রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:৫৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, November 14, 2016 1:39 pm
A- A A+ Print

হৃদয়স্পর্শী ভালোবাসার কাহিনি

pic_top1479089614

ভালোবাসাকে সংজ্ঞায়িত করা যায়? আছে মমত্ববোধ কিংবা আবেগ অনুভূতি পরিমাপ করার কোনো মাপকাঠি? মানুষের তৈরি সমাজে হয়তো মাণদন্ডের বিভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু প্রাণীকূলের অপার ভালোবাসা পাওয়া সম্ভব একমাত্র ভালোবাসার বিনিময়ে।   সত্যিকারের ভালোবাসা, মমতা, যত্ন কিংবা আবেগ প্রকাশে প্রয়োজন নেই নির্দিষ্ট ভাষা, মাধ্যম, অভিব্যক্তি। আর তাই ভালোবাসার অনুভবে অসংখ্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে মানুষ ও পোষাপ্রাণী।   পোষা প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা নতুন নয়। আদিম যুগ থেকে মানুষ যখন বন্য পশুকে পোষ মানিয়েছে, তখন থেকেই এ সম্পর্কের শুরু। তবে মানুষের মতো কৌশলী নয় বলেই ভালোবাসার প্রতিদানে পোষা প্রাণীর নিবেদন বা আত্মত্যাগের কাহিনিগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তেমনই কিছু কাহিনি নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ শেষ পর্বে পাঁচটি ঘটনা তুলে ধরা হলো।   Pic হারকিউলিস: মানুষ সাধারণত কুকুর, বিড়াল বা পাখি পোষে সঙ্গী হিসেবে। ব্যতিক্রম ব্রিটেনের অ্যান্ডি এবং ম্যাগি দম্পতি। ১৯৭৪ সালে সন্তানের অভাব পূরণ করতে তারা ঘরে নিয়ে আসেন একটি উত্তর আমেরিকান গ্রিজলি ভাল্লুক। নাম রাখেন হারকিউলিস। সন্তানের আদরেই বড় হতে থাকে সে। ভাল্লুকটি সকলের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে অল্পদিনেই, এমনকি তারকাখ্যাতিও পেয়ে যায় ৮ ফুট লম্বা আর ৫০০ কেজি ওজনের হারকিউলিস। জেমস বন্ড সিরিজের চলচ্চিত্রে অভিনয়, অভিভাবক অ্যান্ডি এবং ম্যাগি সঙ্গের বিশ্বভ্রমণ আর মার্গারেট থেচারের সঙ্গে দেখা করে রীতিমতো বিশ্বখ্যাত হয়ে ওঠে সে।   কিন্তু ২০০০ সালে সন্তানহীন হয় অ্যান্ডি ও ম্যাগি দম্পতি। ২৬ বছর বয়সে প্রকৃতিগত কারণেই মারা যায় হারকিউলিস। জীবন অর্থহীন হয়ে পরে তাদের কাছে, তাই হারকিউলিসের দুঃখ ভুলতে রবি নামের জ্যাক রাসেল টেরিয়ার কুকুর পুষতে শুরু করেন তারা।   Pic জান্ডার: কয়েক বছর আগে সাদা রঙের একটি হাস্কি কুকুর উদ্ধার করেন ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা জন ডোলান, নিজের নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখেন জান্ডার। কিছুদিনের মধ্যেই তার চোখের মনি হয়ে ওঠে জান্ডার। দুজনের সম্পর্কটা ঠিক মালিক ও পোষা প্রাণীর নয়, বরং পিতা পুত্রের। হঠাৎ করে একদিন অ্যালার্জির আক্রমনে হাসপাতালে ভর্তি হয় জন, সন্ধ্যা থেকেই তার ফিরে আসার অপেক্ষায় দরজায় বসে থাকে জান্ডার। অবশেষে ধৈর্যহারা হয়ে রাত ৩টার সময় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পরে জান্ডার, বরফের মধ্যে ২ মাইল পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যায় হাসপাতালে। এক নার্সের চোখে পড়ে হিম ঠান্ডায় হাসপাতালের লবিতে বসে আছে জান্ডার, কলারে লেখা নম্বরে ফোন করে ডেকে আনেন জন ডোলানের স্ত্রীকে। রোগীর সঙ্গে দেখা করে তবেই মালকিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরে জান্ডার।   Pic হকাই: ২০১১ সালের ৬ আগস্ট আফগানিস্তানে হেলিকপ্টার বিস্ফোরণে মৃত্যুবরণ করেন আমেরিকান নেভির পেটি অফিসার জন টমিলসন। এই মারাত্মক দূর্ঘটনায় মারা যান ৩৮ জন অফিসার। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল টমিলসনের কুকুর হকাই। মালিকের মৃত্যুতে তার শোক ও আচরণ দেখে সকলের চোখ ভিজে যায়। কিছুতেই টমিলসনের মৃতদেহ সরাতে দেয় না হকাই, কফিনের সামনে গড়িয়ে গড়িয়ে কাঁদে আদরের ল্যাব্রাডর কুকুরটি। পরে টমিলসেনর বন্ধু স্কট নিকোলস হকাইকে দত্তক নেয়।   Pic ইয়োরিকো: জাপানের টাটেয়ামা সাগরের শ্রাইন বেনেথের লোকাল ডাইভার হিরোয়োকি আরাকাওয়া। সাগরের তলদেশের অদ্ভুত জগতে ঘুরে বেড়ানোই তার নেশা ও পেশা। পানির নিচের জীবজগত নিয়ে গভীর জ্ঞান তার, তার চেয়েও বেশি গভীর বন্ধুত্ব ইয়োরিকোর সঙ্গে। ইয়োরিকো নামের এই এশিয়ান শিপশেড মাছের সঙ্গে গত ২৫ বছর ধরে বন্ধুত্ব রক্ষা করছেন আরাকাওয়া। মজার ব্যাপার হলো, দেখা হলেই একে অপরকে চুমু খেয়ে স্বাগত জানায় এই দুই বন্ধু।   Pic মিরাবুকা: অস্ট্রেলিয়া এবং ক্যাঙ্গারু অবিচ্ছেদ্য। আর ওয়ালাবি হচ্ছে ক্যাঙ্গারুর মতোই তবে আকারে ছোট প্রাণী। এক নারী ও এক ওয়ালাবির ভালোবাসার গল্পটা মন ছুঁয়ে যায়। এই কাহিনি বন্ধুত্বের, মানবতার, মাতৃত্বের। রেটাবুপ নামের সংস্থা মূলত ওয়ালাবি উদ্ধার ও সংরক্ষণ করে। সংস্থারই এক নারী ছোট এক ওয়ালাবিকে উদ্ধার করেছিল। মিরাবুকা নামের ছোট্ট এই ওয়ালাবির মাকে শিকারিরা মেরে ফেলেছিল। মিরাবুকাকে প্রয়োজনীয় লালনপালন শেষে ছেড়ে দেওয়া হয় তার আবাসস্থলে। মিরাবুকা নিজের আবাসে ফিরে গেলেও মাঝে মাঝেই তার জীবন রক্ষাকারী নারীর সঙ্গে দেখা করতে আসতো। দরজায় টোকা দিয়ে জানান দিতো নিজের অস্তিত্ব। একদিন নিজের সন্তানকে পেটের থলের মধ্যে নিয়ে হাজির রেটাবুপের অফিসে, উদ্দেশ্য সন্তানকে দেখানো। এই ছবিটিই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ঝড় তোলে- এমন কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার নজির বিরল। মিরাবুকার সন্তানের নামকরণ করা হয় রকি।

Comments

Comments!

 হৃদয়স্পর্শী ভালোবাসার কাহিনিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হৃদয়স্পর্শী ভালোবাসার কাহিনি

Monday, November 14, 2016 1:39 pm
pic_top1479089614

ভালোবাসাকে সংজ্ঞায়িত করা যায়? আছে মমত্ববোধ কিংবা আবেগ অনুভূতি পরিমাপ করার কোনো মাপকাঠি? মানুষের তৈরি সমাজে হয়তো মাণদন্ডের বিভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু প্রাণীকূলের অপার ভালোবাসা পাওয়া সম্ভব একমাত্র ভালোবাসার বিনিময়ে।

 

সত্যিকারের ভালোবাসা, মমতা, যত্ন কিংবা আবেগ প্রকাশে প্রয়োজন নেই নির্দিষ্ট ভাষা, মাধ্যম, অভিব্যক্তি। আর তাই ভালোবাসার অনুভবে অসংখ্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে মানুষ ও পোষাপ্রাণী।

 

পোষা প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা নতুন নয়। আদিম যুগ থেকে মানুষ যখন বন্য পশুকে পোষ মানিয়েছে, তখন থেকেই এ সম্পর্কের শুরু। তবে মানুষের মতো কৌশলী নয় বলেই ভালোবাসার প্রতিদানে পোষা প্রাণীর নিবেদন বা আত্মত্যাগের কাহিনিগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তেমনই কিছু কাহিনি নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ শেষ পর্বে পাঁচটি ঘটনা তুলে ধরা হলো।

 

Pic

হারকিউলিস: মানুষ সাধারণত কুকুর, বিড়াল বা পাখি পোষে সঙ্গী হিসেবে। ব্যতিক্রম ব্রিটেনের অ্যান্ডি এবং ম্যাগি দম্পতি। ১৯৭৪ সালে সন্তানের অভাব পূরণ করতে তারা ঘরে নিয়ে আসেন একটি উত্তর আমেরিকান গ্রিজলি ভাল্লুক। নাম রাখেন হারকিউলিস। সন্তানের আদরেই বড় হতে থাকে সে। ভাল্লুকটি সকলের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে অল্পদিনেই, এমনকি তারকাখ্যাতিও পেয়ে যায় ৮ ফুট লম্বা আর ৫০০ কেজি ওজনের হারকিউলিস। জেমস বন্ড সিরিজের চলচ্চিত্রে অভিনয়, অভিভাবক অ্যান্ডি এবং ম্যাগি সঙ্গের বিশ্বভ্রমণ আর মার্গারেট থেচারের সঙ্গে দেখা করে রীতিমতো বিশ্বখ্যাত হয়ে ওঠে সে।

 

কিন্তু ২০০০ সালে সন্তানহীন হয় অ্যান্ডি ও ম্যাগি দম্পতি। ২৬ বছর বয়সে প্রকৃতিগত কারণেই মারা যায় হারকিউলিস। জীবন অর্থহীন হয়ে পরে তাদের কাছে, তাই হারকিউলিসের দুঃখ ভুলতে রবি নামের জ্যাক রাসেল টেরিয়ার কুকুর পুষতে শুরু করেন তারা।

 

Pic

জান্ডার: কয়েক বছর আগে সাদা রঙের একটি হাস্কি কুকুর উদ্ধার করেন ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা জন ডোলান, নিজের নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখেন জান্ডার। কিছুদিনের মধ্যেই তার চোখের মনি হয়ে ওঠে জান্ডার। দুজনের সম্পর্কটা ঠিক মালিক ও পোষা প্রাণীর নয়, বরং পিতা পুত্রের। হঠাৎ করে একদিন অ্যালার্জির আক্রমনে হাসপাতালে ভর্তি হয় জন, সন্ধ্যা থেকেই তার ফিরে আসার অপেক্ষায় দরজায় বসে থাকে জান্ডার। অবশেষে ধৈর্যহারা হয়ে রাত ৩টার সময় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পরে জান্ডার, বরফের মধ্যে ২ মাইল পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যায় হাসপাতালে। এক নার্সের চোখে পড়ে হিম ঠান্ডায় হাসপাতালের লবিতে বসে আছে জান্ডার, কলারে লেখা নম্বরে ফোন করে ডেকে আনেন জন ডোলানের স্ত্রীকে। রোগীর সঙ্গে দেখা করে তবেই মালকিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরে জান্ডার।

 

Pic

হকাই: ২০১১ সালের ৬ আগস্ট আফগানিস্তানে হেলিকপ্টার বিস্ফোরণে মৃত্যুবরণ করেন আমেরিকান নেভির পেটি অফিসার জন টমিলসন। এই মারাত্মক দূর্ঘটনায় মারা যান ৩৮ জন অফিসার। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল টমিলসনের কুকুর হকাই। মালিকের মৃত্যুতে তার শোক ও আচরণ দেখে সকলের চোখ ভিজে যায়। কিছুতেই টমিলসনের মৃতদেহ সরাতে দেয় না হকাই, কফিনের সামনে গড়িয়ে গড়িয়ে কাঁদে আদরের ল্যাব্রাডর কুকুরটি। পরে টমিলসেনর বন্ধু স্কট নিকোলস হকাইকে দত্তক নেয়।

 

Pic

ইয়োরিকো: জাপানের টাটেয়ামা সাগরের শ্রাইন বেনেথের লোকাল ডাইভার হিরোয়োকি আরাকাওয়া। সাগরের তলদেশের অদ্ভুত জগতে ঘুরে বেড়ানোই তার নেশা ও পেশা। পানির নিচের জীবজগত নিয়ে গভীর জ্ঞান তার, তার চেয়েও বেশি গভীর বন্ধুত্ব ইয়োরিকোর সঙ্গে। ইয়োরিকো নামের এই এশিয়ান শিপশেড মাছের সঙ্গে গত ২৫ বছর ধরে বন্ধুত্ব রক্ষা করছেন আরাকাওয়া। মজার ব্যাপার হলো, দেখা হলেই একে অপরকে চুমু খেয়ে স্বাগত জানায় এই দুই বন্ধু।

 

Pic

মিরাবুকা: অস্ট্রেলিয়া এবং ক্যাঙ্গারু অবিচ্ছেদ্য। আর ওয়ালাবি হচ্ছে ক্যাঙ্গারুর মতোই তবে আকারে ছোট প্রাণী। এক নারী ও এক ওয়ালাবির ভালোবাসার গল্পটা মন ছুঁয়ে যায়। এই কাহিনি বন্ধুত্বের, মানবতার, মাতৃত্বের। রেটাবুপ নামের সংস্থা মূলত ওয়ালাবি উদ্ধার ও সংরক্ষণ করে। সংস্থারই এক নারী ছোট এক ওয়ালাবিকে উদ্ধার করেছিল। মিরাবুকা নামের ছোট্ট এই ওয়ালাবির মাকে শিকারিরা মেরে ফেলেছিল। মিরাবুকাকে প্রয়োজনীয় লালনপালন শেষে ছেড়ে দেওয়া হয় তার আবাসস্থলে। মিরাবুকা নিজের আবাসে ফিরে গেলেও মাঝে মাঝেই তার জীবন রক্ষাকারী নারীর সঙ্গে দেখা করতে আসতো। দরজায় টোকা দিয়ে জানান দিতো নিজের অস্তিত্ব। একদিন নিজের সন্তানকে পেটের থলের মধ্যে নিয়ে হাজির রেটাবুপের অফিসে, উদ্দেশ্য সন্তানকে দেখানো। এই ছবিটিই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ঝড় তোলে- এমন কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার নজির বিরল। মিরাবুকার সন্তানের নামকরণ করা হয় রকি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X