সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:১৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, December 13, 2016 5:53 pm
A- A A+ Print

হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীত

34

রাজশাহীসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। মঙ্গলবার সকালে রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াশ। সোমবার সন্ধ্যায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা রাজিব খান জানান, তাপমাত্রার বিচারে রাজশাহীতে শীতের পরিস্থিতিকে শৈত্যপ্রবাহ বলা যায় না। এদিকে মঙ্গলবার ভোর থেকে রাজশাহীতে ঘন কূয়াশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাটসহ উত্তরের আরো কয়েকটি জেলার মানুষ কাঁপছে কনকনে শীতে। ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। সোমবার থেকে উত্তরের এসব জেলায় সুর্যের আলো ফুটছে দুপুরের পর। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও সুর্যের আলো দেখা যায়নি। ঢেকে রয়েছে কূয়াশায়। লোকজন শীত নিবারণে আগুন জ্বালিয়ে একটু উত্তাপ পাওয়ার চেষ্টা করছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আসাদুজ্জামান জানান, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।এর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তির বেশি সংখ্যায় আসছে। আক্রান্তদের অনেকেই ডাইরিয়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত শুক্রবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রোববার ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। রাজিব খান বলেন, রাজশাহীতে তাপমাত্রা কমে আসায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। প্রতিদিনই তাপমাত্রা একটু একটু কমছে। তাপমাত্রা সাধারণত ১০ ডিগ্রি নিচে নামলে মৃদু, ৮ ডিগ্রির নিচে নামলে মাঝারি এবং ৬ ডিগ্রির নিচে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হবে। এদিকে ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, ডিসেম্বর জুড়েই রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। ডিসেম্বরের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে সবচেয়ে বেশী শীত অনুভূত হবে আগামী জানুয়ারীতে। ওইসময় এ অঞ্চলে এক থেকে দুটি তীব্র (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)) শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

Comments

Comments!

 হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীত

Tuesday, December 13, 2016 5:53 pm
34

রাজশাহীসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। মঙ্গলবার সকালে রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াশ।

সোমবার সন্ধ্যায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা রাজিব খান জানান, তাপমাত্রার বিচারে রাজশাহীতে শীতের পরিস্থিতিকে শৈত্যপ্রবাহ বলা যায় না।

এদিকে মঙ্গলবার ভোর থেকে রাজশাহীতে ঘন কূয়াশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উত্তরের হিমেল হাওয়া।

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাটসহ উত্তরের আরো কয়েকটি জেলার মানুষ কাঁপছে কনকনে শীতে। ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।

সোমবার থেকে উত্তরের এসব জেলায় সুর্যের আলো ফুটছে দুপুরের পর। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও সুর্যের আলো দেখা যায়নি। ঢেকে রয়েছে কূয়াশায়। লোকজন শীত নিবারণে আগুন জ্বালিয়ে একটু উত্তাপ পাওয়ার চেষ্টা করছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আসাদুজ্জামান জানান, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।এর মধ্যে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তির বেশি সংখ্যায় আসছে।

আক্রান্তদের অনেকেই ডাইরিয়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন বলে জানান তিনি।

এর আগে গত শুক্রবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রোববার ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

রাজিব খান বলেন, রাজশাহীতে তাপমাত্রা কমে আসায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। প্রতিদিনই তাপমাত্রা একটু একটু কমছে। তাপমাত্রা সাধারণত ১০ ডিগ্রি নিচে নামলে মৃদু, ৮ ডিগ্রির নিচে নামলে মাঝারি এবং ৬ ডিগ্রির নিচে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হবে।

এদিকে ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, ডিসেম্বর জুড়েই রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। ডিসেম্বরের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

তবে সবচেয়ে বেশী শীত অনুভূত হবে আগামী জানুয়ারীতে। ওইসময় এ অঞ্চলে এক থেকে দুটি তীব্র (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)) শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X