রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৩৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 8, 2016 3:34 pm | আপডেটঃ November 08, 2016 6:52 PM
A- A A+ Print

১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি

photo-1478596953

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ বা ৮ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি পায়নি বিএনপি। আগামী ১৩ নভেম্বর আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চাইবে দলটি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর সমাবেশ করতে না দিয়ে সরকার সংবিধান লঙ্ঘনের মতো অপরাধ করেছে। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশের জন্য আগামী ১৩ নভেম্বর আবারও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হবে। বিএনপির মহাসচিব বলেন, তাঁরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বলা হয়, এ দিন অন্য আরো রাজনৈতিক দলও সময় চেয়েছে, তাই সমাবেশ করা যাবে না। এর পর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়। তখন সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাস্তায় দাঁড়িয়ে সমাবেশ করা যাবে না। এখন আগামী ১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন করে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হবে। এবার অনুমতি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ফখরুল। অনুমতি না পেলে বিএনপি কী করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা অনুমতি চাইতেই থাকব। কারণ, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।’ ৭ নভেম্বর পালনে জেলা প্রশাসকদের বাধা দিতে বলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। সরকার সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিএনপিকে দমনে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপিকে বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সভা-সমাবেশ তাঁদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। তিনি বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তাঁরা আবারও দমনপীড়ন করে সেই পুরোনো একদলীয় বাকশালী শাসন ভিন্নভাবে  ফিরিয়ে আনতে চাইছে।’ বর্তমান সংসদকে অগণতান্ত্রিক দাবি করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এখন তাঁরা সেই সংসদে নেই। স্বভাবতই জনমতকে সুসংগঠিত করতে সমাবেশ করতে হবে। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে সুস্থধারায় চলতে দিন। তাহলে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট সমাধান হবে। এভাবে সভা-সমাবেশে বাধা দিয়ে দেশের সংকট নিরসন হবে না।’ বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন, সব রাজনৈতিক দলের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই কেবল রাজনৈতিক সংকটের নিরসন সম্ভব। এ অবস্থায় সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপির মতো নির্যাতনের শিকার আর কেউ হয়নি। দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী নির্যাতনেন শিকার হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন। শুধু সংখ্যালঘুরাই নয়, ভিন্ন মতের সবাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, মো. আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

Comments

Comments!

 ১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি

Tuesday, November 8, 2016 3:34 pm | আপডেটঃ November 08, 2016 6:52 PM
photo-1478596953

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ বা ৮ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি পায়নি বিএনপি। আগামী ১৩ নভেম্বর আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চাইবে দলটি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর সমাবেশ করতে না দিয়ে সরকার সংবিধান লঙ্ঘনের মতো অপরাধ করেছে। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশের জন্য আগামী ১৩ নভেম্বর আবারও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, তাঁরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বলা হয়, এ দিন অন্য আরো রাজনৈতিক দলও সময় চেয়েছে, তাই সমাবেশ করা যাবে না। এর পর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়। তখন সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাস্তায় দাঁড়িয়ে সমাবেশ করা যাবে না। এখন আগামী ১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন করে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হবে।

এবার অনুমতি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ফখরুল। অনুমতি না পেলে বিএনপি কী করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা অনুমতি চাইতেই থাকব। কারণ, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।’

৭ নভেম্বর পালনে জেলা প্রশাসকদের বাধা দিতে বলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। সরকার সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিএনপিকে দমনে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বিএনপিকে বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সভা-সমাবেশ তাঁদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। তিনি বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তাঁরা আবারও দমনপীড়ন করে সেই পুরোনো একদলীয় বাকশালী শাসন ভিন্নভাবে  ফিরিয়ে আনতে চাইছে।’

বর্তমান সংসদকে অগণতান্ত্রিক দাবি করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এখন তাঁরা সেই সংসদে নেই। স্বভাবতই জনমতকে সুসংগঠিত করতে সমাবেশ করতে হবে। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে সুস্থধারায় চলতে দিন। তাহলে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট সমাধান হবে। এভাবে সভা-সমাবেশে বাধা দিয়ে দেশের সংকট নিরসন হবে না।’

বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন, সব রাজনৈতিক দলের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই কেবল রাজনৈতিক সংকটের নিরসন সম্ভব। এ অবস্থায় সংলাপের কোনো বিকল্প নেই।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপির মতো নির্যাতনের শিকার আর কেউ হয়নি। দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী নির্যাতনেন শিকার হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন। শুধু সংখ্যালঘুরাই নয়, ভিন্ন মতের সবাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, মো. আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X