রবিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৩৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, February 26, 2017 9:11 am
A- A A+ Print

হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক

169362_1 (1)

 
ঢাকা: হোয়াইট হাউসে বসে প্রতিদিন যে সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের খবরাখবর সংগ্রহ করেন, তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের পেশাগত সম্পর্কটা কেমন থাকে? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন যেভাবে মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে রীতিমত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং হোয়াইট হাউসের প্রেস কনফারেন্সে কিছু সাংবাদিককে পর্যন্ত নিষিদ্ধ করছে, তখন অনেকের এনিয়ে কৌতূহল জাগা স্বাভাবিক। হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের তো বটেই, সারা দুনিয়ার বড় বড় সংবাদ-মাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিরা নিয়োজিত থাকেন খবরাখবর সংগ্রহের জন্য। সেখানে প্রায় প্রতিদিনই ব্রিফিং এর ব্যবস্থা থাকে সাংবাদিকদের খবরাখবর জানানোর জন্য। নিয়মিতভাবে প্রেসিডেন্টরাও বিভিন্ন সময়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে এই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। শুরু থেকেই তিনি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে তীব্র বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েছেন। আগের প্রেসিডেন্টদের আমলে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকরা কিভাবে কাজ করেছেন? তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক কেমন ছিল? ফরাসী বার্তা সংস্থা এএফপি'র ফটো সাংবাদিক হিসেবে প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলে হোয়াইট হাউসে ছয় বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশি সাংবাদিক জুয়েল সামাদের। তিনি বলছিলেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। "হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে প্রায় প্রতিদিনই প্রেস ব্রিফিং হয় এবং সাধারণত প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি সেখানে কথা বলেন। এটি 'অন ক্যামেরা' এবং 'অন রেকর্ড' প্রেস ব্রিফিং। অর্থাৎ এখানে ছবি তোলা যাবে, কথা রেকর্ড করা যাবে। হোয়াইট হাউসে ঢোকার পাস বা প্রেস কার্ড আছে এমন যে কোন সাংবাদিক এই সংবাদ সম্মেলন কভার করতে পারেন।" তিনি জানান, ব্রিফিং রুমে সাধারণত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট আসন থাকে। সামনের সারিতে বসেন নিউইয়র্ক টাইমস বা সিএনএনের মতো মূলধারার প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা। "প্রেসিডেন্টের কোন অনুষ্ঠানে কোন সাংবাদিকরা যাবেন বা যোগ দেবেন, কে আগে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন, এসব সাধারণত নির্ধারিত হয় হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস এসোসিয়েশন এবং প্রেসিডেন্টের প্রেস অফিসের মধ্যে আলোচনা-সহযোগিতার মাধ্যমে। বলতে পারেন এটা বহুদিনে গড়ে উঠা একটা অলিখিত রীতি বা ব্যবস্থা।" "যদি ফটোগ্রাফারদের কথা বলি, তাদের জন্য একটা 'ট্রাভেল পুল' আছে। আমি যে প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করি, সেই এএফপি সহ রয়টার্স, এপি এবং নিউইয়র্ক টাইমস এই ট্রাভেল পুলের অংশ। এর মানে হলো, হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের যে কোন অনুষ্ঠান কভার করার ক্ষেত্রে এই চারটি প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। যে কোন লাইনে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের পর অন্য সাংবাদিকরা সুযোগ পাবেন।" হোয়াইট হাউসের কোন সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মধ্যে কারা কি প্রশ্ন করতে পারবেন, সেটা কিভাবে নির্ধারিত হয়? জুয়েল সামাদ জানান, নিত্যদিনের ব্রিফিং এ প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি তার পছন্দমত যে কোন সাংবাদিকের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে তাঁকে প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে পারেন। তখন সেই সাংবাদিক তার যেমন খুশি প্রশ্ন তাকে করতে পারেন। জুয়েল সামাদ বলেন, এখন হোয়াইট হাউসে যে ঘটনাটি ঘিরে তীব্র বিতর্ক চলছে, সেটি ঠিক প্রেস কনফারেন্স নয়, এটাকে বলা হয় 'প্রেস গ্যাগল'। প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি বাছাই করা কিছু সাংবাদিককে ডেকে এই ব্রিফিং এর আয়োজন করেন। সেটি 'অন ক্যামেরা' হতে পারে, আবার 'অফ ক্যামেরা'ও হতে পারে। "আমার অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, প্রেস গ্যাগল সাধারণত অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং এর মতো। অনেক সময় প্রেসিডেন্ট নিজেও হাজির হন এরকম ব্রিফিং-এ। তিনি শুরুতেই বলে দেন, আমি এমনিতেই কথা বলতে এসেছি। এটা অফ দ্য রেকর্ড।" কিন্তু এবার হোয়াইট হাউসে যা ঘটলো, মূলধারার প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের যেভাবে একটি ব্রিফিং এ নিষিদ্ধ করা হলো, সেটা কি আগে কখনো হয়েছে? "না আমার অভিজ্ঞতায় আমি এটা দেখিনি। বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এটা কখনো হয়নি। হোয়াইট হাউসের বাইরে আমরা যখন ভ্রমণ করছি, তখন অনেক সময় কেবল ট্রাভেল পুলের সাংবাদিকদের ব্রিফিং-এ ডাকা হয়। তখন কিন্তু বলে দেয়া হয় যে এটা একটা গ্যাগল।" যেভাবে এখন হোয়াইট হাউসে কিছু সাংবাদিককে কোন কোন ব্রিফিং-এ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, সেটার কি প্রভাব পড়তে পারে এসব সংবাদ প্রতিষ্ঠানের ওপর? জুয়েল সামাদ বলেন, "এটা যত না এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকারক হবে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে যুক্তরাষ্ট্রের। কারণ ভালো গণতন্ত্রের জন্য মিডিয়াকে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে দেয়া দরকার।" জুয়েল সামাদ বলেন, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের কাজ করা নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেই সংকট থাকবে না বলেই মনে করেন তিনি। কারণ হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস এসোসিয়েশন একটি শক্তিশালী সংগঠন। এবং তারা একটা সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Comments

Comments!

 হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক

Sunday, February 26, 2017 9:11 am
169362_1 (1)

 

ঢাকা: হোয়াইট হাউসে বসে প্রতিদিন যে সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের খবরাখবর সংগ্রহ করেন, তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের পেশাগত সম্পর্কটা কেমন থাকে?

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন যেভাবে মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে রীতিমত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং হোয়াইট হাউসের প্রেস কনফারেন্সে কিছু সাংবাদিককে পর্যন্ত নিষিদ্ধ করছে, তখন অনেকের এনিয়ে কৌতূহল জাগা স্বাভাবিক।

হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের তো বটেই, সারা দুনিয়ার বড় বড় সংবাদ-মাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিরা নিয়োজিত থাকেন খবরাখবর সংগ্রহের জন্য। সেখানে প্রায় প্রতিদিনই ব্রিফিং এর ব্যবস্থা থাকে সাংবাদিকদের খবরাখবর জানানোর জন্য। নিয়মিতভাবে প্রেসিডেন্টরাও বিভিন্ন সময়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে এই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। শুরু থেকেই তিনি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে তীব্র বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েছেন।

আগের প্রেসিডেন্টদের আমলে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকরা কিভাবে কাজ করেছেন? তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক কেমন ছিল?

ফরাসী বার্তা সংস্থা এএফপি’র ফটো সাংবাদিক হিসেবে প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলে হোয়াইট হাউসে ছয় বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশি সাংবাদিক জুয়েল সামাদের। তিনি বলছিলেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা।

“হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে প্রায় প্রতিদিনই প্রেস ব্রিফিং হয় এবং সাধারণত প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি সেখানে কথা বলেন। এটি ‘অন ক্যামেরা’ এবং ‘অন রেকর্ড’ প্রেস ব্রিফিং। অর্থাৎ এখানে ছবি তোলা যাবে, কথা রেকর্ড করা যাবে। হোয়াইট হাউসে ঢোকার পাস বা প্রেস কার্ড আছে এমন যে কোন সাংবাদিক এই সংবাদ সম্মেলন কভার করতে পারেন।”

তিনি জানান, ব্রিফিং রুমে সাধারণত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট আসন থাকে। সামনের সারিতে বসেন নিউইয়র্ক টাইমস বা সিএনএনের মতো মূলধারার প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা।

“প্রেসিডেন্টের কোন অনুষ্ঠানে কোন সাংবাদিকরা যাবেন বা যোগ দেবেন, কে আগে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন, এসব সাধারণত নির্ধারিত হয় হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস এসোসিয়েশন এবং প্রেসিডেন্টের প্রেস অফিসের মধ্যে আলোচনা-সহযোগিতার মাধ্যমে। বলতে পারেন এটা বহুদিনে গড়ে উঠা একটা অলিখিত রীতি বা ব্যবস্থা।”

“যদি ফটোগ্রাফারদের কথা বলি, তাদের জন্য একটা ‘ট্রাভেল পুল’ আছে। আমি যে প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করি, সেই এএফপি সহ রয়টার্স, এপি এবং নিউইয়র্ক টাইমস এই ট্রাভেল পুলের অংশ। এর মানে হলো, হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের যে কোন অনুষ্ঠান কভার করার ক্ষেত্রে এই চারটি প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। যে কোন লাইনে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের পর অন্য সাংবাদিকরা সুযোগ পাবেন।”

হোয়াইট হাউসের কোন সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মধ্যে কারা কি প্রশ্ন করতে পারবেন, সেটা কিভাবে নির্ধারিত হয়?

জুয়েল সামাদ জানান, নিত্যদিনের ব্রিফিং এ প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি তার পছন্দমত যে কোন সাংবাদিকের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে তাঁকে প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে পারেন। তখন সেই সাংবাদিক তার যেমন খুশি প্রশ্ন তাকে করতে পারেন।

জুয়েল সামাদ বলেন, এখন হোয়াইট হাউসে যে ঘটনাটি ঘিরে তীব্র বিতর্ক চলছে, সেটি ঠিক প্রেস কনফারেন্স নয়, এটাকে বলা হয় ‘প্রেস গ্যাগল’। প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি বাছাই করা কিছু সাংবাদিককে ডেকে এই ব্রিফিং এর আয়োজন করেন। সেটি ‘অন ক্যামেরা’ হতে পারে, আবার ‘অফ ক্যামেরা’ও হতে পারে।

“আমার অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, প্রেস গ্যাগল সাধারণত অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং এর মতো। অনেক সময় প্রেসিডেন্ট নিজেও হাজির হন এরকম ব্রিফিং-এ। তিনি শুরুতেই বলে দেন, আমি এমনিতেই কথা বলতে এসেছি। এটা অফ দ্য রেকর্ড।”

কিন্তু এবার হোয়াইট হাউসে যা ঘটলো, মূলধারার প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের যেভাবে একটি ব্রিফিং এ নিষিদ্ধ করা হলো, সেটা কি আগে কখনো হয়েছে?

“না আমার অভিজ্ঞতায় আমি এটা দেখিনি। বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এটা কখনো হয়নি। হোয়াইট হাউসের বাইরে আমরা যখন ভ্রমণ করছি, তখন অনেক সময় কেবল ট্রাভেল পুলের সাংবাদিকদের ব্রিফিং-এ ডাকা হয়। তখন কিন্তু বলে দেয়া হয় যে এটা একটা গ্যাগল।”

যেভাবে এখন হোয়াইট হাউসে কিছু সাংবাদিককে কোন কোন ব্রিফিং-এ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, সেটার কি প্রভাব পড়তে পারে এসব সংবাদ প্রতিষ্ঠানের ওপর?

জুয়েল সামাদ বলেন, “এটা যত না এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকারক হবে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে যুক্তরাষ্ট্রের। কারণ ভালো গণতন্ত্রের জন্য মিডিয়াকে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে দেয়া দরকার।”

জুয়েল সামাদ বলেন, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের কাজ করা নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেই সংকট থাকবে না বলেই মনে করেন তিনি। কারণ হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস এসোসিয়েশন একটি শক্তিশালী সংগঠন। এবং তারা একটা সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X