সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৩৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, January 7, 2017 6:07 pm
A- A A+ Print

হ্যাকিংয়ে পুতিনকে সাহায্য করেন যে নারী!

26

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হ্যাকিংয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সাহায্যকারী সন্দেহভাজন হ্যাকারের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। তার নাম আলিসা শেভচেঙ্কো। রাশিয়ার ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে শেভচেঙ্কোর নাম। তিনি একজন দক্ষ হ্যাকার। বড় বড় কোম্পানি তাদের অনলাইন নিরাপত্তার দুর্বলতা খুঁজে বের করতে তাকে নিয়োগ দেন। জোর নামে একটি কোম্পানির হয়ে কাজ করতেন শেভচেঙ্কো। রুশ ফেডারেশনের গোয়েন্দা সংস্থার জন্য ‘টেকনিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে জোর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী করতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারে শেভচেঙ্কো পুতিনের নির্দেশ পেয়ে কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আসার পর আলিসা শেভচেঙ্কো দাবি করেছেন, রাশিয়া সরকারের হয়ে কাজ করার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। হোয়াইট হাউস ইচ্ছাকৃতভাবে তার কোম্পানির নাম তালিকাভুক্ত করে তাদের পেছনে লেগেছে অথবা ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। শেভচেঙ্কোর দাবি, তাকে ও তার অসহায় কোম্পানিকে টার্গেট বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কিছুই তিনি আড়াল করেন না এবং ভালো যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। দোষ দেওয়ার মতো কোনো কারণও নেই। বড় অঙ্কের অর্থ, কোনো ধরনের ক্ষমতা বা এমন কোনো যোগসূত্র নেই, যে কারণে তাকে দোষ দেওয়া হবে। তার দাবি, এ ব্যক্তি তিনি নন, অন্য কেউ। এদিকে, নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, নির্বাচনে রাশিয়া হ্যাকিং করেনি। তবে শুক্রবার গোয়েন্দাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে শোনার পর তিনি বলেছেন, বিদেশি হ্যাকিংয়ে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়েনি। হ্যাকিংয়ে নির্বাচনে প্রভাব পড়েনি- এমন দাবি করলেও রাশিয়া যে হ্যাকিং চালিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি এখনো স্থির নন এবং এজন্য রাশিয়াকে কোনো দোষারোপও করেননি ট্রাম্প। উল্টো তিনি বলেছেন, ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি হ্যাকিংয়ের সুযোগ দিয়েছে। তারা যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা খুবই কঠোর হওয়ায় হ্যাক হয়নি। নবনির্বাচিত ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনলাইন হ্যাকিং রোধে কড়া পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।  

Comments

Comments!

 হ্যাকিংয়ে পুতিনকে সাহায্য করেন যে নারী!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

হ্যাকিংয়ে পুতিনকে সাহায্য করেন যে নারী!

Saturday, January 7, 2017 6:07 pm
26

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হ্যাকিংয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সাহায্যকারী সন্দেহভাজন হ্যাকারের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। তার নাম আলিসা শেভচেঙ্কো।

রাশিয়ার ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে শেভচেঙ্কোর নাম। তিনি একজন দক্ষ হ্যাকার। বড় বড় কোম্পানি তাদের অনলাইন নিরাপত্তার দুর্বলতা খুঁজে বের করতে তাকে নিয়োগ দেন।

জোর নামে একটি কোম্পানির হয়ে কাজ করতেন শেভচেঙ্কো। রুশ ফেডারেশনের গোয়েন্দা সংস্থার জন্য ‘টেকনিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে জোর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী করতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারে শেভচেঙ্কো পুতিনের নির্দেশ পেয়ে কাজ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আসার পর আলিসা শেভচেঙ্কো দাবি করেছেন, রাশিয়া সরকারের হয়ে কাজ করার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। হোয়াইট হাউস ইচ্ছাকৃতভাবে তার কোম্পানির নাম তালিকাভুক্ত করে তাদের পেছনে লেগেছে অথবা ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

শেভচেঙ্কোর দাবি, তাকে ও তার অসহায় কোম্পানিকে টার্গেট বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কিছুই তিনি আড়াল করেন না এবং ভালো যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। দোষ দেওয়ার মতো কোনো কারণও নেই। বড় অঙ্কের অর্থ, কোনো ধরনের ক্ষমতা বা এমন কোনো যোগসূত্র নেই, যে কারণে তাকে দোষ দেওয়া হবে। তার দাবি, এ ব্যক্তি তিনি নন, অন্য কেউ।

এদিকে, নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, নির্বাচনে রাশিয়া হ্যাকিং করেনি। তবে শুক্রবার গোয়েন্দাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে শোনার পর তিনি বলেছেন, বিদেশি হ্যাকিংয়ে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়েনি।

হ্যাকিংয়ে নির্বাচনে প্রভাব পড়েনি- এমন দাবি করলেও রাশিয়া যে হ্যাকিং চালিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি এখনো স্থির নন এবং এজন্য রাশিয়াকে কোনো দোষারোপও করেননি ট্রাম্প। উল্টো তিনি বলেছেন, ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি হ্যাকিংয়ের সুযোগ দিয়েছে। তারা যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা খুবই কঠোর হওয়ায় হ্যাক হয়নি।

নবনির্বাচিত ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনলাইন হ্যাকিং রোধে কড়া পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্রীয় সরকার।

তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X