সে জয়টি ছিল ৬ উইকেটের। অ্যাডিলেডে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নামে রানের পাহাড়ের চাপে পড়ে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নারের ১৭৯ ও ট্র্যাভিস হেডের ১২৮ রানে ৭ উইকেটে ৩৬৯ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে বাবর আজমের সেঞ্চুরিতে (১০০) ৪৯.১ ওভারে ৩১২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এতে ৫৭ রানের হার দিয়ে সফর শেষ করতে হয় পাকিস্তানকে। রানের পাহাড় সামনে নিয়ে দলীয় ১০ রানের মাথায় আজহার আলী ফেরেন। কিন্তু এরপর দ্বিতীয় উইকেটে পাকিস্তান লড়াইয়ে ফেরান শারজিল খান ও বাবর আজম। ২২ ওভারে ১৩০ রান যোগ করেন তারা। শারজিল খান ৬৯ বলে ৭৯ রানে ফেরার পর বাবর আজম ১০৯ বলে করেন ১০০ রান। এতে ৩৬ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড় সেঞ্চুরি পেলেন। এর আগে সর্বশেষ ১৯৮১ সালে সিডনিতে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন জহির আব্বাস। এই দুই ব্যাটসম্যান পাকিস্তানকে লড়াইয়ে রাখলেও তারপরের কেউ সেটা ধরে রাখতে পারেনি। এছাড়া উমর আকমল ৬ নম্বরে নেমে করেন তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান।
এর আগে একাধিক রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে পাকিস্তানের বোলারদের মাটিতে নামিয়ে এনে ৪১.৩ ওভারে ২৮৪ রানের জুটি গড়েন ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্র্যাভিস হেড। ট্র্যাভিস ৩ ছক্কা ও ৯ চারে ১৩৭ বলে ১২৮ এবং ওয়ার্নার ৫ ছক্কা ও ১৯ রানে ১২৮ বলে করেন ১৭৯ রান। ক্রিকেট ইতিহাসে ওয়ানডের ওপেনিং জুটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এটি। তাদের চেয়ে মাত্র ২ রান বেশি যোগ করে তালিকায় সবার ওপরে সনৎ জয়সুরিয়া ও উপুল থারাঙ্গা। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা এই রেকর্ড গড়েন। তবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে যে কোনো উইকেটে এটি সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে সর্বোচ্চ ২৬০ রানের জুটি ছিল স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের। ২০১৫ সালে পার্থে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন এই রান। আর বিশ্বের যে কোনো দলের যে কোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির তালিকায় এটি আছে পঞ্চম স্থানে। ৩৭২ রানের জুটি গড়ে এই তালিকায় সবার ওপরে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস। ২০১৫ সালে ক্যানবেরায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে তারা এই রেকর্ড রান যোগ করেন। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ওয়ার্নার। ২০১১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে শেন ওয়াটসনের ১৮৫* রানের ইনিংসটি সবার ওপরে। আর ২০০৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাথিউ হেইডেনের ১৮১* রানের ইনিংসটি আছে দ্বিতীয় নম্বরে। এই দুই ইনিংসের পরেই আছে ডেভিড ওয়ার্নারের ১৭৯ রানের ইনিংসটি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X